সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাটের মাহিনগরে ১১ একর জমি রয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের। ইতিমধ্যেই ২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকাতে প্রাচীর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অজানা কারণে থমকে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ভবনের কাজ। এবার ওই নির্ধারিত জায়গাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত কাজের জন্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তরকে চিঠি দিলেন নতুন উপাচার্য প্রণব ঘোষ। বিগত দিনে ওই জায়গাতেই পূর্ত দপ্তরের তরফে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। সেই চিঠি ফের দিলেন নতুন উপাচার্য। সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজের জন্য প্রায় ৪০ কোটি টাকা প্রয়োজন। সেটা উচ্চ শিক্ষা দপ্তরকেও জানানো হয়েছে।
Advertisement
এদিকে, স্থায়ী পরিকাঠামো তৈরি করতে এখনও কয়েকবছর প্রয়োজন। বর্তমানে যে জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় চলছে, তা একেবারেই ছোট জায়গা। তাই আপাতত একটি নতুন জায়গা খুঁজছে বিশ্ববিদ্যালয়। প্রশাসনের তরফে নাট্য উৎকর্ষ কেন্দ্রটি পঠনপাঠনের জন্য দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়েও চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানা গিয়েছে। উচ্চ শিক্ষা দপ্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নতুন নতুন বিষয় চালুরও দাবি জানানো হয়েছে।
নতুন উপাচার্য বলেন, যে জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় চলছে, সেই জায়গায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। আপাতত একটি ভালো পরিকাঠামোযুক্ত জায়গার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে, যাতে ছাত্র ও অধ্যাপকরা স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারেন। আশা করছি, দ্রুত একটি নতুন জায়গা আমরা পাব। স্থায়ী পরিকাঠামোর জন্য যে জায়গাটি রয়েছে, সেই জায়গার জন্য পূর্ত দপ্তর আগেই প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। সেই প্রস্তাব আমরা আবার পাঠালাম।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, বালুরঘাটের হাজিপুরে ১১ একর জমি দেখা হয়েছে। ওই জমিতে ২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার বেশি খরচ করে প্রাচীরের কাজ হয়েছে। শুধু তাই নয়, পূর্তদপ্তরও ভবন নির্মাণের জন্য এস্টিমেট তৈরি করেছিল। কিন্তু ছয় বছর পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু হয়নি। ওই জায়গার পাশে রয়েছে এয়ারপোর্ট। এয়ারপোর্ট অথরিটি এনিয়ে কোনও আপত্তি না জানালেও নানা কারণ দেখিয়ে ওই জায়গায় কাজ বন্ধ রয়েছে। একাধিক সময় বিশ্ববিদ্যালয় বালুরঘাট থেকে চলে যাওয়ারও গুজব উঠেছিল। তবে এবার ওই জায়গাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত কাজের জন্য রাজ্যকে প্রস্তাব দিলেন উপাচার্য।
এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্ক, ইংরেজি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর চালু রয়েছে। আগামীতে বাংলা, সংস্কৃত, এডুকেশন, কেমিস্ট্রি, দর্শন বিভাগ চালুর জন্য উচ্চশিক্ষা দপ্তরে জানানো হয়েছে।নতুন উপাচার্য বলেন, যে জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় চলছে, সেই জায়গায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় চলতে পারে না। আপাতত একটি ভালো পরিকাঠামোযুক্ত জায়গার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে, যাতে ছাত্র ও অধ্যাপকরা স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারেন। আশা করছি, দ্রুত একটি নতুন জায়গা আমরা পাব। স্থায়ী পরিকাঠামোর জন্য যে জায়গাটি রয়েছে, সেই জায়গার জন্য পূর্ত দপ্তর আগেই প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। সেই প্রস্তাব আমরা আবার পাঠালাম।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, বালুরঘাটের হাজিপুরে ১১ একর জমি দেখা হয়েছে। ওই জমিতে ২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার বেশি খরচ করে প্রাচীরের কাজ হয়েছে। শুধু তাই নয়, পূর্তদপ্তরও ভবন নির্মাণের জন্য এস্টিমেট তৈরি করেছিল। কিন্তু ছয় বছর পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু হয়নি। ওই জায়গার পাশে রয়েছে এয়ারপোর্ট। এয়ারপোর্ট অথরিটি এনিয়ে কোনও আপত্তি না জানালেও নানা কারণ দেখিয়ে ওই জায়গায় কাজ বন্ধ রয়েছে। একাধিক সময় বিশ্ববিদ্যালয় বালুরঘাট থেকে চলে যাওয়ারও গুজব উঠেছিল। তবে এবার ওই জায়গাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত কাজের জন্য রাজ্যকে প্রস্তাব দিলেন উপাচার্য।



