নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: চলতি সপ্তাহেই কোচবিহারের মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চালু হবে পিপিপি মডেলে ডায়ালিসিস ইউনিট। হাসপাতালে প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ৩০০০ মানুষ চিকিৎসা করাতে আসে। পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি থাকেন প্রায় ৫০০ রোগী। তাঁদের মধ্যে অনেক রোগীর ডায়ালিসিস করাতে হয়। বাইরে বেসরকারি ভাবে ডায়ালিসিস করাতে মোটা টাকা খরচ হয়। সেখানে মেডিক্যাল কলেজে এই পরিষেবা চালু হলে অনেকেই উপকৃত হবেন।
Advertisement
শুধু তাই নয়, মেডিক্যাল কলেজের ঠিক উল্টো দিকে রয়েছে কোভিড হাসপাতাল। এবার সেখানেই চালু করা হবে হাসপাতালের বর্হিবিভাগ। বর্তমানে যেখানে বর্হিবিভাগ রয়েছে সেখানকার অধিকাংশ বিভাগ এবার কোভিড হাসপাতালে নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও মেডিসিন স্টোর, ইসিজি সহ একাধিক ইউনিটও নতুন কোভিড বিল্ডিংয়ে সরছে। আগামী ডিসেম্বরেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যে জায়গায় বর্তমানে বর্হিবিভাগ রয়েছে সেখানে পুরুষ চিকিৎসকদের থাকার জায়গা করা হবে।
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি সৌরদীপ রায় বলেন, আগামী ২২ নভেম্বর মেডিক্যাল কলেজে পিপিপি মডেলে ডায়ালিসিস ইউনিট চালু করা হবে। হাসপাতালের এআরটি সেন্টারের জায়গায় এটি চালু করা হবে। এজন্য চুক্তিও হয়ে গিয়েছে। এতে অনেকেই উপকৃত হবেন। আমরা নতুন কোভিড বিল্ডিংয়ে হাসপাতালের বর্হিবিভাগটি স্থানান্তরিত করব। এছাড়াও ফিভার ক্লিনিক, ইসিজি প্রভৃতিও নতুন ভবনে যাবে। সেখানে বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের বসার জায়গা করা হবে।
কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে এর আগে ট্রমা কেয়ার ইউনিট, অক্সিজেন প্লান্ট, এমআরআই, সিসিইউ, শয্যা বৃদ্ধি প্রভৃতি কাজ হয়েছে। কোভিডের সময় এখানে বিরাট কোভিড বিল্ডিং গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছিল। সেই কাজ শেষ হয়েছে। এবার হস্তান্তরের পালা। ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই কাজও সম্পন্ন হবে বলে কর্তৃপক্ষের দাবি। বর্তমানে যেখানে বর্হিবিভাগ রয়েছে সেখানে জায়গার অভাব রয়েছে। ওষুধ দেওয়ার কাউন্টারের সামনেও তেমন জায়গা নেই। এতে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ে। এবার নতুন ভবনটি চালু হলে সেসব সমস্যা থাকবে না। সেই সঙ্গে চিকিৎসকদের থাকার জায়গা ও বিভাগীয় প্রধানদের বসার জায়গা হলে তাঁরাও অনেকটা স্বস্তিতে কাজ করতে পারবেন।
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপি সৌরদীপ রায় বলেন, আগামী ২২ নভেম্বর মেডিক্যাল কলেজে পিপিপি মডেলে ডায়ালিসিস ইউনিট চালু করা হবে। হাসপাতালের এআরটি সেন্টারের জায়গায় এটি চালু করা হবে। এজন্য চুক্তিও হয়ে গিয়েছে। এতে অনেকেই উপকৃত হবেন। আমরা নতুন কোভিড বিল্ডিংয়ে হাসপাতালের বর্হিবিভাগটি স্থানান্তরিত করব। এছাড়াও ফিভার ক্লিনিক, ইসিজি প্রভৃতিও নতুন ভবনে যাবে। সেখানে বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের বসার জায়গা করা হবে।
কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজে এর আগে ট্রমা কেয়ার ইউনিট, অক্সিজেন প্লান্ট, এমআরআই, সিসিইউ, শয্যা বৃদ্ধি প্রভৃতি কাজ হয়েছে। কোভিডের সময় এখানে বিরাট কোভিড বিল্ডিং গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছিল। সেই কাজ শেষ হয়েছে। এবার হস্তান্তরের পালা। ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সেই কাজও সম্পন্ন হবে বলে কর্তৃপক্ষের দাবি। বর্তমানে যেখানে বর্হিবিভাগ রয়েছে সেখানে জায়গার অভাব রয়েছে। ওষুধ দেওয়ার কাউন্টারের সামনেও তেমন জায়গা নেই। এতে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ে। এবার নতুন ভবনটি চালু হলে সেসব সমস্যা থাকবে না। সেই সঙ্গে চিকিৎসকদের থাকার জায়গা ও বিভাগীয় প্রধানদের বসার জায়গা হলে তাঁরাও অনেকটা স্বস্তিতে কাজ করতে পারবেন।



