নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বেকারত্ব থেকে ভারত ভূমিতে চীনের দখলদারি। জাতি জনগণনা থেকে সংবিধান বদলের অভিসন্ধি। মহারাষ্ট্র নির্বাচনে আচমকা ৭০ লক্ষ ভোটার বৃদ্ধি থেকে পরোক্ষে আমেরিকা আর চীনের হাতে নিজেদের সঁপে দেওয়ার মতো নানা ইস্যুতে সোমবার সংসদে সরব হলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। চমকপ্রদভাবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে বাহবা দিয়েও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন মোদিজি ব্যর্থ।
Advertisement
বললেন, মোদিজির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ভালো উদ্যোগ। তিনি চেষ্টাও করেছিলেন। কিন্তু আদতে ব্যর্থ। স্ট্যাচু, ফাংশান অনেক কিছুই হয়েছে। কিন্তু আদতে প্রধানমন্ত্রী ফেল। তরুণদের জন্য, বেকারদের জন্য প্রত্যাশাপূরণের কোনও দিশা দেখাতে পারেনি এনডিএ সরকার। এমনকী ইউপিএ’ও। নিজেদের ব্যর্থতাও মেনে নিলেন রাহুল। কৌশলী আক্রমণে বললেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণে নতুনত্ব কিছু নেই। গত কয়েকবছর একই কথা শুনিয়েছেন। তরুণদের ভবিষ্যৎ কোনও দিশা নেই। আমাদের ‘ইন্ডিয়া’ জোট হলে রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে বিকল্প বক্তৃতা দেওয়ানো হতো।
রাহুল অভিযোগ করেন, মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প যাতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান, তার তদ্বির করতেই বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করকে এক মাসে দু’বার আমেরিকায় পাঠানো হয়েছিল। যদিও সেই অভিযোগকে নির্লজ্জ মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন বিদেশমন্ত্রী। ৪২ মিনিটের ভাষণে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের রামমন্দির উদ্বোধনের দিন স্বাধীনতা সংক্রান্ত মন্তব্য আর চীন ভারতের জমি দখল করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা।
রাহুলের বক্তৃতা শুনতেই এদিন লোকসভায় আসেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও অধিকাংশ সময়ই তাঁকে মুখ নীচু করে থাকতে দেখা যায়। যা দেখে রাহুল গান্ধী বলেন, মোদিজি আমার বক্তৃতা শুনতে এসেছেন, তার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু উনি তো আমার দিকে দেখছেনই না। রাহুলের মতে, ভারতে যাবতীয় সম্পদ, সম্ভাবনা থাকলেও স্রেফ গ্রাহক হিসেবে নিজেদের দেখা হচ্ছে। যার জেরে মোবাইল ফোন থেকে ড্রোন, সবই মেড ইন চায়না। নিজের মোবাইল ফোনটি তুলেও দেখান।
বলেন, উৎপাদনের (প্রোডাকশন) যাবতীয় ডেটা আমরা চীনের কাছে সঁপে দিচ্ছি। আর কনজাম্পশন ডেটা আমেরিকার হাতে। ভারতীয় তরুণদের কোনও সুযোগই দিচ্ছি না কেন? সংবিধান নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে বললেন, লোকসভা ভোটে ৪০০ পারের স্লোগান তুলেছিলেন সংবিধান বদলে দেবেন বলে। কিন্তু মানুষ শিক্ষা দিয়েছে। এটা শুনে রাখুন, কোনওভাবেই আপনাদের ওই অভিসন্ধি সফল হতে দেব না। আজ জবাবি ভাষণ দেবেন মোদি। রাহুলের তোলা প্রশ্নের উত্তর দেন কি না, সেটাই দেখার।
রাহুল অভিযোগ করেন, মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প যাতে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান, তার তদ্বির করতেই বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করকে এক মাসে দু’বার আমেরিকায় পাঠানো হয়েছিল। যদিও সেই অভিযোগকে নির্লজ্জ মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন বিদেশমন্ত্রী। ৪২ মিনিটের ভাষণে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের রামমন্দির উদ্বোধনের দিন স্বাধীনতা সংক্রান্ত মন্তব্য আর চীন ভারতের জমি দখল করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা।
রাহুলের বক্তৃতা শুনতেই এদিন লোকসভায় আসেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও অধিকাংশ সময়ই তাঁকে মুখ নীচু করে থাকতে দেখা যায়। যা দেখে রাহুল গান্ধী বলেন, মোদিজি আমার বক্তৃতা শুনতে এসেছেন, তার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু উনি তো আমার দিকে দেখছেনই না। রাহুলের মতে, ভারতে যাবতীয় সম্পদ, সম্ভাবনা থাকলেও স্রেফ গ্রাহক হিসেবে নিজেদের দেখা হচ্ছে। যার জেরে মোবাইল ফোন থেকে ড্রোন, সবই মেড ইন চায়না। নিজের মোবাইল ফোনটি তুলেও দেখান।
বলেন, উৎপাদনের (প্রোডাকশন) যাবতীয় ডেটা আমরা চীনের কাছে সঁপে দিচ্ছি। আর কনজাম্পশন ডেটা আমেরিকার হাতে। ভারতীয় তরুণদের কোনও সুযোগই দিচ্ছি না কেন? সংবিধান নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে বললেন, লোকসভা ভোটে ৪০০ পারের স্লোগান তুলেছিলেন সংবিধান বদলে দেবেন বলে। কিন্তু মানুষ শিক্ষা দিয়েছে। এটা শুনে রাখুন, কোনওভাবেই আপনাদের ওই অভিসন্ধি সফল হতে দেব না। আজ জবাবি ভাষণ দেবেন মোদি। রাহুলের তোলা প্রশ্নের উত্তর দেন কি না, সেটাই দেখার।



