নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ওয়ার্ডে কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স রয়েছেন। অথচ বেডের নীচে গড়াগড়ি খাচ্ছে মুমূর্ষু রোগী। বুধবার জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হতেই আলোড়ন ছড়ায়। যদিও ওই ভিডিও’র সত্যতা যাচাই করেনি ‘বর্তমান’। একজন রোগী ওয়ার্ডে বেডের নীচে পড়ে গড়াগড়ি খেলেও চিকিৎসক, নার্স কারও কেন নজর পড়েনি কিংবা বিষয়টি তাঁদের নজরে থাকলে কেন ওই রোগীকে বেডে তোলার ব্যবস্থা করা হয়নি তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
Advertisement
এদিকে, এদিন দুপুর গড়াতেই ওই রোগীর মৃত্যু হওয়ায় চিকিৎসার পাশাপাশি কর্তব্যে চরম গাফিলতির আঙুল ওঠে জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের বিরুদ্ধে। যদিও হাসপাতালের বিরুদ্ধে ওঠা গাফিলতির অভিযোগ উড়িয়ে জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের সুপার ডাঃ কল্যাণ খাঁ বলেন, খুবই খারাপ অবস্থায় ওই রোগীকে মঙ্গলবার মাঝরাতে মৃন্ময় মালাকার নামে একজন ভর্তি করে দিয়ে চলে যান। তারপর থেকে ওই রোগীর পরিবারের কেউ আর হাসপাতালে যোগাযোগ করেননি। আমরা ওই রোগীর চিকিৎসা করি। তার জন্য বেডও বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু রোগী বেডে থাকতে চাইছিল না। বারবার নীচে শুয়ে পড়ছিল। সম্ভবত ওই রোগীর কিছুটা মানসিক সমস্যাও ছিল। চিকিৎসকরা চেষ্টা করলেও ওই রোগীকে বাঁচানো যায়নি। পুলিসকে বিষয়টি জানানো হয়েছে, যাতে রোগীর পরিবার এসে দেহ নিয়ে যায়। না হলে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে মর্গে চলে যাবে দেহটি।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, মৃত ওই রোগীর বাড়ি জলপাইগুড়ি শহরের উত্তর রায়কতপাড়া এলাকায়। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এদিন বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, মঙ্গলবার রাত বারোটার পর ওই রোগীকে জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়ে চলে যান একজন। মেডিক্যালের মেডিসিন বিভাগের ইউনিট-টু’তে ভর্তি করা হয় ওই রোগী। তবে যিনি ওই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করান, তিনি তাঁর পরিবারের কোনও সদস্য কি না, তা স্পষ্ট নয় মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের কাছে।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, মৃত ওই রোগীর বাড়ি জলপাইগুড়ি শহরের উত্তর রায়কতপাড়া এলাকায়। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এদিন বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, মঙ্গলবার রাত বারোটার পর ওই রোগীকে জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়ে চলে যান একজন। মেডিক্যালের মেডিসিন বিভাগের ইউনিট-টু’তে ভর্তি করা হয় ওই রোগী। তবে যিনি ওই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করান, তিনি তাঁর পরিবারের কোনও সদস্য কি না, তা স্পষ্ট নয় মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের কাছে।



