ইন্তার মায়ামি-৩ : অরলান্ডো সিটি-১ (মেসি-২, তেলাস্কো) (পাসালিচ)
ইন্তার মায়ামি-৩ : অরলান্ডো সিটি-১ (মেসি-২, তেলাস্কো) (পাসালিচ)
ফ্লোরিডা: ৭৫ মিনিট পর্যন্ত এক গোলে পিছিয়ে ইন্তার মায়ামি। হারের হাতছানিতে শঙ্কায় অনুরাগীরাও। এমন সময়ে ত্রাতা হয়ে ডেভিড বেকহ্যামের দলকে রক্ষা করলেন লায়োনেল মেসি। জর্ডি আলবার ক্রসে আইয়েন্দের হেডের সময় তাঁকে বিপক্ষ ডিফেন্ডার ধাক্কা মারলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ৭৭ মিনিটে স্পটকিক থেকে লক্ষ্যভেদে ভুল হয়নি মেসির। এরপর নির্ধারিত সময়ের দু’মিনিট আগে ফের লক্ষ্যভেদ লিওর। আর সংযোজিত সময়ে প্রতিপক্ষের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন তেলাস্কো। সেই গোলেও অবদান রয়েছে আর্জেন্তাইন মহাতারকার। সবমিলিয়ে মেসি ম্যাজিকেই অরলান্ডো সিটিকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে পৌঁছল ইন্তার মায়ামি।
সদ্য চোট সারিয়ে ফিরেছেন লায়োনেল মেসি। সেমি-ফাইনাল শুরুর দিকে তাঁকে বিবর্ণই দেখাচ্ছিল। সেই সুযোগে প্রথমার্ধের সংযোজিত সময়ে অরলান্ডোকে এগিয়ে দেন মার্কো পাসালিচ। কিন্তু শেষদিকে মেসি চেনা ছন্দে ফিরতেই জারিজুরি শেষ অস্কার পারেজার দলের। ম্যাচের পর মেসি বলছিলেন, ‘সত্যি বলতে, গত ম্যাচেই কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছিলাম। তা সত্ত্বেও এই সেমি-ফাইনাল খেলতে চেয়েছিলাম। কারণ অরলান্ডো সিটি কঠিন প্রতিপক্ষ। গত দুই সাক্ষাতে ওরা আমাদের হারিয়েছিল। তবে ম্যাচের শুরুর দিকে ভয়ে ভয়েই খেলছিলাম। তবে পরের দিকে ছন্দ ফিরে পেয়েছি।’