সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: প্রশাসনের আধিকারিক ছাড়া নতুন চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণা করায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেখলিগঞ্জ পুরসভায়। মঙ্গলবার পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান পদে প্রভাত পাটনির নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বোর্ড গঠনের সময় সেখানে প্রশাসনের কোনও আধিকারিক ছিলেন না। স্বভাবতই চেয়ারম্যান নির্বাচনের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানতে মেখলিগঞ্জের এসডিও অতনুকুমার মণ্ডলকে বারবার ফোন করা হলেও জবাব মেলেনি। মেসেজেরও জবাব দেননি।
Advertisement
গত ১০ জানুয়ারি, শুক্রবার মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান কেশবচন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব পাশ হয়। এ নিয়ে টানাপোড়েন শেষে পুর চেয়ারম্যান পদে বসানো হয় প্রভাত পাটনিকে। তিনি মেখলিগঞ্জ শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার। এদিন বেলা ১২টা নাগাদ পুরভবনে আসেন কাউন্সিলাররা। সেখানে চেয়ারম্যান হিসেবে প্রভাত পাটনির নাম
প্রস্তাব করেন তৃণমূলের এক কাউন্সিলার। ভাইস চেয়ারম্যান দেবাশিস বর্ধন চৌধুরী সহ বাকিরা সেই প্রস্তাবকে সমর্থন করেন। বোর্ড গঠনের সময় সেখানে পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার সিদ্ধার্থ চৌধুরী সহ অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু মহকুমা শাসক কিংবা প্রশাসনের কোনও আধিকারিক ছিলেন না।
‘বিদায়ী’ চেয়ারম্যান কেশবচন্দ্র দাস অনাস্থাকে বেআইনি আখ্যা দিয়ে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন। এদিন তাঁর চেয়ারে নতুন চেয়ারম্যান বসানোর ঘটনা শুনে তিনি বলেন, পুরসভায় এদিন যা হয়েছে সবই শুনেছি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। তাই এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন চেয়ারম্যান বলেন, দীর্ঘদিনের একটা টানাপোড়েন শেষ হল। নাগরিকরা যাতে সঠিকভাবে পুর পরিষেবা পান, সেদিকে নজর থাকবে। তৃণমূল কংগ্রেসের মেখলিগঞ্জ শহর কমিটির সভাপতি বিষ্ণুপদ ঘোষ বলেন, কি হয়েছে সবটাই পরিষ্কার। এখানে মন্তব্যের কোনও জায়গা নেই।
প্রস্তাব করেন তৃণমূলের এক কাউন্সিলার। ভাইস চেয়ারম্যান দেবাশিস বর্ধন চৌধুরী সহ বাকিরা সেই প্রস্তাবকে সমর্থন করেন। বোর্ড গঠনের সময় সেখানে পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার সিদ্ধার্থ চৌধুরী সহ অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু মহকুমা শাসক কিংবা প্রশাসনের কোনও আধিকারিক ছিলেন না।
‘বিদায়ী’ চেয়ারম্যান কেশবচন্দ্র দাস অনাস্থাকে বেআইনি আখ্যা দিয়ে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন। এদিন তাঁর চেয়ারে নতুন চেয়ারম্যান বসানোর ঘটনা শুনে তিনি বলেন, পুরসভায় এদিন যা হয়েছে সবই শুনেছি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। তাই এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন চেয়ারম্যান বলেন, দীর্ঘদিনের একটা টানাপোড়েন শেষ হল। নাগরিকরা যাতে সঠিকভাবে পুর পরিষেবা পান, সেদিকে নজর থাকবে। তৃণমূল কংগ্রেসের মেখলিগঞ্জ শহর কমিটির সভাপতি বিষ্ণুপদ ঘোষ বলেন, কি হয়েছে সবটাই পরিষ্কার। এখানে মন্তব্যের কোনও জায়গা নেই।



