নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পুত্রবধূ দল ছাড়ার মুহূর্তে অপহৃত হলেন শ্বশুর! সোমবার ভরদুপুরে ভগবানপুর-২ ব্লকের মুগবেড়িয়ায় ওই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। এদিন মুগবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির দুই সদস্য কাকলি বেরা ও জয়দেব বেরা তৃণমূলের পতাকা তুলে নেন। অভিযোগ, কাকলিকে আটকাতে তাঁর শ্বশুর শশাঙ্ক বেরাকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে বিজেপির লোকজন। খবর পেয়ে ভূপতিনগর থানার পুলিস ওই প্রৌঢ়ের সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় হানা দেয়। পুলিস তৎপর হতেই শশাঙ্কবাবুকে বাড়ির অদূরে ছেড়ে যায় বিজেপির লোকজন। তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক কার্যালয়ে বিজেপি ছেড়ে শাসক দলের পতাকা হাতে নেওয়ার পর কাকলি বেরা সোজা থানায় গিয়ে কৃতজ্ঞতা জানান পুলিসকে। পুলিস সময়মতো সক্রিয় না হলে কোনও অঘটন ঘটে যেতে পারত বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
Advertisement
২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মুগবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে ১১-১০মার্জিনে জিতে বোর্ড গঠন করে বিজেপি। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের ভগবানপুর-২বিডিও অফিস, থানা, কলেজ, হাসপাতাল সহ গুরুত্বপূর্ণ সব প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। সোমবার জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক এবং পূর্ত ও পরিবহণ কর্মাধ্যক্ষ মানব পড়ুয়ার উপস্থিতিতে দু’জন বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন। রঘুনাথচক বুথের বিজেপির সদস্য কাকলি বেরা ও খানজাদাপুর বুথের বিজেপির নির্বাচিত সদস্য জয়দেব বেরা এদিন তৃণমূলে যোগ দেন। ভগবানপুর-২ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে এই দলবদল উপলক্ষ্যে গোটা ব্লকের তৃণমূল নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। ওই দু’জন সদস্য দল ছাড়ায় ওই পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা খোয়ানোর পথে বিজেপি। সেই আনন্দে দলবদলের পর সবুজ আবির নিয়ে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা বিজয়োল্লাসে মাতেন। বিজেপি ছেড়ে আসা দুই পঞ্চায়েত সদস্যকে নিয়ে মিছিলও করে তৃণমূল।
ভগবানপুর-২ ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে কাকলি বেরা ও জয়দেব বেরাকে নিয়ে দৃশ্যত বিজয় উৎসবে মাতেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। সেই মুহূর্তে জানা যায়, কাকলি বেরার শ্বশুর শশাঙ্ক বেরাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে বিজেপির লোকজন। কাকলির সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী অমল বেরা। ওই খবর ব্লক তৃণমূল পার্টি অফিসে আসতেই সস্ত্রীক অমল বেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তৃণমূল নেতৃত্ব গোটা বিষয়টি থানায় জানিয়ে পুলিসকে দ্রুত হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানান। ওই খবর পেয়ে ভূপতিনগর থানা ওই প্রৌঢ়ের খোঁজে বেরিয়ে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু হতেই এক বিজেপি নেতা তাঁকে বাইকে এনে বাড়ির সামনে নামিয়ে দিয়ে যান। পুলিস শশাঙ্কবাবুর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে আশ্বস্ত করেন। দলবদল করা দুই পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের সমন্বয় থাকলে এলাকার উন্নয়নে গতি আসে। জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূল রয়েছে। রাজ্যেও ক্ষমতায় তৃণমূল। কিন্তু, পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে থাকায় উন্নয়নের কাজে সমস্যা হচ্ছিল। এলাকায় উন্নয়নের জোর আনার লক্ষ্যে আমরা দলবদল করেছি। এদিনের ঘটনায় দলীয় নেতৃত্বকে ঠেস দিয়ে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য প্রশান্ত পণ্ডা বলেন, প্রকৃত কার্যকর্তাদের টিকিট না দিয়ে আয়ারাম গয়ারামকে টিকিট দিলে যা হওয়ার তাই হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মানব পড়ুয়া বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে আস্থা রেখে মুগবেড়িয়ার দু’জন বিজেপির সদস্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ২০২১ সালে সন্ত্রাসকে হাতিয়ার করে এই বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি জিতলেও মানুষের সমর্থন আদায় করতে পারেনি। সেজন্যই ওদের জেতা পঞ্চায়েত থেকে দুই সদস্য এদিন দল ছাড়লেন। আগামী দিন আমরা মুগবেড়িয়া পঞ্চায়েত দখলের পথে এগিয়ে থাকলাম। ভগবানপুরের বিধায়ক বিজেপির রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, তৃণমূল ভয় দেখিয়ে এবং প্রশাসনকে ব্যবহার করে আমাদের দু’জন সদস্যকে দল ছাড়তে বাধ্য করিয়েছে।
ভগবানপুর-২ ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে কাকলি বেরা ও জয়দেব বেরাকে নিয়ে দৃশ্যত বিজয় উৎসবে মাতেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। সেই মুহূর্তে জানা যায়, কাকলি বেরার শ্বশুর শশাঙ্ক বেরাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে বিজেপির লোকজন। কাকলির সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী অমল বেরা। ওই খবর ব্লক তৃণমূল পার্টি অফিসে আসতেই সস্ত্রীক অমল বেরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তৃণমূল নেতৃত্ব গোটা বিষয়টি থানায় জানিয়ে পুলিসকে দ্রুত হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানান। ওই খবর পেয়ে ভূপতিনগর থানা ওই প্রৌঢ়ের খোঁজে বেরিয়ে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু হতেই এক বিজেপি নেতা তাঁকে বাইকে এনে বাড়ির সামনে নামিয়ে দিয়ে যান। পুলিস শশাঙ্কবাবুর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে আশ্বস্ত করেন। দলবদল করা দুই পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের সমন্বয় থাকলে এলাকার উন্নয়নে গতি আসে। জেলা পরিষদ এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূল রয়েছে। রাজ্যেও ক্ষমতায় তৃণমূল। কিন্তু, পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে থাকায় উন্নয়নের কাজে সমস্যা হচ্ছিল। এলাকায় উন্নয়নের জোর আনার লক্ষ্যে আমরা দলবদল করেছি। এদিনের ঘটনায় দলীয় নেতৃত্বকে ঠেস দিয়ে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য প্রশান্ত পণ্ডা বলেন, প্রকৃত কার্যকর্তাদের টিকিট না দিয়ে আয়ারাম গয়ারামকে টিকিট দিলে যা হওয়ার তাই হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মানব পড়ুয়া বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে আস্থা রেখে মুগবেড়িয়ার দু’জন বিজেপির সদস্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ২০২১ সালে সন্ত্রাসকে হাতিয়ার করে এই বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি জিতলেও মানুষের সমর্থন আদায় করতে পারেনি। সেজন্যই ওদের জেতা পঞ্চায়েত থেকে দুই সদস্য এদিন দল ছাড়লেন। আগামী দিন আমরা মুগবেড়িয়া পঞ্চায়েত দখলের পথে এগিয়ে থাকলাম। ভগবানপুরের বিধায়ক বিজেপির রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, তৃণমূল ভয় দেখিয়ে এবং প্রশাসনকে ব্যবহার করে আমাদের দু’জন সদস্যকে দল ছাড়তে বাধ্য করিয়েছে।



