নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল ও সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: মহিলা সমবায় ব্যাঙ্কের মনোনয়ন জমা ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে দুর্গাপুরে। মঙ্গলবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। এদিন মনোনয়ন জমা করতে না দেওয়ার অভিযোগ তুললেন সমবায় বাঁচাও মঞ্চের মহিলারা। মূলত সিপিএমের মহিলা সদস্যরাই এই মঞ্চ তৈরি করেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, এদিন ব্যাঙ্কে মনোনয়ন জমা করার জন্য গেলে তাঁদের হেনস্তা, গালিগালাজ করে বের করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে তাঁরা সিটিসেন্টারে রাস্তা অবরোধ করেন। যাতে ভোগান্তির শিকার হন সাধারণ মানুষ। মনোনয়ন জমা করার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আর্জি নিয়ে মহকুমা শাসকের কার্যালয় পর্যন্ত মিছিল করেন মহিলারা। সেখানে তাঁরা বিক্ষোভ দেখান। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
Advertisement
১২ বছর পর দুর্গাপুরের মহিলা সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। সোম ও মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র তোলা ও জমা দেওয়ার দিন। প্রথম দিন থেকে মহিলাদের প্রবল উৎসব দেখা গিয়েছিল। সমবায় দখল করতে মরিয়া ছিল শাসক দল। দুর্গাপুরে শাসক দলের মহিলা সংগঠনের নেত্রীদের উপস্থিতিতে সোমবার থেকেই মনোনয়ন পত্র তুলতে হিড়িক পড়ে। ৩৩ আসনের নির্বাচনে প্রথম দিন মনোনয়ন তোলা হয় ৫০০টি। মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিন তৃণমূল কংগ্রেসে মহিলা সদস্যদের পাশাপাশি সিপিএমের উদ্যোগে তৈরি সমবায় বাঁচাও মঞ্চের মহিলারা মনোনয়ন জমা করতে আসেন। সমবায় বাঁচাও মঞ্চের পক্ষ থেকে আলপনা চৌধুরী, নীতা দাসগুপ্তরা বলেন, তৃণমূলের গুণ্ডারা আমাদের মোবাইল কেড়ে হেনস্তা করে মনোনয়ন জমা আটকে দিয়েছে। এই অভিযোগ করার পরই তাঁরা জমায়েত হয়ে সিটিসেন্টার এলাকায় রাস্তা অবরোধ করেন। বিপুল পুলিস বাহিনী অবরোধ তুলতে সচেষ্ট হয়। তখন তাঁরা মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ হন। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। এরপর তাঁরা আইনের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন।
তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অসীমা চক্রবর্তী বলেন, একটা ফুটেজ দেখান যেখানে আমাদের কেউ তাঁদের হেনস্তা করেছে। চারজন মহিলা এসে লাইন দিলেন। আমাদের সমর্থন দেখে ভয়ে পালিয়ে গিয়ে বাইরে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
নির্বাচনের অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার বিশ্বজিৎ দাস, মৃণালকান্তি পালরা বলেন, ৩৩ আসনের জন্য ৩৫টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। আমাদের কাছে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আসেনি।
তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অসীমা চক্রবর্তী বলেন, একটা ফুটেজ দেখান যেখানে আমাদের কেউ তাঁদের হেনস্তা করেছে। চারজন মহিলা এসে লাইন দিলেন। আমাদের সমর্থন দেখে ভয়ে পালিয়ে গিয়ে বাইরে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
নির্বাচনের অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার বিশ্বজিৎ দাস, মৃণালকান্তি পালরা বলেন, ৩৩ আসনের জন্য ৩৫টি মনোনয়ন জমা পড়েছে। আমাদের কাছে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আসেনি।



