নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: দীর্ঘ দু’বছর ধরে ফেরার। বহু অভিযান চালিয়েও অসমের মাদক সিন্ডিকেটের মাস্টার মাইন্ডের নাগাল পায়নি পুলিস। এবার সেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ‘হুলিয়া’ জারির নির্দেশ দিয়েছে মাদক সংক্রান্ত শিলিগুড়ির বিশেষ আদালত। অভিযুক্তের নাম ছয়ফুর আলি মোল্লা ওরফে সাইফুর মণ্ডল। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেটের সংস্রব রয়েছে বলেই পুলিস ও গোয়েন্দাদের সন্দেহ। সে উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ বিভিন্ন ধরনের মাদক উত্তরবঙ্গে পাচার করছে বলে অভিযোগ। ফেরার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ কার্যকরী করতে তৎপর দার্জিলিং জেলা পুলিস। তারা এ ব্যাপারে অসম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
Advertisement
মাদক পাচারের ওই মামলা ফাঁসিদেওয়া থানায় রয়েছে। সরকার পক্ষের আইনজীবী নিলয় রায় বলেন, ওই মামলায় ফেরার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারির নির্দেশ আদালত দিয়েছে। ফাঁসিদেওয়া থানার ওসি ইফতিকার উল হোসেন বলেন, মাদক পাচারের মামলায় অসমের এক অভিযুক্ত এখনও অধরা। আদালতের নির্দেশ কার্যকরী করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
দু’বছর আগে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিস বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দু’জনকে পাকড়াও করে। সেখান থেকে ছয়ফুর পালিয়ে যায়। পুলিসের রিপোর্টের ভিত্তিতের ফেরার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালত হুলিয়া জারির নির্দেশ দিয়েছে। আদালত সূত্রের খবর, গত ২০২২ সালের ১৩ অক্টোবর ফাঁসিদেওয়ায় মাদকের কনসাইনমেন্ট সহ তিনজন জড়ো হয়। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে আবুবক্কার মণ্ডল ও মহম্মদ হাফিজুল নামে দু’জনকে সশস্ত্র সীমাসুরক্ষা বল (এসএসবি) ধরলেও ছয়ফুর পালিয়ে যায়। এসএসবির অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিস। তারা আবুবক্কর ও হাফিজুলকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের কাছ থেকে ২৫ প্যাকেট ইয়াবা ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত করা হয়। তাতে মোট ট্যাবলেটের সংখ্যা ছিল ৫২৫০ পিস। তদন্তে নেমে পুলিস একাধিকবার অভিযান চালিয়েও ছয়ফুরের নাগাল পায়নি। সম্প্রতি ছয়ফুরকে ফেরার দেখিয়েই সংশ্লিষ্ট মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করে পুলিস। গত ১৪ নভেম্বর মামলার শুনানি হয়। ওই দিন আদালত ফেরার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারির নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৬ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানিতে এ ব্যাপারে পুলিসকে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
পুলিস জানিয়েছে, ফেরার অভিযুক্তের সম্পত্তির পরিমাণও নির্ধারণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেশী রাজ্য অসম পুলিসের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হবে।
দীর্ঘদিন ধরে ফেরার ওই মাদক পাচারকারীর বিরুদ্ধে পুলিস চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। পুলিস সূত্রের খবর, অসমের ধুবড়িতে ফেরার অভিযুক্তের বাড়ি। তার সঙ্গে মায়ানমারে ঘাঁটি গেড়ে থাকা মাদক কারবারিদের যোগাযোগ রয়েছে বলেই সন্দেহ। সেখান থেকে সে চোরাপথে ইয়াবা ট্যাবলেট অসমে আনছে। তা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় চালান করছে বলে অভিযোগ। কাজেই, সে মাদক পাচারে অসম সিন্ডিকেটের অন্যতম মাথা বলেই মনে হচ্ছে।
দু’বছর আগে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিস বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দু’জনকে পাকড়াও করে। সেখান থেকে ছয়ফুর পালিয়ে যায়। পুলিসের রিপোর্টের ভিত্তিতের ফেরার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালত হুলিয়া জারির নির্দেশ দিয়েছে। আদালত সূত্রের খবর, গত ২০২২ সালের ১৩ অক্টোবর ফাঁসিদেওয়ায় মাদকের কনসাইনমেন্ট সহ তিনজন জড়ো হয়। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে আবুবক্কার মণ্ডল ও মহম্মদ হাফিজুল নামে দু’জনকে সশস্ত্র সীমাসুরক্ষা বল (এসএসবি) ধরলেও ছয়ফুর পালিয়ে যায়। এসএসবির অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিস। তারা আবুবক্কর ও হাফিজুলকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের কাছ থেকে ২৫ প্যাকেট ইয়াবা ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত করা হয়। তাতে মোট ট্যাবলেটের সংখ্যা ছিল ৫২৫০ পিস। তদন্তে নেমে পুলিস একাধিকবার অভিযান চালিয়েও ছয়ফুরের নাগাল পায়নি। সম্প্রতি ছয়ফুরকে ফেরার দেখিয়েই সংশ্লিষ্ট মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করে পুলিস। গত ১৪ নভেম্বর মামলার শুনানি হয়। ওই দিন আদালত ফেরার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারির নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ৬ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানিতে এ ব্যাপারে পুলিসকে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
পুলিস জানিয়েছে, ফেরার অভিযুক্তের সম্পত্তির পরিমাণও নির্ধারণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেশী রাজ্য অসম পুলিসের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হবে।
দীর্ঘদিন ধরে ফেরার ওই মাদক পাচারকারীর বিরুদ্ধে পুলিস চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। পুলিস সূত্রের খবর, অসমের ধুবড়িতে ফেরার অভিযুক্তের বাড়ি। তার সঙ্গে মায়ানমারে ঘাঁটি গেড়ে থাকা মাদক কারবারিদের যোগাযোগ রয়েছে বলেই সন্দেহ। সেখান থেকে সে চোরাপথে ইয়াবা ট্যাবলেট অসমে আনছে। তা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় চালান করছে বলে অভিযোগ। কাজেই, সে মাদক পাচারে অসম সিন্ডিকেটের অন্যতম মাথা বলেই মনে হচ্ছে।



