রবীন রায়, আলিপুরদুয়ার: বিজেপির সাড়ে আট বছরের বঞ্চনার জবাব দিয়ে তৃণমূলের জয়প্রকাশ টোপ্পোকে বিধানসভায় পাঠিয়েছেন মাদারিহাটবাসী। রাজ্যে আগামী বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ সালে। সেই হিসেবে নতুন বিধায়ক হাতে পাবেন বড়জোর দেড় বছর। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে উন্নয়নে চোখ তাঁর। রয়েছে নানা পরিকল্পনা। কাজের তালিকা করে রেখেছেন তিনি। প্রতিশ্রুতি পূরণ করে মাদারিহাটের ঝাঁপি ভরিয়ে দিতে চান নব নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক। মাদারিহাট ব্লক সদরে একটি কলেজ, গয়েরকাটায় থানা এবং বিন্নাগুড়িতে গ্রামীণ হাসপাতাল তৈরিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন জয়প্রকাশ। বিধায়ক পদে শপথ নিয়ে এই তিনটি বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে দ্রুত কথা বলবেন তিনি।
Advertisement
মাদারিহাটে সাড়ে আট বছর বিধায়ক ছিলেন বিজেপির মনোজ টিগ্গা। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিজেপি বিধায়ক তাঁর বিধানসভা এলাকায় কোনও উন্নয়ন করে দেখাতে পারেননি বলে খোদ ভোটারদের একটা বড় অংশ অভিযোগ তুলেছে। মানুষের সেই ক্ষোভই উপ নির্বাচনের প্রচারেও আছড়ে পড়েছিল। এলাকায় উন্নয়নের প্রত্যাশায় দেড় বছরের জন্য হলেও উপ নির্বাচনে মাদারিহাটের মানুষ বদল চেয়েছিল।
মাদারিহাট বিধানসভার উপ নির্বাচনে তৃণমূল যে ইস্তেহার প্রকাশ করেছিল তাতে সাত-আটটি প্রতিশ্রুতি ছিল। তার মধ্যে গয়েরকাটায় থানা, বিন্নাগুড়িতে গ্রামীণ হাসপাতাল ও মাদারিহাট ব্লক সদরে একটি কলেজ তৈরির প্রতিশ্রুতি ছিল। সদ্য ভোটে জয়ী তৃণমূল বিধায়ক জয়প্রকাশ টোপ্পো মঙ্গলবার ‘বর্তমান’-কে বলেন, সাড়ে আট বছরে এখানকার বিজেপি বিধায়ক উন্নয়ন করতে পারেননি। তাই ছাব্বিশের ভোটের আগে দেড় বছরের জন্য হলেও এলাকার মানুষ বদল চেয়েছিলেন। উপ নির্বাচনে সেটাই হয়েছে। নতুন বিধায়ক বলেন, জানি, এলাকায় উন্নয়ন কাজের জন্য দেড় বছর খুব একটা বড় সময় নয়। কিন্তু আমরা ভোটে মানুষকে যে যে উন্নয়ন কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তার মধ্যে তিনটি কাজকে আমি সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিচ্ছি। তৃণমূলের এই তরুণ বিধায়ক বলেন, বিন্নাগুড়িতে গ্রামীণ হাসপাতাল, গয়েরকাটায় থানা ও মাদারিহাট শহরে কলেজ তৈরিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমার বিধায়ক সময়ের মেয়াদ এমনিতেই খুব কম। তাই বিধায়ক হিসাবে শপথ নেওয়ার পরেই রাজ্যের সঙ্গে এই কাজগুলির বাস্তবায়নে দ্রুত কথা বলার চেষ্টা করব।
রাজনৈতিক মহলেরও ধারণা, ছাব্বিশের ভোটের আগে রাজ্য সরকারও মানুষের দাবি মেনে মাদারিহাট বিধানসভা এলাকায় এই তিনটি উন্নয়ন কাজকে গুরুত্ব দিতে পারে। বিধায়ক হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাবে বর্তমান সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, বিরোধী দলের বিধায়ক হওয়ার জন্য আমি কোনও সহযোগিতা পাইনি। রাজ্য সরকার থেকে আমার প্রস্তাবগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হতো না। তাই ইচ্ছে থাকলেও কাজ করা সম্ভব হয়নি।
মাদারিহাট বিধানসভার উপ নির্বাচনে তৃণমূল যে ইস্তেহার প্রকাশ করেছিল তাতে সাত-আটটি প্রতিশ্রুতি ছিল। তার মধ্যে গয়েরকাটায় থানা, বিন্নাগুড়িতে গ্রামীণ হাসপাতাল ও মাদারিহাট ব্লক সদরে একটি কলেজ তৈরির প্রতিশ্রুতি ছিল। সদ্য ভোটে জয়ী তৃণমূল বিধায়ক জয়প্রকাশ টোপ্পো মঙ্গলবার ‘বর্তমান’-কে বলেন, সাড়ে আট বছরে এখানকার বিজেপি বিধায়ক উন্নয়ন করতে পারেননি। তাই ছাব্বিশের ভোটের আগে দেড় বছরের জন্য হলেও এলাকার মানুষ বদল চেয়েছিলেন। উপ নির্বাচনে সেটাই হয়েছে। নতুন বিধায়ক বলেন, জানি, এলাকায় উন্নয়ন কাজের জন্য দেড় বছর খুব একটা বড় সময় নয়। কিন্তু আমরা ভোটে মানুষকে যে যে উন্নয়ন কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তার মধ্যে তিনটি কাজকে আমি সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিচ্ছি। তৃণমূলের এই তরুণ বিধায়ক বলেন, বিন্নাগুড়িতে গ্রামীণ হাসপাতাল, গয়েরকাটায় থানা ও মাদারিহাট শহরে কলেজ তৈরিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমার বিধায়ক সময়ের মেয়াদ এমনিতেই খুব কম। তাই বিধায়ক হিসাবে শপথ নেওয়ার পরেই রাজ্যের সঙ্গে এই কাজগুলির বাস্তবায়নে দ্রুত কথা বলার চেষ্টা করব।
রাজনৈতিক মহলেরও ধারণা, ছাব্বিশের ভোটের আগে রাজ্য সরকারও মানুষের দাবি মেনে মাদারিহাট বিধানসভা এলাকায় এই তিনটি উন্নয়ন কাজকে গুরুত্ব দিতে পারে। বিধায়ক হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাবে বর্তমান সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, বিরোধী দলের বিধায়ক হওয়ার জন্য আমি কোনও সহযোগিতা পাইনি। রাজ্য সরকার থেকে আমার প্রস্তাবগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হতো না। তাই ইচ্ছে থাকলেও কাজ করা সম্ভব হয়নি।



