সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালের পুরুষ এবং মহিলা ওয়ার্ডের বেহাল অবস্থা। ওই অংশের বারান্দা সহ একাধিক জায়গায় চাঙড় খসে পড়ছে। এতে চরম আতঙ্কে রোগী সহ পরিজন এবং নার্সরা। দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চলছিল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইন্ডোর সহ আউটডোরেও একই সমস্যা ছিল। সেই আউটডোর সংস্কার শেষ পর্যায়ে। ইন্ডোর সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। সংস্কারে বরাদ্দ হয়েছে ৮৯ লক্ষ টাকা। হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ এই অংশের কাজ শুরু হওয়ায় খুশি কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
এ ব্যাপারে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডাঃ মাসুদ হাসান বলেন, হাসপাতালের বেহাল অংশগুলি শনাক্ত করে আগেই আমরা সংস্কারের জন্য আবেদন করেছিলাম। বরাদ্দ না মেলায় কাজ হচ্ছিল না। সম্প্রতি ৮৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ইন্ডোর অংশের কাজ শুরু হয়েছে। আউটডোরের কাজ শেষ পর্যায়ে। এতদিন আমরাও চরম আতঙ্কে ছিলাম। দুর্ঘটনা হলে দায় আমাদের উপরেই পড়ত।
বাম আমলে হাসপাতালের মূল ভবনের কাজ হয়েছিল। পরবর্তীতে হাসপাতালের বিল্ডিংয়ের একটি অংশ সম্প্রসারিত হয়েছে। বর্তমানে সেই অংশে শিশু বিভাগ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরনো ভবনে পুরুষ, মহিলা ও মাতৃ বিভাগ রয়েছে। পুরনো বিল্ডিংয়ের বারান্দা সহ ভিতরের একাধিক জায়গার পলেস্তারা খসছে। কিছু অংশের বড় বড় চাঙড় খসে পড়েছে। বিপজ্জনকভাবে কয়েকটি জায়গা থেকে চাঙড় খসে পড়ায় লোহার রড বেড়িয়ে রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বড় বড় চাঙড় কয়েকদিনই খসে পড়ছিল। তবে কেউ জখম হননি।
পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী শিবশঙ্কর দাসের ভাই শুভঙ্কর দাস বলেন, তিন দিন ধরে দাদা ভর্তির পর ছুটি হয়েছে। বারান্দায় হাঁটতে গিয়ে ভয় লাগে। যদি মাথায় চাঙড খসে পড়ে। ওয়ার্ডের কয়েকটি জায়গাও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। সংস্কারের কাজ আরও অনেক আগে করা উচিত ছিল
বাম আমলে হাসপাতালের মূল ভবনের কাজ হয়েছিল। পরবর্তীতে হাসপাতালের বিল্ডিংয়ের একটি অংশ সম্প্রসারিত হয়েছে। বর্তমানে সেই অংশে শিশু বিভাগ নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুরনো ভবনে পুরুষ, মহিলা ও মাতৃ বিভাগ রয়েছে। পুরনো বিল্ডিংয়ের বারান্দা সহ ভিতরের একাধিক জায়গার পলেস্তারা খসছে। কিছু অংশের বড় বড় চাঙড় খসে পড়েছে। বিপজ্জনকভাবে কয়েকটি জায়গা থেকে চাঙড় খসে পড়ায় লোহার রড বেড়িয়ে রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বড় বড় চাঙড় কয়েকদিনই খসে পড়ছিল। তবে কেউ জখম হননি।
পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী শিবশঙ্কর দাসের ভাই শুভঙ্কর দাস বলেন, তিন দিন ধরে দাদা ভর্তির পর ছুটি হয়েছে। বারান্দায় হাঁটতে গিয়ে ভয় লাগে। যদি মাথায় চাঙড খসে পড়ে। ওয়ার্ডের কয়েকটি জায়গাও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। সংস্কারের কাজ আরও অনেক আগে করা উচিত ছিল



