সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: মাদারিহাট বিধানসভা উপ নির্বাচনে জেতার পর ছাব্বিশে তৃণমূলের পাখির চোখ জেলায় ৫-০ করা। আর সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে জোড়াফুল শিবির মাদারিহাটের জয়ের মডেলকেই হাতিয়ার করে এগচ্ছে।
Advertisement
মাদারিহাট চা বলয় এলাকা। নির্বাচনে চা বাগানের বুথে মাটি কামড়ে পড়ে থেকে ভোট করেছিল তৃণমূলের চা শ্রমিক সংগঠনের ইউনিট কমিটিগুলি। দলীয় নেতৃত্বের কড়া নির্দেশে কার্যত দেড় মাস ধরে বাগানের বুথ ছেড়ে নড়েনি বাগান ইউনিট কমিটির সদস্যরা। উপ নির্বাচনে হাতেনাতে তার ফলও পেয়েছে শাসকদল। তৃণমূলের এই কৌশলে চা বাগানগুলিতে বিজেপির ভোট ব্যাঙ্কে শোচনীয় ধস নেমেছে।
মাদারিহাটের চা বাগানগুলির ফলাফল থেকেই সেটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। এই বিধানসভা এলাকায় পড়েছে ২৪টি চা বাগান। মোট বুথের সংখ্যা ৯৯টি। ভোটের ফল বের হওয়ার পর দেখা যায় তৃণমূল একাই ৮১টি বুথে লিড নিয়েছে। বিজেপি লিড পেয়েছে সাকুল্যে মাত্র ১৮টি বুথে। বিশেষ করে উল্লেখ করতে হয় বন্ধ চারটি চা বাগানের ভোটের পরিসংখ্যানের কথা। চারটি বন্ধ বাগানে ১৯টি বুথ। তৃণমূল বন্ধ বাগানের ১৯টি বুথেই লিড নিয়েছে। এই জয়ে তৃণমূলের কান্ডারি ছিলেন দলের জেলা চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা ও জেলা সভাপতি রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশচিক বরাইক। জেলা তৃণমূলের দুই সেনাপতি গত দেড় মাস ধরে কার্যত মাদারিহাটের বাগানগুলিতে পড়েছিলেন।
গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, ছাব্বিশের ভোটে আমাদের পাখির চোখ জেলায় ৫-০ ফল করা। মাদারিহাট সহ জেলার পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রেই আমরা জিতব। আমরা কিন্তু সেভাবেই এগচ্ছি। দলের জেলা সভাপতি প্রকাশচিক বরাইক বলেন, বাগানের বুথ আঁকড়ে পড়ে থাকার রণকৌশলের এই মডেল আমরা ছাব্বিশের ভোটে কাজে লাগাব। সেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছে।
উপ নির্বাচনের আগে মাদারিহাটের ১২টি অঞ্চলে অবজার্ভার নিয়োগ করেছিল তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের অবজার্ভাররা অঞ্চল নেতৃত্ব ও প্রতিটি বুথের বুথ পদাধিকারীদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করেছিলেন।
মাদারিহাটের চা বাগানগুলির ফলাফল থেকেই সেটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। এই বিধানসভা এলাকায় পড়েছে ২৪টি চা বাগান। মোট বুথের সংখ্যা ৯৯টি। ভোটের ফল বের হওয়ার পর দেখা যায় তৃণমূল একাই ৮১টি বুথে লিড নিয়েছে। বিজেপি লিড পেয়েছে সাকুল্যে মাত্র ১৮টি বুথে। বিশেষ করে উল্লেখ করতে হয় বন্ধ চারটি চা বাগানের ভোটের পরিসংখ্যানের কথা। চারটি বন্ধ বাগানে ১৯টি বুথ। তৃণমূল বন্ধ বাগানের ১৯টি বুথেই লিড নিয়েছে। এই জয়ে তৃণমূলের কান্ডারি ছিলেন দলের জেলা চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা ও জেলা সভাপতি রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশচিক বরাইক। জেলা তৃণমূলের দুই সেনাপতি গত দেড় মাস ধরে কার্যত মাদারিহাটের বাগানগুলিতে পড়েছিলেন।
গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, ছাব্বিশের ভোটে আমাদের পাখির চোখ জেলায় ৫-০ ফল করা। মাদারিহাট সহ জেলার পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রেই আমরা জিতব। আমরা কিন্তু সেভাবেই এগচ্ছি। দলের জেলা সভাপতি প্রকাশচিক বরাইক বলেন, বাগানের বুথ আঁকড়ে পড়ে থাকার রণকৌশলের এই মডেল আমরা ছাব্বিশের ভোটে কাজে লাগাব। সেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছে।
উপ নির্বাচনের আগে মাদারিহাটের ১২টি অঞ্চলে অবজার্ভার নিয়োগ করেছিল তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের অবজার্ভাররা অঞ্চল নেতৃত্ব ও প্রতিটি বুথের বুথ পদাধিকারীদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করেছিলেন।



