সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদহের রতুয়া-১ ব্লকের রতুয়া শিক্ষাচক্রের রাজ্য সরকার পোষিত কারবনা কাঞ্চননগর হাই মাদ্রাসায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে কোনও স্থায়ী শিক্ষক নেই। এভাবেই উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পঠনপাঠন চলছে। পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত এই মাদ্রাসায় পড়ুয়া ২১৩৮ জন। এর মধ্যে একাদশে ১৫২ এবং দ্বাদশে ১২২ জন পড়ুয়া রয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক সহ স্থায়ী শিক্ষক মাত্র ১৩ জন।
Advertisement
১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসায় উচ্চ মাধ্যমিকে কলা বিভাগে ইতিহাস, ভূগোল, এডুকেশন, দর্শন, আরবি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়ান হয়। কিন্তু, এই স্তরের কোনও বিষয়েই স্থায়ী শিক্ষক নেই। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পঠনপাঠনের জন্য চার জন চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে আট জন সহ মোট ৪১ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এরমধ্যে ১১ জন শিক্ষক, একজন শিক্ষাকর্মীর শূন্যপদ অনুমোদন হয়ে আছে। ৩০টি শিক্ষক শূন্যপদের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
শিক্ষকের অভাবের পাশাপাশি মাদ্রাসাটির নিজস্ব খেলার মাঠ নেই। মাদ্রাসা ভবনের সংস্কার ও পরিস্রুত পানীয় জলের প্রয়োজনও রয়েছে। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মহম্মদ এনামুল হক বলেন, স্থায়ী শিক্ষক ছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পঠনপাঠন চালাতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে আট জন শিক্ষক সহ অন্যান্য শূন্যপদ পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগ খোলা সহ একটি গ্রন্থাগার তৈরির দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এবিষয়ে মালদহ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস বলেন, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করলেই শূন্যপদ পূরণ হবে। অন্যান্য পরিকাঠামোগত সমস্যা খতিয়ে দেখা হবে।
শিক্ষকের অভাবের পাশাপাশি মাদ্রাসাটির নিজস্ব খেলার মাঠ নেই। মাদ্রাসা ভবনের সংস্কার ও পরিস্রুত পানীয় জলের প্রয়োজনও রয়েছে। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মহম্মদ এনামুল হক বলেন, স্থায়ী শিক্ষক ছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পঠনপাঠন চালাতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে আট জন শিক্ষক সহ অন্যান্য শূন্যপদ পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগ খোলা সহ একটি গ্রন্থাগার তৈরির দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এবিষয়ে মালদহ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস বলেন, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করলেই শূন্যপদ পূরণ হবে। অন্যান্য পরিকাঠামোগত সমস্যা খতিয়ে দেখা হবে।



