নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: জোর কদমে চলছে মেগা জল প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ। এবার প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণ কাজের সূচনা হবে। মঙ্গলবার শিলিগুড়ি পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা জানান মেয়র গৌতম দেব। অন্যদিকে, শহরে বামফ্রন্ট জমানায় বসানো পানীয় জলের পাইপ লাইনের পূর্ণাঙ্গ ‘ম্যাপ’ অমিল। যারজন্য শহরে পাইপ বসাতে নতুন করে সমীক্ষা করা হবে। এজন্য একটি সংস্থা নিয়োগ করেছে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। আগামী সপ্তাহ থেকে ওই সংস্থা সমীক্ষায় নামবে বলে খবর।
Advertisement
পুরসভার ক্ষমতা দখলের পরই শহরের পানীয় জলের সঙ্কট মেটাতে উদ্যোগী হয় তৃণমূল কংগ্রেস। তারা এজন্য ৫১১ কোটি টাকায় শহরে নতুন জল প্রকল্প তৈরির পরিকল্পনা নেয়। কেন্দ্রীয় প্রকল্প আম্রুত-২’র অধীনে জল প্রকল্প দু’টি পর্যায়ে রূপায়িত করা হচ্ছে। প্রায় সাত মাস আগে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজে হাত দেওয়া হয়েছে। এবার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ করা হবে। এদিন প্রশাসনিক বৈঠকের পর মেয়র বলেন, পানীয় জল প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণ কাজ নিয়ে কয়েক মাস আগে টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। ইতিমধ্যে ঠিকাদার সংস্থাকে সেই কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই নির্মাণ কাজে হাত দেওয়া হবে। এজন্য চিফ ইঞ্জিনিয়ারের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও হয়েছে।
এদিন পুরসভার বৈঠকে মেয়র ছাড়াও ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার, জল সরবরাহ বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য দুলাল দত্ত সহ জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা ছিলেন। পুরসভা সূত্রের খবর, প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ফুলবাড়িতে আরএকটি ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, জল ধরে রাখার পন্ড, পাম্প হাউস, ১৩টি ওভারহেড রিজার্ভার প্রভৃতি নির্মাণ করা হবে। এক্ষেত্রে খরচ হবে প্রায় ৩০৭ কোটি টাকা। বর্তমানে শহরে ওভারহেড রিজার্ভার ১৫টি। নতুন রিজার্ভার তৈরির পর সেই সংখ্যা দাঁড়াবে ২৮টি। মেয়র বলেন, নতুন বছরের শুরুতেই প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজে হাত দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলাম। সেই মতো এগচ্ছি।
এদিন বৈঠকে মেগা জল প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের নির্মাণ কাজের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। প্রথম পর্যায়ে গজলডোবায় তিস্তা নদীর পাড়ে ইনটেক ওয়েল, জেটি, পাম্প হাউস বানানো হচ্ছে। সেখান থেকে ফুলবাড়ি প্লান্ট পর্যন্ত নদীর পরিস্রুত জল নিয়ে যেতে পাইপ লাইন বসানোর কাজও প্রায় শেষ। পুরসভার আধিকারিকরা বলেন, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের নির্মাণ কাজ জোর কদমে চলছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করছি। এই পর্বে খরচ হবে প্রায় ২০৪ কোটি টাকা।
শহরে পানীয় জলের লাইন বামফ্রন্ট জমানায় পাতা হয়। সেই লাইনের নকশা সংক্রান্ত তথ্য পিএইচই দিতে পারছে না। মেয়র বলেন, ১৯৯৪ সালে শহরে পাইপ বসানো হয়। সেই লাইন সংক্রান্ত তথ্য এখন মিলছে না। সেজন্য মেগা জল প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে শহরে বাড়ি বাড়ি জলের সংযোগ দিতে নতুন করে পাইপ বসাতে হবে। এজন্য রাজ্য সরকার একটি এজেন্সিকে নিয়োগ করেছে। আগামী সপ্তাহ থেকে সংশ্লিষ্ট সংস্থা শহরে সমীক্ষা শুরু করবে।
নিজস্ব চিত্র।
এদিন পুরসভার বৈঠকে মেয়র ছাড়াও ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার, জল সরবরাহ বিভাগের মেয়র পরিষদ সদস্য দুলাল দত্ত সহ জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা ছিলেন। পুরসভা সূত্রের খবর, প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ফুলবাড়িতে আরএকটি ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, জল ধরে রাখার পন্ড, পাম্প হাউস, ১৩টি ওভারহেড রিজার্ভার প্রভৃতি নির্মাণ করা হবে। এক্ষেত্রে খরচ হবে প্রায় ৩০৭ কোটি টাকা। বর্তমানে শহরে ওভারহেড রিজার্ভার ১৫টি। নতুন রিজার্ভার তৈরির পর সেই সংখ্যা দাঁড়াবে ২৮টি। মেয়র বলেন, নতুন বছরের শুরুতেই প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজে হাত দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলাম। সেই মতো এগচ্ছি।
এদিন বৈঠকে মেগা জল প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের নির্মাণ কাজের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। প্রথম পর্যায়ে গজলডোবায় তিস্তা নদীর পাড়ে ইনটেক ওয়েল, জেটি, পাম্প হাউস বানানো হচ্ছে। সেখান থেকে ফুলবাড়ি প্লান্ট পর্যন্ত নদীর পরিস্রুত জল নিয়ে যেতে পাইপ লাইন বসানোর কাজও প্রায় শেষ। পুরসভার আধিকারিকরা বলেন, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের নির্মাণ কাজ জোর কদমে চলছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করছি। এই পর্বে খরচ হবে প্রায় ২০৪ কোটি টাকা।
শহরে পানীয় জলের লাইন বামফ্রন্ট জমানায় পাতা হয়। সেই লাইনের নকশা সংক্রান্ত তথ্য পিএইচই দিতে পারছে না। মেয়র বলেন, ১৯৯৪ সালে শহরে পাইপ বসানো হয়। সেই লাইন সংক্রান্ত তথ্য এখন মিলছে না। সেজন্য মেগা জল প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায়ে শহরে বাড়ি বাড়ি জলের সংযোগ দিতে নতুন করে পাইপ বসাতে হবে। এজন্য রাজ্য সরকার একটি এজেন্সিকে নিয়োগ করেছে। আগামী সপ্তাহ থেকে সংশ্লিষ্ট সংস্থা শহরে সমীক্ষা শুরু করবে।
নিজস্ব চিত্র।



