নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: খনন কাজের পাশাপাশি এখনও জমির নথি সংশোধনের কাজ চলছে। সেই লক্ষ্যে বীরভূম জেলা প্রশাসনের তরফে মহম্মদবাজারের মথুরাপাড়ি সহ একাধিক এলাকায় অস্থায়ী শিবির চলছে। আগামী সপ্তাহ থেকে তফসিলি জাতি ও উপজাতি শংসাপত্র সহ আধার সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে বিশেষ শিবির চালু করা হবে। প্রকল্প সংলগ্ন এলাকাজুড়ে সেই শিবির চলবে। শুক্রবার তৃতীয় দফায় শিবির থেকে শতাধিক সংশোধিত জমির নথি মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের প্রধান সচিব সুরেন্দ্র গুপ্তা ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের প্রধান সচিব ছোটেন ডি লামা, পিডিসিএলের সিএমডি পিবি সেলিম সহ রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম, জেলাশাসক বিধান রায়, পুলিস সুপার আমনদীপ উপস্থিতি ছিলেন।
Advertisement
এদিন তাঁদের উপস্থিতিতে মথুরাপাহাড়ীর শিবির থেকে জমির মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তৃতীয় দফায় এদিন ১৫৭ জন সংশোধিত জমির নথি হাতে পেলেন। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০০টি সংশোধিত নথি স্থানীয়দের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। নথি প্রাপকরা রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের ভূমিকায় আপ্লুত। প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখে দপ্তরের সচিবরা যথেষ্ট খুশি।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকেই দেউচা পাচামির চাঁদা মৌজায় ১২ একর সরকারি জমিতে খননকাজ শুরু হয়েছে। জোর কদমে সেই কাজ চলছে। এদিন রাজ্যের পৃথক দু’টি দপ্তরের সচিব সহ জেলা পুলিস ও প্রশাসনের কর্তারা সেই কাজের পাশাপাশি গাছ স্থানান্তরের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন। এছাড়াও শিবির পরিদর্শন সহ সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলেন। তাঁরা স্থানীয় মুন্সি বাসকির বাড়িতেও গিয়েছিলেন। এলাকার বাসিন্দাদের কী কী সমস্যা রয়েছে, সেই সবেরও খোঁজ খবর নেওয়া হয়। পাশাপাশি দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। সমস্যা সমাধানে আগামীতে ওই এলাকায় একাধিক শিবির হবে।
এদিন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের পর মহম্মদবাজার ব্লক অফিসে এসআরডিএ চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতিতে তাঁরা বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে জেলাশাসক বলেন, সকলেই প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখেছেন। সেইসঙ্গে প্রকল্পের কাজে কীভাবে আরও অগ্রগতি আনা যায়, তা নিয়ে কথা হয়। সেই সঙ্গে মানুষের পরিষেবার বিষয়গুলি কীভাবে আরও সুনিশ্চিত করা যায়, সেই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে রেশন কার্ড, আধার কার্ড, তফসিলি জাতি ও উপজাতি শংসাপত্র সংক্রান্ত সমস্যা নিরসনে শিবির করা হবে।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকেই দেউচা পাচামির চাঁদা মৌজায় ১২ একর সরকারি জমিতে খননকাজ শুরু হয়েছে। জোর কদমে সেই কাজ চলছে। এদিন রাজ্যের পৃথক দু’টি দপ্তরের সচিব সহ জেলা পুলিস ও প্রশাসনের কর্তারা সেই কাজের পাশাপাশি গাছ স্থানান্তরের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন। এছাড়াও শিবির পরিদর্শন সহ সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলেন। তাঁরা স্থানীয় মুন্সি বাসকির বাড়িতেও গিয়েছিলেন। এলাকার বাসিন্দাদের কী কী সমস্যা রয়েছে, সেই সবেরও খোঁজ খবর নেওয়া হয়। পাশাপাশি দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। সমস্যা সমাধানে আগামীতে ওই এলাকায় একাধিক শিবির হবে।
এদিন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের পর মহম্মদবাজার ব্লক অফিসে এসআরডিএ চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতিতে তাঁরা বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে জেলাশাসক বলেন, সকলেই প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখেছেন। সেইসঙ্গে প্রকল্পের কাজে কীভাবে আরও অগ্রগতি আনা যায়, তা নিয়ে কথা হয়। সেই সঙ্গে মানুষের পরিষেবার বিষয়গুলি কীভাবে আরও সুনিশ্চিত করা যায়, সেই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে রেশন কার্ড, আধার কার্ড, তফসিলি জাতি ও উপজাতি শংসাপত্র সংক্রান্ত সমস্যা নিরসনে শিবির করা হবে।



