সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: বিদ্যুতের বকেয়া আদায়ে এজেন্সি নিয়োগ করে গত কুড়ি দিনে প্রায় আট হাজার গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা। বকেয়া আদায়ের পরিমাণও বেশ ভালো। সংস্থা সূত্রে খবর, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কাজ এখন চলবে। বণ্টন সংস্থার রিজিওন্যাল ম্যানেজার (আরএম) প্রদীপ সামন্ত বলেন, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর, খড়্গপুর, ঘাটাল ও বেলদা বিভাগে বকেয়া আদায়ে এজেন্সি নিয়োগ করতে হয়েছে। এই এজেন্সির কাজ যেসব গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া আছে, তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা। তবে এরা বকেয়া টাকা আদায় করবে না। তিনি বলেন, জেলাজুড়ে এরকম প্রায় ৮০টি এজেন্সি নিয়োগ করা হয়েছে। এদের অধীনে প্রায় ২৫০ কর্মী কাজ করছেন। প্রসঙ্গত ডোমেস্টিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও সেচ মিলিয়ে মোট প্রায় ৩৪৭ কোটি টাকা বকেয়া ছিল। গ্রাহক সংখ্যাটা প্রায় সাড়ে চার লক্ষ, যা মোট গ্রাহকের ২৫ শতাংশ।
Advertisement
আরএম বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত কর্মী না থাকায় চলতি মাসের গোড়ায় এই বকেয়া আদায়ে এজিন্সি নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানুয়ারি মাস পর্যন্ত এই বিশেষ অভিযান চলবে। প্রথমে যেসব গ্রাহকের বড় অঙ্কের টাকা বকেয়া আছে, তাদের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এই চারটি বিভাগে প্রায় আট হাজার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এতে অবশ্য সাড়াও মিলেছে। বড় অঙ্কের বকেয়া আদায়ও হয়েছে। এবার যেসব এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে, আমরা সেই সব এলাকায় শিবির করে বকেয়া আদায় করব। গ্রাহকরা শিবিরে এসেই তাদের বকেয়া মিটিয়ে দিয়ে যেতে পারবেন। একই সঙ্গে বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার জন্য প্রচারের ওপরও জোর দেওয়া হবে।
আরএম বলেন, প্রথম দিকে এজেন্সিগুলো বড় অঙ্কের বকেয়া যাঁদের আছে, তাঁদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছে। পরের দিকে অন্যান্য গ্রাহকদেরও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। জরিমানা দিয়ে বকেয়া মেটালে তবেই পুনরায় সংযোগ দেওয়া হবে। এক আধিকারিক বলেন, দেখা যাচ্ছে, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে আসার পর একটা অংশ গ্রাহক অন্যপথে সংযোগ নিচ্ছেন। ফলে তারা আর বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। সেদিকেও দপ্তর কড়া নজর রেখেছে। সেরকম কিছু ধরা পড়লে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি হুকিং করে যাঁরা বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন, তাঁদের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। সেই সব সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হবে।
আরএম বলেন, প্রথম দিকে এজেন্সিগুলো বড় অঙ্কের বকেয়া যাঁদের আছে, তাঁদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছে। পরের দিকে অন্যান্য গ্রাহকদেরও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। জরিমানা দিয়ে বকেয়া মেটালে তবেই পুনরায় সংযোগ দেওয়া হবে। এক আধিকারিক বলেন, দেখা যাচ্ছে, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে আসার পর একটা অংশ গ্রাহক অন্যপথে সংযোগ নিচ্ছেন। ফলে তারা আর বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। সেদিকেও দপ্তর কড়া নজর রেখেছে। সেরকম কিছু ধরা পড়লে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি হুকিং করে যাঁরা বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন, তাঁদের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। সেই সব সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হবে।



