নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: এবছর মালদহে নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। অবাধ টোকাটুকি প্রশ্নফাঁসের চেনা ছবির কার্যত শাপমোচন হয়েছে বলেও বিভিন্ন মহল মন্তব্য করে। এই আবহের মধ্যেই শনিবার একটি অভিযোগপত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। যদিও ‘বর্তমান’ সেই চিঠির সত্যতা যাচাই করেনি। যেখানে মাধ্যমিক পরীক্ষার মালদহ জেলা আহ্বায়কের বিরুদ্ধে অভব্য আচরণের অভিযোগ জানানো হয়েছে জেলাশাসকের কাছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষে হঠাৎ ভাইরাল হওয়া চিঠি নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। তবে কি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়া মাধ্যমিক পরীক্ষার আবহকে নষ্ট করতেই চক্রান্ত চালাচ্ছে কোনও মহল। মাধ্যমিকের মালদহ জেলার আহ্বায়ক বিপ্লব গুপ্ত এবিষয়ে বলেন, আমি মাধ্যমিকের আহ্বায়ক। আমি পর্ষদ দ্বারা নির্বাচিত। কাজেই এনিয়ে যা বলার পর্ষদ সভাপতি বলবেন।
Advertisement
জেলাশাসককে উদ্দেশ্য করে ১৮ ফেব্রুয়ারি কয়েকজন অভিভাবক জেলাশাসকের কার্যালয়ে একটি অভিযোগপত্র দেন। যেখানে দাবি করা হয়, ‘১৫ ফেব্রুয়ারি মালদহের কালিয়াচকের জালালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আমাদের ছেলেমেয়েরা উপস্থিত হয়। কিন্তু একটা নীল বাতি গাড়িতে তিন জন বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ছাত্রছাত্রীদের ফ্রিস্কিংয়ের (তল্লাশি) জায়গায় চলে যান। তারপর আমাদের ছেলেমেয়েরা কাঁদতে কাঁদতে এসে আমাদের জানায়, দু’জন ম্যাডাম এবং একজন পুরুষ আমাদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেছেন।’ জেলাশাসককে লেখা অভিযোগপত্রে একজন মহিলা সহ মাধ্যমিকের আহ্বায়ক বিপ্লব গুপ্তের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিপ্লববাবু বলেন, সময়ই সবকিছু বলবে। আমি আমার দায়িত্ব সততার সঙ্গে পালন করেছি। ছাত্রছাত্রীরা আমার সন্তানসম। তবে বিষয়টি নিয়ে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন মালদহ জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস। তিনি বলেন, অবশ্যই এর তদন্ত হবে।



