সংবাদদাতা, ফালাকাটা: মেলায় মাদক খাইয়ে নাবালিকাকে অচৈতন্য করে গণধর্ষণে অভিযুক্ত চার নাবালককে বুধবার গ্রেপ্তার করল ফালাকাটা থানার পুলিস। বাকি দুই অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিস। ফালাকাটায় পরপর এই ধরনের ঘটনায় ক্ষোভ জমেছে সাধারণ মানুষের মনে। যদিও, পুলিস অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করায় তা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। নাবালিকার পরিবার অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি চেয়েছে। স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ২নভেম্বর ব্লকের ফালাকাটা-২ গ্রামপঞ্চায়েতের একটি চা বাগানে আদিবাসী মেলা বসে। ওই নাবালিকাকে তারই ক্লাসের কয়েক জন বন্ধু মেলায় ঘুরতে নিয়ে যায়। রাত বাড়তে থাকলে বন্ধুরাও নেশার দাবি করতে থাকে।
Advertisement
অভিযোগ, রাত ১০-১১ নাগাদ ওই নাবালিকাকে ছ’জন মিলে জোরকরে নেশা জাতীয় সামগ্রী খাইয়ে অচৈতন্য করে। পরে সকলের আড়ালে মেলা থেকে তাকে বের করে। পাশে কয়েকশো মিটার দূরে রয়েছে একটি চা বাগান। সেখানে ওই ছয়জন নাবালিকাকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। প্রথমে নাবালিকা তার পরিবারকে কিছুই জানায়নি। একসপ্তাহ পর নাবালিকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। সোমবার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে বুধবার চার অভিযুক্ত নাবালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। বাকি দুই অভিযুক্তর খোঁজ চলছে। আইসি সমিত তালুকদার বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে চার নাবালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জুভেনাইল কোর্টে তোলা হয়।
অপরদিকে, আলিপুরদুয়ার জেলার জায়গাঁ, কুমারগ্রাম, কালচিনির মতো ফালাকাটার ধনিরামপুরের খগেনহাট, শালকুমারের পর ফালাকাটা ২ গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় জেলার বাসিন্দাদের মধ্য ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তেমনই দেড় মাসের মধ্যে ফালাকাটায় পরপর তিনটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলনে নামবে বলেও জানানো হয়েছে।
অপরদিকে, আলিপুরদুয়ার জেলার জায়গাঁ, কুমারগ্রাম, কালচিনির মতো ফালাকাটার ধনিরামপুরের খগেনহাট, শালকুমারের পর ফালাকাটা ২ গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় জেলার বাসিন্দাদের মধ্য ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তেমনই দেড় মাসের মধ্যে ফালাকাটায় পরপর তিনটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলনে নামবে বলেও জানানো হয়েছে।



