মহিলাদের মালিকানায় ব্যবসা এখন নতুন কিছু নয়। দেশের বহু রাজ্যে মহিলারা পড়াশোনার পর চাকরি না খুঁজে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করছেন। কিন্তু একটি ক্ষুদ্র সঞ্চয় পরামর্শদাতা গোষ্ঠী, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও জেপি মরগ্যানের সমীক্ষায় জানা গিয়েছে এইসব ব্যবসার গোড়াতেই রয়েছে কিছু গলদ। প্রাথমিক কিছু ধাপ অনুসরণ না করে এই ব্যবসাগুলো চলছে। তাই এগুলো ক্রমশ রুগ্ন থেকে রুগ্নতর হয়ে পড়ছে। এই মহিলা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৪৫% আছেন যাঁদের অত্যন্ত টানাটানির মধ্যে চলতে হয়। সঙ্কট মোকাবিলা করার মতো সামর্থ্য তাঁদের নেই। সেই কারণে অনেক ক্ষেত্রে হঠাৎ বিপদ হলে ঘরের টাকা এনে তা মেটাতে হচ্ছে। অথবা ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। তাছাড়াও এই ব্যবসার অনেকগুলোরই কোনও লিখিত রেকর্ড নেই। অনেক মহিলা আবার মনে করেন ছোট ব্যবসায় খাতা লেখা অপ্রয়োজনীয়। ফলে পুরো ব্যবসায়িক লেনদেন এবং টাকা পয়সা ঘটিত কাগজপত্র কিছুই সঠিকভাবে রাখা হয় না। অনেক মহিলাই নিজস্ব খরচ এবং ব্যবসাকেন্দ্রিক খরচের মধ্যে কোনও তফাত রাখতে জানেন না। ফলে ব্যবসায় লাভ লোকসানের হিসেব রাখা সম্ভব হয় না। কারণ তারা দুটো খরচকে মিলিয়ে ফেলেন। এখানেই শেষ নয়, অনেক মহিলাচালিত ব্যবসাই কিছুটা পুরুষের উপর নির্ভশীল। ফলে সবক্ষেত্রে ব্যবসায় মহিলাদের একচ্ছত্র অধিকারও থাকে না। সব মিলিয়ে ব্যবসাটা নড়বড়ে অবস্থায় পৌঁছে যায়। এর ফলে মহিলাদের ক্ষমতায়ন সে অর্থে ঘটছে না এবং দেশের অর্থনীতিও উন্নত হচ্ছে না বলেই সমীক্ষার দাবি।



