সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর শহরে আম্রুত প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগ দেওয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, একই হোল্ডিংয়ে একাধিক সংযোগ দিচ্ছে দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সি। এতে কম খরচে ও কাজ কম করে সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানো যাবে। পুরসভা ইতিমধ্যে এনিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। কিছু জায়গায় অনিয়ম আটকানোও হয়েছে।
Advertisement
পুর কারিগরি দপ্তরের উদ্যোগে এই প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি জলের সংযোগ দেওয়া চলছে। ২৫টি ওয়ার্ডে সংযোগ দেওয়ার কাজ শেষ হলে জল সরবরাহ শুরু হবে। কিছু ওয়ার্ডে কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। প্রকল্পটি শহরের গান্ধীঘাট এলাকায় তৈরি হচ্ছে। সেখানে কাঁসাই নদী থেকে জল তুলে পরিশোধন করে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি দেওয়া হবে।
পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, এই প্রকল্পে শহরের প্রায় ৬০ হাজার হোল্ডিংয়ে বিনামূল্যে সংযোগ দেওয়া হবে। প্রায় ২২হাজার বাড়িতে সংযোগ দেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে। নিয়মমতো একটি হোল্ডিংয়ে একটিই সংযোগ দেওয়ার কথা। কিন্তু আমরা অভিযোগ পেয়েছি, অনেক বাড়িতে একটি হোল্ডিং নম্বর থাকা সত্ত্বেও একাধিক সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। কিছু জায়গায় অনিয়ম আটকানো হলেও অভিযোগ এসেই যাচ্ছে। সেকারণে তদন্ত শুরু হয়েছে।
চেয়ারম্যান জানান, এজেন্সিকে সংখ্যা ধরে সংযোগ দেওয়ার বরাত দেওয়া হয়েছে। আসলে ওরা একই হোল্ডিংয়ে একাধিক সংযোগ দিয়ে সংখ্যা বাড়িয়ে দেখাতে চাইছে। এতে কাজ কম করতে হবে। মাটি খোঁড়া, পাইপ কেটে ফেরুল বসানো ও সংযোগ দেওয়ার খরচও অনেক কমে যাবে। কিন্তু তারা বরাদ্দ টাকা পেয়ে যাবে।
মেদিনীপুর শহরে কাঁসাই নদীর প্রকল্প থেকে এখন শহরে পাইপলাইনের মাধ্যমে জল সরবরাহ করা হয়। এছাড়া, বিভিন্ন ওয়ার্ডে গভীর নলকূপ আছে। তার সংখ্যা প্রায় ৩০০। এই নলকূপের সাহায্যে মাটির নীচ থেকে জল তুলে সরাসরি পাইপলাইনে দেওয়া হয়। ট্যাপকলের মাধ্যমে বাসিন্দারা জল সংগ্রহ করেন। বাড়ি বাড়ি সংযোগও রয়েছে। তবে আম্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পানীয় জলের আর কোনও সঙ্কট থাকবে না বলে চেয়ারম্যান জানিয়েছেন।
পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, এই প্রকল্পে শহরের প্রায় ৬০ হাজার হোল্ডিংয়ে বিনামূল্যে সংযোগ দেওয়া হবে। প্রায় ২২হাজার বাড়িতে সংযোগ দেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে। নিয়মমতো একটি হোল্ডিংয়ে একটিই সংযোগ দেওয়ার কথা। কিন্তু আমরা অভিযোগ পেয়েছি, অনেক বাড়িতে একটি হোল্ডিং নম্বর থাকা সত্ত্বেও একাধিক সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। কিছু জায়গায় অনিয়ম আটকানো হলেও অভিযোগ এসেই যাচ্ছে। সেকারণে তদন্ত শুরু হয়েছে।
চেয়ারম্যান জানান, এজেন্সিকে সংখ্যা ধরে সংযোগ দেওয়ার বরাত দেওয়া হয়েছে। আসলে ওরা একই হোল্ডিংয়ে একাধিক সংযোগ দিয়ে সংখ্যা বাড়িয়ে দেখাতে চাইছে। এতে কাজ কম করতে হবে। মাটি খোঁড়া, পাইপ কেটে ফেরুল বসানো ও সংযোগ দেওয়ার খরচও অনেক কমে যাবে। কিন্তু তারা বরাদ্দ টাকা পেয়ে যাবে।
মেদিনীপুর শহরে কাঁসাই নদীর প্রকল্প থেকে এখন শহরে পাইপলাইনের মাধ্যমে জল সরবরাহ করা হয়। এছাড়া, বিভিন্ন ওয়ার্ডে গভীর নলকূপ আছে। তার সংখ্যা প্রায় ৩০০। এই নলকূপের সাহায্যে মাটির নীচ থেকে জল তুলে সরাসরি পাইপলাইনে দেওয়া হয়। ট্যাপকলের মাধ্যমে বাসিন্দারা জল সংগ্রহ করেন। বাড়ি বাড়ি সংযোগও রয়েছে। তবে আম্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পানীয় জলের আর কোনও সঙ্কট থাকবে না বলে চেয়ারম্যান জানিয়েছেন।



