নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর পুর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই তদন্ত শুরু করেছে পুরসভা। একইসঙ্গে পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের গাফিলতির জেরে ক্ষুব্ধ শহরবাসী। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, পুর এলাকায় ৯টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। প্রতিদিন শতাধিক মানুষ এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে নানা পরিষেবা পান। মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই পুরসভার তরফে তদন্ত কমিটি তৈরি করা হয়েছে।
Advertisement
এদিন মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, একজনকে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবশ্যই গাফিলতির জেরে এমন ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ নষ্ট করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ আতঙ্কিত হবেন না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরের অলিগঞ্জের বাসিন্দা চণ্ডীপ্রসাদ দত্ত প্রায় ১০ বছর ধরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। সম্প্রতি তিনি চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন মেদিনীপুর পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্র। তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ মতো স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা লক্ষ্য করেন প্রতিটি ওষুধ মেয়াদ উত্তীর্ণ। ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে ওষুধের গুণমান নিয়ে। এদিন চণ্ডীপ্রসাদবাবু বলেন, আমার মূলত কিডনির রোগ। এছাড়া সুগার, প্রেসার সবই আছে। ওষুধের অস্বাভাবিক দাম। তাই পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়েছিলাম ওষুধের জন্য। এটা গাফিলতির জন্য হয়েছে। জামাই বাড়িতে এসে প্রথম এটা লক্ষ্য করে। ভাগ্যিস ওষুধ খাইনি। নাহলে হয়ত বড় বিপদ ঘটে যেতে পারত। পুরসভার এবিষয়ে নজর দিতে হবে। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, অক্টোবর মাসে বহু ওষুধের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। সেই ওষুধ ভুল বশত দেওয়া হয়। অক্টোবর মাসে পুজোর জন্য অনেকেই ব্যস্ত ছিল। তাই নজর দেওয়া হয়নি। আরও কত মানুষের কাছে সেই ওষুধ গিয়েছে, এনিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগে আরও কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে। সেদিকে আগে নজর দিতে হবে। দিনে দিনে রোগীর চাপ বাড়ছে। কিন্তু সেই তুলনায় কর্মী নেই। মেদিনীপুর পুর এলাকার বাসিন্দা চন্দন মণ্ডল বলেন, এমন ধরনের ঘটনা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। মানুষের জীবনের কোনও দাম নেই। সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে, সেটাই আসল প্রশ্ন। দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরের অলিগঞ্জের বাসিন্দা চণ্ডীপ্রসাদ দত্ত প্রায় ১০ বছর ধরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। সম্প্রতি তিনি চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন মেদিনীপুর পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্র। তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ মতো স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা লক্ষ্য করেন প্রতিটি ওষুধ মেয়াদ উত্তীর্ণ। ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে ওষুধের গুণমান নিয়ে। এদিন চণ্ডীপ্রসাদবাবু বলেন, আমার মূলত কিডনির রোগ। এছাড়া সুগার, প্রেসার সবই আছে। ওষুধের অস্বাভাবিক দাম। তাই পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়েছিলাম ওষুধের জন্য। এটা গাফিলতির জন্য হয়েছে। জামাই বাড়িতে এসে প্রথম এটা লক্ষ্য করে। ভাগ্যিস ওষুধ খাইনি। নাহলে হয়ত বড় বিপদ ঘটে যেতে পারত। পুরসভার এবিষয়ে নজর দিতে হবে। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, অক্টোবর মাসে বহু ওষুধের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। সেই ওষুধ ভুল বশত দেওয়া হয়। অক্টোবর মাসে পুজোর জন্য অনেকেই ব্যস্ত ছিল। তাই নজর দেওয়া হয়নি। আরও কত মানুষের কাছে সেই ওষুধ গিয়েছে, এনিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে স্বাস্থ্য বিভাগে আরও কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে। সেদিকে আগে নজর দিতে হবে। দিনে দিনে রোগীর চাপ বাড়ছে। কিন্তু সেই তুলনায় কর্মী নেই। মেদিনীপুর পুর এলাকার বাসিন্দা চন্দন মণ্ডল বলেন, এমন ধরনের ঘটনা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। মানুষের জীবনের কোনও দাম নেই। সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে, সেটাই আসল প্রশ্ন। দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।



