সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: দিনের পর দিন পঞ্চায়েত অফিসে দেখা নেই সহায়কের। ফলে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র তুলতে এসে ঘুরে যেতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। এতে তাঁদেরকে হয়রান হতে হচ্ছে। পঞ্চায়েত প্রধানকে বলেও কোনও সুরাহা হচ্ছে না। এমনটাই অভিযোগ হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের বাম-কংগ্রেস পরিচালিত মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সহায়ক প্রসেনজিৎ মণ্ডলের বিরুদ্ধে। আর এক কর্মীও নিয়মিত অফিসে আসেন না বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে পঞ্চায়েতের গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখান ভুক্তভোগীরা। তিন ঘণ্টা ধরে পঞ্চায়েত কর্মীদের আটকে রাখেন বিক্ষুব্ধরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিস। তারা বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে তালা খুলে দেয়।
Advertisement
পঞ্চায়েতের প্রধান সিপিএমের মৌসুমী দাস বলেন, পঞ্চায়েতের ওই দুই কর্মীর অনিয়মিত অফিসে আসার বিষয়টি ব্লক প্রশাসনকে একাধিকবার জানিয়েছি। ছ’মাস আগে তাঁদেরকে শোকজ করেছিলেন বিডিও। কয়েকদিন থেকে সহায়ক অফিস আসছেন না।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েতের সহায়ক অফিসে নিয়মিত আসেন না। সপ্তাহে একদিন এলে পাঁচ দিনই অনুপস্থিত থাকেন। পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র নিতে এসে সহায়কের দেখা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার কোনওদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসের বাইরে বসে থাকতে হয়। টিলডাঙ্গি গ্রামের বাসিন্দা লক্ষ্মী মণ্ডল বলেন, আমি ছেলে ও মেয়ের জন্মের শংসাপত্র বানানোর জন্য পাঁচ মাস ধরে ঘুরছি। সহায়কের দেখা পাচ্ছি না। আলিনগর গ্রামের বাসিন্দা রুকসানা খাতুন ও মহেন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজকুমার সরকারেরও একেই বক্তব্য।
মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট আশফাক আলম বলেন, সহায়ক মাসে দুই-তিনদিন অফিস আসেন। তাঁকে নিয়মিত অফিস করার জন্য একাধিকবার বলা হয়েছে। তিনি কারও কথা শুনছেন না। পঞ্চায়েত সদস্য সফিক আলি বলেন, প্রধানের দুর্বলতার জন্য ওই দুই কর্মী অফিস আসছে না।
সহায়ক মর্জিমাফিক অফিসে আসছেন। সাধারণ মানুষ আমাদেরকে ঘিরে ধরছে। হরিশ্চন্দ্রপুর-১ বিডিও সৌমেন মণ্ডল বলেন, আগেও তাঁদের শোকজ করা হয়েছিল। আবার নতুন করে অভিযোগ এসেছে। ফের ব্যবস্থা নিচ্ছি। পঞ্চায়েতের সহায়ক প্রসেনজিৎ মণ্ডল বলেন, আমি নিয়মিত অফিস আসি। কয়েকদিন আগে বাইক দুর্ঘটনায় পায়ে চোট পেয়েছি। তাই নিয়মিত অফিসে যেতে পারছি না।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েতের সহায়ক অফিসে নিয়মিত আসেন না। সপ্তাহে একদিন এলে পাঁচ দিনই অনুপস্থিত থাকেন। পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র নিতে এসে সহায়কের দেখা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার কোনওদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসের বাইরে বসে থাকতে হয়। টিলডাঙ্গি গ্রামের বাসিন্দা লক্ষ্মী মণ্ডল বলেন, আমি ছেলে ও মেয়ের জন্মের শংসাপত্র বানানোর জন্য পাঁচ মাস ধরে ঘুরছি। সহায়কের দেখা পাচ্ছি না। আলিনগর গ্রামের বাসিন্দা রুকসানা খাতুন ও মহেন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজকুমার সরকারেরও একেই বক্তব্য।
মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট আশফাক আলম বলেন, সহায়ক মাসে দুই-তিনদিন অফিস আসেন। তাঁকে নিয়মিত অফিস করার জন্য একাধিকবার বলা হয়েছে। তিনি কারও কথা শুনছেন না। পঞ্চায়েত সদস্য সফিক আলি বলেন, প্রধানের দুর্বলতার জন্য ওই দুই কর্মী অফিস আসছে না।
সহায়ক মর্জিমাফিক অফিসে আসছেন। সাধারণ মানুষ আমাদেরকে ঘিরে ধরছে। হরিশ্চন্দ্রপুর-১ বিডিও সৌমেন মণ্ডল বলেন, আগেও তাঁদের শোকজ করা হয়েছিল। আবার নতুন করে অভিযোগ এসেছে। ফের ব্যবস্থা নিচ্ছি। পঞ্চায়েতের সহায়ক প্রসেনজিৎ মণ্ডল বলেন, আমি নিয়মিত অফিস আসি। কয়েকদিন আগে বাইক দুর্ঘটনায় পায়ে চোট পেয়েছি। তাই নিয়মিত অফিসে যেতে পারছি না।



