সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: জলদাপাড়ার জঙ্গল ঘেরা মাদারিহাটের হাতি উপদ্রুত ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলিতে নজরদারির কাজে একজন নোডাল অফিসার রাখছে বনদপ্তর। প্রত্যেক ভোটকর্মীকে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের প্রতিটি রেঞ্জ ও বিট অফিসারদের ফোন নম্বরও দেবে বনদপ্তর। ইতিমধ্যেই জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ ব্লকের হাতি উপদ্রুত ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলির রুট চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু করে দিয়েছে।
Advertisement
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ডিএফও প্রবীণ কাসোয়ান বলেন, হাতি উপদ্রুত ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলিতে বনকর্মীদের নজরদারি ও পেট্রোলিং কাজের মনিটরিংয়ের জন্য একজন নোডাল অফিসার রাখা হচ্ছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ভোটকর্মীদের এসকর্ট করে কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে।
১৩ নভেম্বর মাদারিহাটে উপ নির্বাচন। চা বাগান ও জঙ্গলবেষ্টিত মাদারিহাট বিধানসভায় ২২৬টি বুথ। রাতে তো বটেই, দিনের বেলাতেও হাতি বের হয় মেঘনাথসাহা নগর, জামতলা, বল্লালগুড়ি, ছেকামারি, পূর্ব খয়েরবাড়ি, হাণ্টাপাড়া, পূর্ব মাদারিহাট, দক্ষিণ মাদারিহাট ও শিশুবাড়ি সহ আরও বহু এলাকায়। এই হাতি উপদ্রুত এলাকাগুলিতেই পড়েছে বেশিরভাগ ভোটগ্রহণ কেন্দ্র।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের সহকারী বন্যপ্রাণী সংরক্ষক নভজিৎ দে বলেন, ১২ তারিখ ভোটের সরঞ্জাম সহ কর্মীদের এসকর্ট করে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে। ১৩ তারিখ ভোট মিটলে ফের এসকর্ট করে কর্মীদের গাড়িগুলি নির্দিষ্ট রুটে জাতীয় সড়কে তুলে দেওয়া হবে।
১২ তারিখই ভোটকর্মীদের জাতীয় উদ্যানের প্রতিটি রেঞ্জ ও বিট অফিসারদের ফোন নম্বর দেওয়া হবে। বন্যজন্তুদের দেখতে পেলেই ভোটকর্মীরা যাতে দ্রুত রেঞ্জ বা বিট অফিসে ফোন করে তা জানাতে পারেন। এদিকে, হাতির হামলা নিয়ে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ এসএমএস অ্যালার্ট চালু করেছে। আশপাশের বনবস্তি বা চা বাগানে হাতি ঢোকার সম্ভাবনা থাকলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বনদপ্তর আগাম এসএমএস অ্যালার্ট পাঠাচ্ছে বাসিন্দাদের। ডিএফও বলেন, প্রতিদিন এধরনের দুই হাজার এসএমএস পাঠানো হচ্ছে। ১২ তারিখ থেকে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের এলাকাগুলিতে ঘুরবে বনকর্মীদের টহলদারি টিমও।
১৩ নভেম্বর মাদারিহাটে উপ নির্বাচন। চা বাগান ও জঙ্গলবেষ্টিত মাদারিহাট বিধানসভায় ২২৬টি বুথ। রাতে তো বটেই, দিনের বেলাতেও হাতি বের হয় মেঘনাথসাহা নগর, জামতলা, বল্লালগুড়ি, ছেকামারি, পূর্ব খয়েরবাড়ি, হাণ্টাপাড়া, পূর্ব মাদারিহাট, দক্ষিণ মাদারিহাট ও শিশুবাড়ি সহ আরও বহু এলাকায়। এই হাতি উপদ্রুত এলাকাগুলিতেই পড়েছে বেশিরভাগ ভোটগ্রহণ কেন্দ্র।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের সহকারী বন্যপ্রাণী সংরক্ষক নভজিৎ দে বলেন, ১২ তারিখ ভোটের সরঞ্জাম সহ কর্মীদের এসকর্ট করে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে। ১৩ তারিখ ভোট মিটলে ফের এসকর্ট করে কর্মীদের গাড়িগুলি নির্দিষ্ট রুটে জাতীয় সড়কে তুলে দেওয়া হবে।
১২ তারিখই ভোটকর্মীদের জাতীয় উদ্যানের প্রতিটি রেঞ্জ ও বিট অফিসারদের ফোন নম্বর দেওয়া হবে। বন্যজন্তুদের দেখতে পেলেই ভোটকর্মীরা যাতে দ্রুত রেঞ্জ বা বিট অফিসে ফোন করে তা জানাতে পারেন। এদিকে, হাতির হামলা নিয়ে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ এসএমএস অ্যালার্ট চালু করেছে। আশপাশের বনবস্তি বা চা বাগানে হাতি ঢোকার সম্ভাবনা থাকলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বনদপ্তর আগাম এসএমএস অ্যালার্ট পাঠাচ্ছে বাসিন্দাদের। ডিএফও বলেন, প্রতিদিন এধরনের দুই হাজার এসএমএস পাঠানো হচ্ছে। ১২ তারিখ থেকে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের এলাকাগুলিতে ঘুরবে বনকর্মীদের টহলদারি টিমও।



