নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: মহম্মদবাজারের পাথর ব্যবসায়ী সুজয় মণ্ডলের খুনের ঘটনায় ৭ দিন পর তাঁরই বন্ধুকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। সুজয়ের বন্ধু সন্দীপ মাহারাকে আসানসোলের যৌনপল্লি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিসের দাবি, দুজনের বাকবিতণ্ডার মধ্যে সন্দীপ গুলি করে সুজয়কে। তারপর থেকেই এলাকা ছাড়া ছিল সে। কিন্তু পাড়ুইয়ে এক জ্যোতিষীর কাছে আসার সূত্র ধরেই তার খোঁজ পেয়ে যায় পুলিস। তবে নিছক রাগের বশে খুন, না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ ছিল সেটাই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
অতিরিক্ত পুলিস সুপার (হেড কোয়ার্টার) পরাগ ঘোষ বলেন, মূল অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খুনের কথা সে স্বীকার করেছে। পূর্ণাঙ্গ ঘটনা জানতে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
গত ২৫ অক্টোবর মহম্মদবাজারের চন্দ্রপুর-সেরেন্ডা রাস্তার ধারে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় পাথর ব্যবসায়ী সুজয় মণ্ডলকে। তাঁর বুকে গুলি লেগেছিল। মৃতদেহের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল তাঁর কালো স্করপিও গাড়িটি। তাঁর পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয় সুজয়ের বন্ধু সন্দীপের দিকে। কেন না, সন্দীপ ও সুজয় রাত্রি সাড়ে ১২টা নাগাদ মল্লারপুরের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে খাওয়াদাওয়া সেরে একসঙ্গে ফিরছিল। কিন্তু সকালে সুজয়ের দেহ মিললেও সন্দীপের খোঁজ পাওয়া যায়নি। এরপর পুলিস ঘটনার তদন্তে নামে। টাওয়ার লোকেশন মিলিয়ে দেখা হয়, ঘটনাস্থলে সুজয়ের সঙ্গে আর কার কার মোবাইল নম্বর ছিল। সেখানে থেকেই ক্লু মেলে। পুলিসের দাবি, সেদিন গাড়িতে একসঙ্গে আসার সময় দুই বন্ধুর মধ্যে ব্যাপক কথা কাটাকাটি হয়। তারপর সন্দীপ গুলি চালিয়ে পাশের একটি আমবাগানে যায়। তারপর সেখান থেকে সে সাঁইথিয়া স্টেশন চলে যায়। পরে ট্রেনে চেপে আসানসোল পৌঁছয় সন্দীপ। কিন্তু সেখানে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করায় পুলিস সন্দীপের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারছিল না। কিন্তু এরপরই পুলিস গুরুত্বপূর্ণ আর একটি ক্লু পায়। সন্দীপ পাড়ুইয়ের এক জ্যোতিষীর কাছে নিয়মিত আসে বলে জানতে পারে। সুজয়কে খুনের পর সন্দীপ ফের একবার ওই জ্যোতিষীর কাছে আসে পরামর্শ নিতে। সেই খবর পাওয়া মাত্রই পুলিস জ্যোতিষীর সূত্র ধরে আসানসোলে সন্দীপের ঠিকানায় পৌঁছে যায়। সেখানে যৌনপল্লি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার সিউড়ি আদালতে তোলা হয়। তবে এই প্রথম যে সে গ্রেপ্তার হল তা নয়। রেকর্ড ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে, ২০১৪ সালে সেরেন্ডা গ্রামের দীপক পালের খুনের ঘটনায় যুক্ত ছিল সন্দীপ। সেই কারণে একবছর জেল খাটতে হয়েছে তাকে। পরে শর্তসাপেক্ষ জামিন পায়। কিন্তু এই খুনের পিছনে মোটিভ এখনও পরিষ্কার নয় পুলিসের কাছে। একটি সূত্র বলছে, ব্যবসায়িক লেনদেন সংক্রান্ত গন্ডগোল চলছিল দু’জনের মধ্যে। আবার অন্য একটি সূত্র বলছে, এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন নিয়ে দু’জনের মধ্যে সেই রাতে ব্যাপক বাকবিতণ্ডা হয়। আর তারপরই বাড়ির কাছে আসার ঠিক কয়েক কিমি আগে গুলি চলে। দেরি হলেও মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
গত ২৫ অক্টোবর মহম্মদবাজারের চন্দ্রপুর-সেরেন্ডা রাস্তার ধারে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় পাথর ব্যবসায়ী সুজয় মণ্ডলকে। তাঁর বুকে গুলি লেগেছিল। মৃতদেহের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল তাঁর কালো স্করপিও গাড়িটি। তাঁর পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয় সুজয়ের বন্ধু সন্দীপের দিকে। কেন না, সন্দীপ ও সুজয় রাত্রি সাড়ে ১২টা নাগাদ মল্লারপুরের এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে খাওয়াদাওয়া সেরে একসঙ্গে ফিরছিল। কিন্তু সকালে সুজয়ের দেহ মিললেও সন্দীপের খোঁজ পাওয়া যায়নি। এরপর পুলিস ঘটনার তদন্তে নামে। টাওয়ার লোকেশন মিলিয়ে দেখা হয়, ঘটনাস্থলে সুজয়ের সঙ্গে আর কার কার মোবাইল নম্বর ছিল। সেখানে থেকেই ক্লু মেলে। পুলিসের দাবি, সেদিন গাড়িতে একসঙ্গে আসার সময় দুই বন্ধুর মধ্যে ব্যাপক কথা কাটাকাটি হয়। তারপর সন্দীপ গুলি চালিয়ে পাশের একটি আমবাগানে যায়। তারপর সেখান থেকে সে সাঁইথিয়া স্টেশন চলে যায়। পরে ট্রেনে চেপে আসানসোল পৌঁছয় সন্দীপ। কিন্তু সেখানে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করায় পুলিস সন্দীপের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারছিল না। কিন্তু এরপরই পুলিস গুরুত্বপূর্ণ আর একটি ক্লু পায়। সন্দীপ পাড়ুইয়ের এক জ্যোতিষীর কাছে নিয়মিত আসে বলে জানতে পারে। সুজয়কে খুনের পর সন্দীপ ফের একবার ওই জ্যোতিষীর কাছে আসে পরামর্শ নিতে। সেই খবর পাওয়া মাত্রই পুলিস জ্যোতিষীর সূত্র ধরে আসানসোলে সন্দীপের ঠিকানায় পৌঁছে যায়। সেখানে যৌনপল্লি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার সিউড়ি আদালতে তোলা হয়। তবে এই প্রথম যে সে গ্রেপ্তার হল তা নয়। রেকর্ড ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে, ২০১৪ সালে সেরেন্ডা গ্রামের দীপক পালের খুনের ঘটনায় যুক্ত ছিল সন্দীপ। সেই কারণে একবছর জেল খাটতে হয়েছে তাকে। পরে শর্তসাপেক্ষ জামিন পায়। কিন্তু এই খুনের পিছনে মোটিভ এখনও পরিষ্কার নয় পুলিসের কাছে। একটি সূত্র বলছে, ব্যবসায়িক লেনদেন সংক্রান্ত গন্ডগোল চলছিল দু’জনের মধ্যে। আবার অন্য একটি সূত্র বলছে, এক মহিলার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন নিয়ে দু’জনের মধ্যে সেই রাতে ব্যাপক বাকবিতণ্ডা হয়। আর তারপরই বাড়ির কাছে আসার ঠিক কয়েক কিমি আগে গুলি চলে। দেরি হলেও মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।



