নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: আজ মেদিনীপুর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে প্রশাসনিক স্তরে ব্যস্ততা তুঙ্গে। মেদিনীপুর বিধানসভার ৩০৪টি বুথে হবে ভোটগ্রহণ। নির্বিঘ্নে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে মোতায়েন করা হয়েছে ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিধানসভা এলাকার ২ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৪৩ জন ভোটার গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হবেন। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মেদিনীপুর কলেজে তৈরি ডিসিআরসি সেন্টার থেকে ১ হাজার ২১৬ জন ভোট কর্মীকে বিভিন্ন বুথে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোট প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য প্রতিটি বুথে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। অপরদিকে শাসক বিরোধী উভয়পক্ষ ভোটের জন্য প্রস্তুত। এদিন দিনভর কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে আলোচনা সারেন প্রার্থীরা। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, একদিকে এবারের উপ নির্বাচনেও শাসকদলের ভরসা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা। অপরদিকে, বিরোধীদের ভরসা আরজি কর কাণ্ড। তৃণমূল নেতৃত্ব জানাচ্ছে, মঙ্গলবার দফায় দফায় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে আলোচনা করেন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা। বৈঠকে কর্মী সমর্থকদের মনোবল বাড়াতে বিভিন্ন পরামর্শ দেন তিনি। তবে মঙ্গলবার নাগরিক বৃন্দের নামে শহরের বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট ছড়ানোর নিয়ে চাঞ্চল্য দেখা গিয়েছে। লিফলেটে মূলত আর জি কর কাণ্ড, পুর এলাকার বিভিন্ন নেতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়। এনিয়ে তৃণমূলের তরফে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানানো হয় বলে জানা গিয়েছে।
Advertisement
এদিন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা দলীয় কার্যালয়ে বেশ খোশমেজাজেই ছিলেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রচারে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের তরফে ভালোবাসা ও আশীর্বাদ পেয়েছি। দল যে দায়িত্ব দিয়েছে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করছি। আজ সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় যাব। আসলে বিরোধীরা মানুষের জন্য কিছুই করেনি। তাই তাঁরা টেনশনে আছে। আমি একেবারেই চিন্তামুক্ত। তিনি আরও বলেন, লিফলেট ছড়িয়ে ভোটে জেতা যায় না। আমরা উন্নয়নকে সামনে রেখে লড়াই করছি। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর থেকে বিরোধীদলগুলি আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি। জেলাজুড়ে বিভিন্ন ভোটে তাঁদের সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকাশ্যে এসেছে। এবারের উপ নির্বাচনেও একই চিত্র বারংবার ফুটে উঠেছে। তাই একশো শতাংশ বুথে এজেন্ট দেওয়াই চ্যালেঞ্জ বিরোধী দলগুলির। অপরদিকে তৃণমূল চাইছে নিজেদের শক্ত মাটি আগলে রাখতে। এদিন বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বলেন, ভোটের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
অপরদিকে সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই বলেন, বিভিন্ন বুথে এজেন্ট ঠিক করতেই সারা দিন কেটে গেল। আশা করছি ভালো ফল হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর বিধানসভার প্রতিটি বুথে ৪ জন করে ভোট কর্মী থাকছেন। নির্বাচনের জন্য প্রথমে ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল। পরে আরও ৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আনা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে থাকছে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা। এছাড়া নির্বিঘ্নে ভোট পরিচালনার জন্য থাকছে কুইক রেসপন্স টিম। ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করার জন্য ৩ জন জোনাল ম্যাজিস্ট্রেট রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে থাকছে সেকটর অফিসার। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকার ২০টি বুথকে স্পর্শকাতর বুথ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদিন উপ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার তথা মহকুমা শাসক মধুমিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটকর্মীরা বুথে পৌঁছে গিয়েছেন।
অপরদিকে সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই বলেন, বিভিন্ন বুথে এজেন্ট ঠিক করতেই সারা দিন কেটে গেল। আশা করছি ভালো ফল হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর বিধানসভার প্রতিটি বুথে ৪ জন করে ভোট কর্মী থাকছেন। নির্বাচনের জন্য প্রথমে ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল। পরে আরও ৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আনা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে থাকছে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা। এছাড়া নির্বিঘ্নে ভোট পরিচালনার জন্য থাকছে কুইক রেসপন্স টিম। ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করার জন্য ৩ জন জোনাল ম্যাজিস্ট্রেট রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে থাকছে সেকটর অফিসার। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকার ২০টি বুথকে স্পর্শকাতর বুথ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদিন উপ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার তথা মহকুমা শাসক মধুমিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, সমস্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটকর্মীরা বুথে পৌঁছে গিয়েছেন।
ডিসিআর সেন্টার মেদিনীপুর কলেজে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া প্রহরা। নিজস্ব চিত্র



