Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মেদিনীপুর, খড়্গপুর পুরসভায় হাউস ফর অল প্রকল্পে টাকা বরাদ্দ, খুশি শহরবাসী

মেদিনীপুর, খড়্গপুর পুরসভায় হাউস ফর অল প্রকল্পে টাকা বরাদ্দ, খুশি শহরবাসী
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: হাউস ফর অল প্রকল্পে মেদিনীপুর পুরসভা পেল প্রায় চার কোটি টাকা। ওই টাকা বাড়ি অর্ধসমাপ্ত হয়ে পড়ে থাকা উপভোক্তরা পাবেন। পাকা হবে মাথার ছাদ। টাকা ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের দিতে শুরু করেছে পুরসভা। জানা গিয়েছে, এই টাকা খরচ করে পুরসভা এলাকায় ৩২০টি বাড়ির ছাদ তৈরি হবে। তবে এখনও বহু বাড়ির কাজ লিনটেল পর্যন্ত হয়নি। পুরসভার আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, ধাপে ধাপে টাকা এলেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখনও যে সকল বাড়ির কাজ শুরু হয়নি, সেগুলি দ্রুততার সঙ্গে শুরু করার পরিকল্পনা হয়েছে। এছাড়া মেদিনীপুর পুরসভা এলাকায় হাউস ফর অল প্রকল্পে আরও পাঁচ হাজার জন বাড়ি পেতে চলেছেন। এনিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।  
Advertisement
মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, পুরসভায় এলাকার পাঁচ হাজার জন নতুন বাড়ি পাবেন। ১০০ শতাংশ মানুষকে এই প্রকল্পের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তাছাড়া হাউস ফর অল প্রকল্পের জন্য টাকা এসেছে। উপভোক্তাদের বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য ওই টাকা দেওয়া হবে। 
হাউস ফর অল প্রকল্পের মাধ্যমে শহর এলাকার মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। রাজ্য প্রশাসন চাইছে, গ্রামীণ এলাকার পাশাপশি শহর এলাকায় স্বচ্ছতার সঙ্গে মানুষের মাথার উপর পাকা বাড়ি তৈরি করতে। সেইমতো দ্রুততার সঙ্গে কাজ চলছে। তবে বেশ কয়েকমাস ধরে এই প্রকল্পের জন্য টাকা না আসায় বেশ বিপাকে পড়ে পুরসভা। জানা গিয়েছে, পুরসভার তরফে টাকা চেয়ে আবেদন করা হয়। অবশেষে এই প্রকল্পে টাকা আসায় উপকৃত হবে বহু পরিবার।
মেদিনীপুর পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, শুধু বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়া নয়, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার উপর নজরদারি চালানো হয়। এলাকায় এলাকায় গিয়ে দেখা হচ্ছে, কোন কোন পরিবার বাড়ি পায়নি।   পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর পুরসভা এলাকায়  ২০১৫-’১৬ অর্থবছরে ১১৯৮টি বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। সবকটি বাড়ি তৈরি হয়েছে। ২০১৭-’১৮ অর্থবছরে ৭৯৮ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। ১০০ শতাংশ বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে। ২০১৮-’১৯ অর্থবছরে ১১০০ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। সবকটি বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করেছে পুরসভা। তথ্য অনুযায়ী ২০২০-’২১ অর্থ বর্ষে আড়াই হাজারের বেশি বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। তার মধ্যে ২হাজার ৩১০টির বেশি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। এই বাড়িগুলির মধ্যে এই চার কোটি টাকা খরচ করে ৩২০টি বাড়ির ছাদ তৈরি হবে। যদিও এখনও ১৯০টি বাড়ির কাজ এখনও শুরু হয়নি। যা নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন পুরসভা। 
অন্যদিকে, অসমাপ্ত বাড়ি তৈরির জন্য খড়্গপুর পুরসভা প্রায় ১ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা পেয়েছে। খড়গপুর পুরসভা এলাকায় ১৮০টি বাড়ি অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই টাকা শতাধিক উপভোক্তাকে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে পুরসভা। খড়্গপুর পুরসভার চেয়ারম্যান কল্যাণী ঘোষ বলেন, অসমাপ্ত বাড়ির জন্য টাকা এসেছে। সেই টাকা পেলে অনেক উপভোক্তা উপকৃত হবে। এই প্রকল্পের কাজ আরও দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।  মেদিনীপুর শহরের বাসিন্দা বিকাশ দাশগুপ্ত বলেন, বহু এলাকায় মানুষ বাড়ি পায়নি। তবে অসমাপ্ত বাড়ির উপভোক্তারা টাকা পেলে খুবই উপকৃত হবেন। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ