নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: মহামিলন উৎসব ঘিরে বর্ধমানের নাদরায় স্বামী দেবানন্দ আশ্রমে ভক্তদের ঢল নামল। বিভিন্ন জেলা থেকে ভক্তরা এসেছেন। আজ, ২ জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠান থাকছে। স্বামী দেবানন্দ মহারাজ বলেন, সংযমী জীবনযাপনই পারে মানুষকে আত্মকেন্দ্রিকতার বাইরে রাখতে। আত্মকেন্দ্রিকতা জন্ম দেয় স্বার্থপরতা ও অহঙ্কার। সবার উপরে সংযমী জীবনযাপনের চেষ্টা করতে হবে। সমাজকে সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে হলে ভালোবাসার রাস্তা দিয়েই সকলকে চলতে হবে। তিনি আরও বলেন, সব সময় ভাবতে হবে আমরা একে অপরের পরিপূরক। সমস্যার মূল কারণ হল অহঙ্কার। অহঙ্কার থেকে স্বার্থপরতা এবং সংকীর্ণতা জন্ম নেয়। সেবাই পারে অহংকার চূর্ণ করতে। মানুষ যদি তাড়াতাড়ি নিজেকে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে সেবাই একমাত্র রাস্তা। সেবাই পরম ধর্ম। এই কারণেই সেবামূলক কর্মকাণ্ড চালু করা।
Advertisement
মহামিলন উৎসবে প্রতিবারই ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে। ভক্তরা নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। স্বামী দেবানন্দ মহারাজ ভক্তদের দর্শন দেন। প্রবচনও চলে। এছাড়া বিশিষ্ট শিল্পীরা সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেন। স্বামী দেবানন্দ মহারাজ বলেন, মানুষ আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে বলে নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছে না। সহজ এবং স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে জেগে উঠবে আত্মজ্ঞান, আত্মবিশ্বাস এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ। তবে সবটাই নির্ভর করছে সংযমের উপর। ৩১ ডিসেম্বর পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শেষদিনে ধূলোটের আয়োজন করা হয়েছে। তিনদিন ধরে যজ্ঞ হয়েছে। তা বৃহস্পতিবার শেষ হবে। এদিন সাধু ভাণ্ডারা হবে। বিভিন্ন আশ্রম থেকে সাধুরা আসবেন।-নিজস্ব চিত্র



