সংবাদদাতা, মালবাজার: ঘর থেকে কন্ট্রোল হতো ডুয়ার্স ও পাহাড়ের নেশার কারবার। মাদক থেকে নানা নেশার সামগ্রী অবাধ ডিলার সে। কারবারিদের মাঝে বেশ নাম-ডাক। এতদিন সেই মহম্মদ রহিমের গতিবিধির উপর পুলিসের নজর ছিল। শনিবার সেই চক্রীকে ধরতে ‘যৌথ অ্যাকশনে’ নামে পুলিস ও প্রশাসন। উদ্ধার হয় প্রচুর মাদক। বাড়িতে পাওয়া যায় কানপুরে তৈরি হওয়া বন্দুক। যদিও নাগাল পাওয়া যায়নি অভিযুক্তের। রাত দুটো নাগাদ মাল ব্লকের ডামডিম হাট এলাকায় অভিযান করে এই নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ, ট্যাবলেট সহ আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস। যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। অভিযুক্তকে ধরতে খোঁজ চালাচ্ছে পুলিস।
Advertisement
মহম্মদ রহিমের মাদক কারবারের ব্যপারে পুলিসের কাছে খবর ছিলই। সেই মতোই গভীর রাতে মহকুমা পুলিস আধিকারিক রোশন প্রদীপ দেশমুখ এবং মাল থানার আইসি সৌম্যজিৎ মল্লিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চলে। মহম্মদ রহিমের বাড়ি ঘিরে ফেলে মালবাজার থানার পুলিসের বিশাল বাহিনী। তবে ওই বাড়িতে কেউ ছিল না। তাই স্থানীয়দের উপস্থিতিতে দরজা ভেঙে বাড়িতে ঢোকে পুলিস। এরপর বিডিও রশ্মিদীপ্ত বিশ্বাসের উপস্থিতিতে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে গিয়ে কার্যত চক্ষু চরকগাছ কর্তাদের। রান্নাঘরের টিনের চালে ত্রিপলের আড়ালে রাখা ছিল ২৪টি বাক্স। তা থেকে ৫৭৫২টি নিষিদ্ধ ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে। মিলেছে ১০৭৮ বোতল নিষিদ্ধ কাফ সিরাপের বোতল। এছাড়াও ঘর থেকে দুটো সোনার চেন ও একটি সোনার ব্রেসলেট উদ্ধার হয়েছে।
এই ব্যাপারে জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খন্ডবাহলে উমেশ গনপত বলেন, ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েতের ডামডিম হাট এলাকায় বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। সেখানে মহম্মদ রহিমের বাড়ি থেকে নিষিদ্ধ ট্যাবলেট, কাফ সিরাপ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। উদ্ধার হয় একটি পয়েন্ট ৩২ ক্যালিবার রিভলবার।
কিছুদিন ধরে রহিমের গতিবিধির উপর নজর ছিল পুলিসের। প্রতিদিন অজ্ঞাত পরিচয় যুবকদের আনাগোনা দেখা যেত অভিযুক্তের বাড়িতে। নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ, ট্যাবলেটগুলি রহিম পাহাড় ও ডুয়ার্সের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি করত বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই মহম্মদ রহিমের যাবতীয় সরকারি পরিচয়পত্র এবং নথি বাজেয়াপ্ত করেছে মালবাজার থানার পুলিস। এমনকি রহিমের বাড়িতে রাখা তিনটি মোটরসাইকেল ও একটি স্কুটার পুলিস হেপাজতে নিয়েছে।
এই ব্যাপারে জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খন্ডবাহলে উমেশ গনপত বলেন, ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েতের ডামডিম হাট এলাকায় বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। সেখানে মহম্মদ রহিমের বাড়ি থেকে নিষিদ্ধ ট্যাবলেট, কাফ সিরাপ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। উদ্ধার হয় একটি পয়েন্ট ৩২ ক্যালিবার রিভলবার।
কিছুদিন ধরে রহিমের গতিবিধির উপর নজর ছিল পুলিসের। প্রতিদিন অজ্ঞাত পরিচয় যুবকদের আনাগোনা দেখা যেত অভিযুক্তের বাড়িতে। নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ, ট্যাবলেটগুলি রহিম পাহাড় ও ডুয়ার্সের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি করত বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই মহম্মদ রহিমের যাবতীয় সরকারি পরিচয়পত্র এবং নথি বাজেয়াপ্ত করেছে মালবাজার থানার পুলিস। এমনকি রহিমের বাড়িতে রাখা তিনটি মোটরসাইকেল ও একটি স্কুটার পুলিস হেপাজতে নিয়েছে।



