Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেদিনীপুরে কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ভোট মনোনয়ন পত্র তোলা নিয়ে উত্তেজনা, মনোনয়ন পত্র তোলা নিয়ে উত্তেজনা

মেদিনীপুরে কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ভোট মনোনয়ন পত্র তোলা নিয়ে উত্তেজনা, মনোনয়ন পত্র তোলা নিয়ে উত্তেজনা
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: সোমবার সকালে মেদিনীপুর শহরের ওলিগঞ্জ এলাকায় পিপলস কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র তোলাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। বিপুল সংখ্যক পুলিস মোতায়েন করে চলে মনোনয়ন পত্র তোলা। বিরোধী দলগুলো মনোনয়ন পত্র তোলার প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক অভিযোগ করে। সিপিএম, বিজেপি ও কংগ্রেসের অভিযোগ, ব্যাঙ্কের আশেপাশে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে মনোনয়ন পত্র তুলতে বাধা দিয়েছে শাসক দল। পুলিসকে কাজে লাগিয়ে গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। অপরদিকে, খোশ মেজাজেই মনোনয়ন পত্র তুললেন শাসক দল ঘনিষ্ঠরা। তৃণমূল নেতাদের তরফে দেদার বিরিয়ানি বিলি করা হয়। এদিন অশান্তি এড়াতে মোতায়েন ছিল প্রচুর পুলিস। 
Advertisement
সিপিএম নেতা কীর্তি দে বক্সি ওরফে টোটন বক্সি বলেন, মনোনয়ন পত্র জমা করতে এসেছিলাম। কিন্তু রাতেই ব্যাঙ্ক সংলগ্ন আমাদের পার্টি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে প্রচুর পুলিস থাকা সত্ত্বেও সন্ত্রাস চালানো হয়। আমাদের ক্যাম্প অফিসে ভাঙচুর করা হয়েছে। কিছুজন কর্মী-সমর্থককে মারধর করা হয়। দিনের পর দিন এই অবিচার মেনে নেওয়া যাবে না। 
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯১০ সালে পিপলস কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের পথ চলা শুরু। নব্বইয়ের দশক থেকে এই ব্যাঙ্ক ছিল সিপিএমের দখলে। তবে ২০১৪ সালের পর ব্যাঙ্কটি চলে যায় তৃণমূলের দখলে। যদিও সেই সময়ে হওয়া নির্বাচনেও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছিল বিরোধী শিবির। জানা গিয়েছে, এবারের নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন পত্র বিলি করা হবে। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন পত্র পেশ  করতে পারবেন প্রার্থীরা। ২৭ ফেব্রুয়ারি মনোনয়ন পত্র পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি বৈধ মনোনয়ন পত্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি ২৩ মার্চ ভোট গ্রহণ, গণনার পাশাপাশি ফলাফল ঘোষণাও করা হবে। 
জানা গিয়েছে, বেশকিছু মাস আগে থেকেই এই ব্যাঙ্কের নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করে তৃণমূল। এনিয়ে তৃণমূলের অন্দরে দফায় দফায় বৈঠকও হয়। তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্বের তরফে পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে এই ব্যাঙ্কে কোনও নির্বাচন হয়নি। 
এদিন জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, বিরোধীদের মানুষ পছন্দ করে না। তাঁদের ভোট ও সংগঠন নেই। তাই তাঁরা মনোনয়ন তুলতে পর্যন্ত পারছে না। আমাদের অবস্থা এত খারাপ হয়নি যে এই ভোটে বিরোধীদের বাধা দেব। জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, সামান্য একটা ভোটে সন্ত্রাস ও ভয় দেখিয়ে চলছে মনোনয়ন তোলার কাজ। এই রাজ্যের বাসিন্দা বলতে লজ্জা লাগে। তৃণমূল নিজেদেরও আর বিশ্বাস করতে পারছে না। মানুষ সুযোগ পেলেই জবাব দিয়ে দেবে।-নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ