নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ওটির সামনে চিকিৎসককে কোপানোর ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হল। এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে বহরমপুর থানায় মামলা দায়েরের পাশাপশি নিজেরাও তদন্ত করবে। হাসপাতালের সিনিয়র রেসিডেন্ট ডক্টরের উপর এই হামলার ঘটনায় স্বাস্থ্য ভবনও রিপোর্ট চেয়েছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, জলঙ্গির মানসিক ভারসাম্যহীন ওই রোগী শুক্রবার সন্ধ্যায় অপারেশন থিয়েটারের কাঁচি নিয়ে কর্তব্যরত এক অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চিকিৎসককে আক্রমণ করে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে মেডিক্যালেই চিকিৎসা করা হয়। তিনি এখন স্থিতিশীল আছেন। মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ ওই চিকিৎসকের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রেখেছে।
মেডিক্যালের অধ্যক্ষ অমিতকুমার দাঁ বলেন, ঘটনায় চারজনের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফেও আমরা চিঠি পেয়েছি। কী ঘটনা ঘটেছে, তার উত্তর দেব। অভিযুক্ত ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন বলেই মনে হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, জলঙ্গির হোগলা দাঁয়ের গ্রামের মানসিক ভারসাম্যহীন ওই যুবকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে হাঁসুয়া দিয়ে তাকে খুনের চেষ্টা করে তারই বাবা। শুক্রবার দুপুরে জখম বাপন হালদারকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ক্ষতস্থানে অপারেশন করার জন্য ওটিতে ওই রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় সে কর্তব্যরত চিকিৎসককে কাঁচি দিয়ে আক্রমণ করে। ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। নিরাপত্তারক্ষীরা খবর পেয়ে ছুটে আসেন। হাত-পা বেঁধে তার অপারেশন করা হয়। জখম চিকিৎসকের হাতেও সেলাই পড়েছে।
মেডিক্যালের অধ্যক্ষ অমিতকুমার দাঁ বলেন, ঘটনায় চারজনের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফেও আমরা চিঠি পেয়েছি। কী ঘটনা ঘটেছে, তার উত্তর দেব। অভিযুক্ত ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন বলেই মনে হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, জলঙ্গির হোগলা দাঁয়ের গ্রামের মানসিক ভারসাম্যহীন ওই যুবকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে হাঁসুয়া দিয়ে তাকে খুনের চেষ্টা করে তারই বাবা। শুক্রবার দুপুরে জখম বাপন হালদারকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ক্ষতস্থানে অপারেশন করার জন্য ওটিতে ওই রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় সে কর্তব্যরত চিকিৎসককে কাঁচি দিয়ে আক্রমণ করে। ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। নিরাপত্তারক্ষীরা খবর পেয়ে ছুটে আসেন। হাত-পা বেঁধে তার অপারেশন করা হয়। জখম চিকিৎসকের হাতেও সেলাই পড়েছে।



