নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: ফেসবুকে ভারতীয় যুবকের সঙ্গে বন্ধুত্ব। মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে বহরমপুরে এসে ওই যুবকের সঙ্গে দু’ বছর ধরে বসবাস করছিল এক বাংলাদেশি যুবতী। তাকে বহরমপুর থানার পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম, জান্নাতুন ফিরদৌস (২৫)। তার বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালি এলাকায়। তবে গত দু’বছর ধরে সে বহরমপুরের সূতির মাঠ এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকছিল। মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে ২০২৩ সালের মে মাসে ভারতে এসে সে এখানে থাকতে শুরু করে। ছয় মাসের মেডিক্যাল ভিসাতে এলেও সে আর ফিরে যায়নি।
Advertisement
জানা গিয়েছে, সূতির মাঠ এলাকায় এক যুবকের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় তার। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই বন্ধুত্ব প্রেমে পরিণত হয়। গ্রাজুয়েট পাশ করার পর ওই যুবতী নিজের ঘর ছেড়ে চলে আসে। বৈধভাবে মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে ভারতে ঢোকে। তারপর সূতির মাঠের ওই টোটোচালক যুবককে সে বিয়ে করে। এরপর সন্তান সম্ভবা হয় সে। সেই বাচ্চা নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ। এরপর ওই যুবক তার উপর অত্যাচার শুরু করলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দ্বারস্থ হয় সে। ওই সংস্থার তরফে বহরমপুর থানায় এসে গোটা বিষয়টি জানালে যুবতীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বহরমপুর থানার আইসি উদয়শঙ্কর ঘোষ বলেন, মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে এদেশে ঢোকার পর জান্নাতুনের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ও এখানকার এক যুবককে মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেছে। তবে বিয়ে করার কোনও প্রমাণ নেই। স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্টে বিয়ে হয়নি। ওর কাছে ভারতীয়ত্বের কোনও প্রমাণপত্র নেই। তাই ফরেনারস অ্যাক্টে মামলা হয়েছে। ওই যুবতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই যুবকের বিরুদ্ধে যদি ওর কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে সে আমাদের কাছে জানাতে পারে। আমরা আরও একটি মামলা রুজু করে তদন্ত করব।
বহরমপুর থানার আইসি উদয়শঙ্কর ঘোষ বলেন, মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে এদেশে ঢোকার পর জান্নাতুনের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ও এখানকার এক যুবককে মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেছে। তবে বিয়ে করার কোনও প্রমাণ নেই। স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্টে বিয়ে হয়নি। ওর কাছে ভারতীয়ত্বের কোনও প্রমাণপত্র নেই। তাই ফরেনারস অ্যাক্টে মামলা হয়েছে। ওই যুবতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ওই যুবকের বিরুদ্ধে যদি ওর কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে সে আমাদের কাছে জানাতে পারে। আমরা আরও একটি মামলা রুজু করে তদন্ত করব।



