সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: মেদিনীপুরে যখন নাট্য চর্চায় ভাটা পড়ে ঠিক সেই সময় অর্থাৎ ২০১৩ সালে মেদিনীপুর শহরের অশোকনগর রেনেসাঁস ক্লাব শুরু করে নাট্য উৎসবের। মাঝে করোনার কারণে দু’বছর বন্ধ থাকলেও এখনও সেই উৎসব ধরে রেখেছে এই ক্লাব। যাকে ঘিরে মেদিনীপুরে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। শহরের নাট্যপ্রেমীরা এই ক্লাবের নাট্য উ্ৎসবের দিকে তাকিয়ে থাকেন। এবার এই সারা বাংলা ছোট নাটক প্রতিযোগিতা ও উৎসব ১১ বছরে পড়ল। প্রথম দিকে চার দিন ধরে এই উৎসব চলত। পরবর্তীকালে তা ছ’দিন করা হয়।
Advertisement
শনিবার ক্লাব প্রাঙ্গণে এই উৎসব ও প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। উদ্বোধনের দিন দুই বিধায়ক দীনেন রায় ও সুজয় হাজরা, পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান, দুই কাউন্সিলার গোলক মাঝি, মউ রায় সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।
ক্লাব সম্পাদক সুব্রত রায় বলেন, ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৫টি উচ্চমানের ছোট নাটক প্রতিযোগিতা হবে। ১৬ জানুয়ারি হবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। ওইদিনই পরিবেশিত হবে ‘দায়বদ্ধ নাটক’। তিনি ও ক্লাব সভাপতি প্রণবকুমার দুবে বলেন, নাটক দেখতে প্রতি বছরই মানুষের উপস্থিতি বাড়ছে। তা দেখে আমরা অন্তত এটা অনুভব করতে পারছি সেদিন নাটক উৎসব শুরু করে আমরা কোনও ভুল করিনি। আমরা নাট্যপ্রেমীদের চাহিদা পূরণ করতে পেরেছি। এখন শহর ছাড়িয়ে এই ক্লাবের নাম সারা জেলা ও রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ক্লাবে যেমন প্রবীণ সদস্য আছেন তেমনই আছে যুবকের দল। সকলে মিলে হাতে হাত ধরে সারা বছর ধরে নানা সামাজিক কর্মসূচি পালন করে। আবার ঘটা করে দুর্গাপুজোও হয়। এই ক্লাবের থিমের পুজো একাধিকবার পুরস্কারও পেয়েছে। এই ক্লাবের নাট্য উৎসব ধীরে ধীরে মেদিনীপুর শহরে নাটক চর্চার ব্যপ্তি ঘটিয়েছে।
ক্লাব সম্পাদক সুব্রত রায় বলেন, ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৫টি উচ্চমানের ছোট নাটক প্রতিযোগিতা হবে। ১৬ জানুয়ারি হবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। ওইদিনই পরিবেশিত হবে ‘দায়বদ্ধ নাটক’। তিনি ও ক্লাব সভাপতি প্রণবকুমার দুবে বলেন, নাটক দেখতে প্রতি বছরই মানুষের উপস্থিতি বাড়ছে। তা দেখে আমরা অন্তত এটা অনুভব করতে পারছি সেদিন নাটক উৎসব শুরু করে আমরা কোনও ভুল করিনি। আমরা নাট্যপ্রেমীদের চাহিদা পূরণ করতে পেরেছি। এখন শহর ছাড়িয়ে এই ক্লাবের নাম সারা জেলা ও রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ক্লাবে যেমন প্রবীণ সদস্য আছেন তেমনই আছে যুবকের দল। সকলে মিলে হাতে হাত ধরে সারা বছর ধরে নানা সামাজিক কর্মসূচি পালন করে। আবার ঘটা করে দুর্গাপুজোও হয়। এই ক্লাবের থিমের পুজো একাধিকবার পুরস্কারও পেয়েছে। এই ক্লাবের নাট্য উৎসব ধীরে ধীরে মেদিনীপুর শহরে নাটক চর্চার ব্যপ্তি ঘটিয়েছে।



