নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: অদ্ভূত দশা! শিলিগুড়ি মহকুমা কৃষিদপ্তরের কর্তা দুই। তাঁরা আবার দুই জেলার ডেপুটি ডিরেক্টর। একজন দার্জিলিং, আর একজন জলপাইগুড়ির। এর জেরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে দপ্তরের অফিসার ও কর্মীদের একাংশ রীতিমতো ক্ষুব্ধ। এমন সমস্যা মেটাতে আসরে নেমেছে দার্জিলিং জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে তারা সংশ্লিষ্ট অফিসে ডেপুটি ডিরেক্টরের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়েছে।
Advertisement
শিলিগুড়ি শহরের কলেজ পাড়ায় মহকুমা কৃষিদপ্তরের অফিস। দার্জিলিং জেলার অধীনে হলেও সংশ্লিষ্ট অফিসের দায়িত্বে দু’জন ডেপুটি ডিরেক্টর। প্রশাসন সূত্রের খবর, দার্জিলিং জেলা কৃষিদপ্তরের অফিস পাহাড়ে, গোর্খা টেরিটরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (জিটিএ) এলাকায়। বাংলা শস্য বিমা স্কিম সহ দু’টি প্রকল্প দার্জিলিং থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সেখান থেকে বরাদ্দ অর্থ অনেক সময় নির্দিষ্ট সময়ে মেলে না বলে অভিযোগ। আবার কৃষকদের চাষের সরঞ্জাম সরবরাহ প্রকল্প, জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্প, কৃষকবন্ধু প্রকল্পের মৃত্যুজনিত সহায়তা প্রভৃতি সাতটি প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ হয় জলপাইগুড়ি থেকে। এরজেরে সংশ্লিষ্ট মহকুমা দপ্তরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ।
সংশ্লিষ্ট মহকুমা অফিসের আধিকারিক ও কর্মীদের একাংশ বলেন, কৃষিদপ্তরের কাজকর্মের জন্য দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলার দপ্তরের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয়। এখান থেকে সংশ্লিষ্ট দু’টি অফিসে ফাইল চালাচালি করতে হয়। ফলে, স্থানীয় কৃষকদের অনেক প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা সময় মতো প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই দপ্তরের কাজকর্ম একটি জায়গা থেকে হলেই ভালো হয়। মহকুমার সহকারী কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) অনুপম তরফদার বলেন, শুধুমাত্র আত্মা প্রকল্প এখান থেকে তদারকি করা হয়। বাকি অন্যান্য প্রকল্পের কাজকর্ম সংশ্লিষ্ট দুই জেলা অফিস থেকে হয়। এই সমস্যা দূর করার দাবি বহুদিনের।
রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মহকুমাগুলির মধ্যে শিলিগুড়ি অন্যতম। মহকুমার মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ও ফাঁসিদেওয়া এই চারটি ব্লকে চাষের জমির পরিমাণ ২১ হাজার হেক্টর। তাতে ধান সহ বিভিন্ন ধরনের সব্জি চাষ হয়। এর সঙ্গে জড়িত ২২ হাজার ৫০০ পরিবার। এই অবস্থায় মহকুমা কৃষিদপ্তরকে আরও চাঙ্গা করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। ইতিমধ্যে তারা মহকুমা কৃষিদপ্তরের অফিসে ডেপুটি ডিরেক্টরের (প্রশাসন) পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে। দু’মাস আগে এব্যাপারে রাজ্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসন। মহকুমার সহকারী কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) বলেন, প্রশাসনিক ভাবে মহকুমা অফিসকে স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য এখানে ডেপুটি ডিরেক্টরের পদ সৃষ্টি করার প্রস্তাব রাজ্য কৃষিদপ্তরে পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসন।
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে মহকুমায় বেশকিছু দপ্তরে স্ট্যাটাস জেলা কার্যালয়ের সমতুল্য। যার মধ্যে প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর অন্যতম। এখানেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ডিরেক্টরের অফিস। খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের জেলা নিয়ামকও নিয়মিত বসেন শিলিগুড়িতে। সেই ধরনের স্ট্যাটাস চাইছে মহকুমা কৃষিদপ্তর।
সংশ্লিষ্ট মহকুমা অফিসের আধিকারিক ও কর্মীদের একাংশ বলেন, কৃষিদপ্তরের কাজকর্মের জন্য দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি জেলার দপ্তরের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয়। এখান থেকে সংশ্লিষ্ট দু’টি অফিসে ফাইল চালাচালি করতে হয়। ফলে, স্থানীয় কৃষকদের অনেক প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা সময় মতো প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই দপ্তরের কাজকর্ম একটি জায়গা থেকে হলেই ভালো হয়। মহকুমার সহকারী কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) অনুপম তরফদার বলেন, শুধুমাত্র আত্মা প্রকল্প এখান থেকে তদারকি করা হয়। বাকি অন্যান্য প্রকল্পের কাজকর্ম সংশ্লিষ্ট দুই জেলা অফিস থেকে হয়। এই সমস্যা দূর করার দাবি বহুদিনের।
রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মহকুমাগুলির মধ্যে শিলিগুড়ি অন্যতম। মহকুমার মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, খড়িবাড়ি ও ফাঁসিদেওয়া এই চারটি ব্লকে চাষের জমির পরিমাণ ২১ হাজার হেক্টর। তাতে ধান সহ বিভিন্ন ধরনের সব্জি চাষ হয়। এর সঙ্গে জড়িত ২২ হাজার ৫০০ পরিবার। এই অবস্থায় মহকুমা কৃষিদপ্তরকে আরও চাঙ্গা করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। ইতিমধ্যে তারা মহকুমা কৃষিদপ্তরের অফিসে ডেপুটি ডিরেক্টরের (প্রশাসন) পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে। দু’মাস আগে এব্যাপারে রাজ্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসন। মহকুমার সহকারী কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) বলেন, প্রশাসনিক ভাবে মহকুমা অফিসকে স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য এখানে ডেপুটি ডিরেক্টরের পদ সৃষ্টি করার প্রস্তাব রাজ্য কৃষিদপ্তরে পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসন।
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে মহকুমায় বেশকিছু দপ্তরে স্ট্যাটাস জেলা কার্যালয়ের সমতুল্য। যার মধ্যে প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর অন্যতম। এখানেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ডিরেক্টরের অফিস। খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের জেলা নিয়ামকও নিয়মিত বসেন শিলিগুড়িতে। সেই ধরনের স্ট্যাটাস চাইছে মহকুমা কৃষিদপ্তর।



