সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ডিজিটাল এক্স-রে পরিষেবার উদ্বোধন হল। শনিবার এটির উদ্বোধন হলেও স্থানীয় বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারীর প্রয়াত পুত্র ডাঃ হীরকজ্যোতি অধিকারীর জন্মদিনে সোমবার থেকে পরিষেবা চালু হবে। কারণ, এক্ষেত্রে হীরকবাবুরও যথেষ্ট অবদান রয়েছে বলে অনেকে জানান। বিধায়ক পরেশবাবু পরিষেবার উদ্বোধন করেন। তাঁর সঙ্গে মহকুমা শাসক অতনুকুমার মণ্ডল, মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনী, কাউন্সিলার বাবলু বর্মন, কৃষ্ণা বর্মন, হাসপাতাল সুপার ডাঃ তাপস দাস হাজির ছিলেন।
Advertisement
এদিন অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, এই বিষয়ে প্রথম উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিধায়কের প্রয়াত পুত্র। এই পরিষেবা চালুর জন্য বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়েছে। বিধায়ক বলেন, এটি চালু হওয়ায় অনেক মানুষ উপকৃত হবেন। এই নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাসপাতাল সুপার এবং পুর চেয়ারম্যান। বিষয়টি নিয়ে খুশি সাধারণ মানুষও। তাঁদের কথায়, এতদিন এই পরিষেবা চালু না থাকায় বেসরকারি ল্যাব থেকে টাকা খরচ করে এক্স-রে করতে হচ্ছে। এই সুযোগে বেসরকারি ডায়াগনেষ্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিরা হাসপাতালে এসে রোগী ধরছে।
এই হাসপাতালে এতদিন ভরসা ছিল ম্যানুয়াল এক্স-রে মেশিন। যার ফলে বেশিরভাগ রোগীকেই হাড়ের চিকিৎসা করাতে দু’বার এক্স-রে করতে হয়। একবার হাসপাতালে এক্স-রে করার পর সেই এক্স-রে প্লেট দেখে সঠিক সমস্যা বোঝা সম্ভব হয় না অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞের। যার ফলে ফের আরেকবার বেসরকারি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে গিয়ে ডিজিটাল এক্স-রে করাতে হয় রোগীদের। সোমবার থেকে এইসব সমস্যা মিটতে চলেছে বলে হাসপাতাল সূত্রের খবর।
এই হাসপাতালে এতদিন ভরসা ছিল ম্যানুয়াল এক্স-রে মেশিন। যার ফলে বেশিরভাগ রোগীকেই হাড়ের চিকিৎসা করাতে দু’বার এক্স-রে করতে হয়। একবার হাসপাতালে এক্স-রে করার পর সেই এক্স-রে প্লেট দেখে সঠিক সমস্যা বোঝা সম্ভব হয় না অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞের। যার ফলে ফের আরেকবার বেসরকারি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে গিয়ে ডিজিটাল এক্স-রে করাতে হয় রোগীদের। সোমবার থেকে এইসব সমস্যা মিটতে চলেছে বলে হাসপাতাল সূত্রের খবর।



