নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মদ্যপ রুখতে এবার জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে ব্রেথ অ্যানালাইজার। বুধবার ৫টি মেশিন এসে পৌঁছেছে। কীভাবে ওই মেশিনের সাহায্যে পরীক্ষা করতে হবে, তা নিয়ে মেডিক্যালের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী ও কর্তব্যরত পুলিসকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। মেডিক্যালের সুপার ডাঃ কল্যাণ খাঁ বলেন, সুপার স্পেশালিটি ও জেলা সদর হাসপাতাল মেডিক্যালের দু’টি ইউনিটেই গেটে কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীদের হাতে ব্রেথ অ্যানালাইজার থাকবে। সন্দেহ হলেই তাঁকে পরীক্ষা করা হবে। ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তুলে দেওয়া হবে পুলিসের হাতে। মদ খেয়ে কেউ যাতে হাসপাতালে ঢুকতে না পারেন, সেজন্য এই ব্যবস্থা।
Advertisement
কয়েকদিন আগে জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে এসেছিলেন রাজ্যের সিকিউরিটি অডিট কমিটির সদস্যরা। নেতৃত্বে ছিলেন ওই কমিটির চেয়ারম্যান তথা অবসরপ্রাপ্ত পুলিসকর্তা সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ। মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বৈঠকের সময় মহিলা চিকিৎসক ও নার্সদের তরফে মদ খেয়ে হাসপাতালে ঢুকে ঝামেলা পাকানোর বিষয়টি তোলা হয়। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের প্রসূতি বিভাগে রাতের দিকে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি হয় বলে অভিযোগ করেন চিকিৎসক ও নার্সরা।
মহিলা চিকিৎসক ও নার্সদের অভিযোগ, রাতের দিকে অনেকে মদ খেয়ে এসে ওয়ার্ডে ঢোকার জন্য জোর করেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, রাতের দিকে কোনও রোগী এলেন হাসপাতালে। তাঁর সঙ্গে যারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ নেশা করে রয়েছেন। ফলে অনেক সময় তাঁরা চিকিৎসকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। কিংবা চিৎকার, চেঁচামেচি করায় হাসপাতালের পরিবেশ নষ্ট হয় তাদের জন্য। ব্রেথ অ্যানালাইজার মেশিনের সাহায্যে তারা সত্যিই মদ খেয়ে রয়েছেন কি না, সেটা প্রমাণ করতে পারলে পুলিস দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে। চিকিৎসকদের ওই বক্তব্যের পরই মেডিক্যাল কলেজে ব্রেথ অ্যানালাইজার মেশিন এল।
মহিলা চিকিৎসক ও নার্সদের অভিযোগ, রাতের দিকে অনেকে মদ খেয়ে এসে ওয়ার্ডে ঢোকার জন্য জোর করেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, রাতের দিকে কোনও রোগী এলেন হাসপাতালে। তাঁর সঙ্গে যারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ নেশা করে রয়েছেন। ফলে অনেক সময় তাঁরা চিকিৎসকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। কিংবা চিৎকার, চেঁচামেচি করায় হাসপাতালের পরিবেশ নষ্ট হয় তাদের জন্য। ব্রেথ অ্যানালাইজার মেশিনের সাহায্যে তারা সত্যিই মদ খেয়ে রয়েছেন কি না, সেটা প্রমাণ করতে পারলে পুলিস দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে। চিকিৎসকদের ওই বক্তব্যের পরই মেডিক্যাল কলেজে ব্রেথ অ্যানালাইজার মেশিন এল।



