নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মাদারিহাট বিধানসভা উপ নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে বিজেপির অন্দরে থাকা ‘ক্ষোভের বিষফোঁড়া’কে ফাটিয়ে দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বারলা। দলের সামগ্রিক কার্যকলাপ নিয়ে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য, ‘এখানে যাঁরা দলের দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে কাজ করা যায় না। কলকাতার নেতারাও নিজেদের মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। আমাদের পাত্তা দেওয়া হয় না।’ ঘটনাচক্রে বারলা যখন এই মন্তব্য করছেন, তার কয়েক ঘণ্টা আগে জলপাইগুড়ির জেলার দুই তৃণমূল নেতার সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছেন তিনি। যারপর থেকেই রাজনীতির কারবারিদের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে, এবার কি তৃণমূলের পতাকা হাতে নিতে চলেছেন বারলা? গত ২০ অক্টোবর তৃণমূলের যোগ দিয়েছেন জন বারলার বোন মেরিনা কুজুর। আর মঙ্গলবার প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বিদ্রেহী ভূমিকায়। নাম না করে কড়া ভাষায় আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে আক্রমণ করলেন বারলা। তাঁর তোপ, আলিপুরদুয়ারে দল পরিচালিত হচ্ছে ‘ওয়ান ম্যান আর্মি’র কথায়।
Advertisement
সোমবার রাতে বানারহাটের লক্ষ্মীপাড়া চা বাগানে বারলার বাড়িতে যান তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলার মুখপাত্র দুলাল দেবনাথ ও দলের রাজ্য সম্পাদক দীপেন প্রামাণিক। তাঁদের সঙ্গে বারলার প্রায় ঘণ্টা তিনেক রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়। এরপরই জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে, তাহলে কি বিজেপি ছাড়তে চলেছেন বারলা? যোগ দিতে পারেন তৃণমূলে? যদিও তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন বারলা। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। কিছু কথা হয়েছে। সময় হলেই জানা যাবে।’ তৃণমূল সূত্রে খবর, বারলা যদি ইচ্ছুক থাকেন, তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্মতি নিয়েই দলে যোগদান করানো হবে।
তবে ‘বেফাঁস’ বারলার বিরুদ্ধে পাল্টা তোপ দাগতে ছাড়েননি আলিপুরদুয়ারের বর্তমান বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা। তিনি বলেন, ‘জন বারলাকে দল যথেষ্ট সম্মান দিয়েছে। তাঁকে সাংসদ, মন্ত্রী করা হয়েছে। এখন তিনি কী করছেন, তা দলের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানে। তারাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।’ মাদারিহাটে ভোটের প্রচারেও নামেননি বারলা। কিন্তু কেন? প্রশ্নের উত্তরে দলের বর্তমান সাংসদকে নিশানা করে তাঁর মন্তব্য, ‘চা বাগানের জন্য কী করছ, এই প্রশ্ন তো শ্রমিকরা করবেনই। মাদারিহাটে দু’টি চা বাগান বন্ধ রয়েছে। তখন কী জবাব দেব? সেজন্যই ভোটের প্রচারে যাচ্ছি না।’
বারলার আরও তোপ, ‘আমি অনেক কষ্ট করে চা বাগানে শ্রমিক সংগঠন গড়েছিলাম। সব ধ্বংস করে ফেলেছে। আমি যখন সাংসদ ছিলাম না, তখনও ২০ শতাংশ বোনাস পেয়েছেন চা শ্রমিকরা। তাহলে এবার ১৬ শতাংশ বোনাস হল কেন? কীসের সেটিং হল? মনোজের পাল্টা তোপ, ‘বারলা তো সাংসদ ছিলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন। এলাকার জন্য তিনি কী কাজ করেছেন, সেটা আগে বলুন।’
তবে ‘বেফাঁস’ বারলার বিরুদ্ধে পাল্টা তোপ দাগতে ছাড়েননি আলিপুরদুয়ারের বর্তমান বিজেপি সাংসদ মনোজ টিগ্গা। তিনি বলেন, ‘জন বারলাকে দল যথেষ্ট সম্মান দিয়েছে। তাঁকে সাংসদ, মন্ত্রী করা হয়েছে। এখন তিনি কী করছেন, তা দলের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানে। তারাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।’ মাদারিহাটে ভোটের প্রচারেও নামেননি বারলা। কিন্তু কেন? প্রশ্নের উত্তরে দলের বর্তমান সাংসদকে নিশানা করে তাঁর মন্তব্য, ‘চা বাগানের জন্য কী করছ, এই প্রশ্ন তো শ্রমিকরা করবেনই। মাদারিহাটে দু’টি চা বাগান বন্ধ রয়েছে। তখন কী জবাব দেব? সেজন্যই ভোটের প্রচারে যাচ্ছি না।’
বারলার আরও তোপ, ‘আমি অনেক কষ্ট করে চা বাগানে শ্রমিক সংগঠন গড়েছিলাম। সব ধ্বংস করে ফেলেছে। আমি যখন সাংসদ ছিলাম না, তখনও ২০ শতাংশ বোনাস পেয়েছেন চা শ্রমিকরা। তাহলে এবার ১৬ শতাংশ বোনাস হল কেন? কীসের সেটিং হল? মনোজের পাল্টা তোপ, ‘বারলা তো সাংসদ ছিলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন। এলাকার জন্য তিনি কী কাজ করেছেন, সেটা আগে বলুন।’



