সংবাদদাতা, চোপড়া: টুকলি করতে বাধা দেওয়ায় মাধ্যমিক পরীক্ষার শেষদিনে স্কুলে ভাঙচুর চালালো পরীক্ষার্থীরা। দুটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের ‘অসভ্যতায়’ শোরগোল পড়ে গিয়েছে চোপড়ায়।
Advertisement
দাসপাড়া হাইস্কুলে সিট পড়ে লক্ষ্মীপুর হাইস্কুলের ছাত্রদের। অভিযোগ, পরীক্ষা শেষে দাসপাড়া হাইস্কুলের শ্রেণিকক্ষের দরজা ভেঙে দেয় একদল ছাত্র। শৌচালয়ে জলের পাইপও ফাটিয়ে দেয়। দাসপাড়া স্কুলের শিক্ষকদের দাবি, নকল করতে বাধা পাওয়ায় পরীক্ষার্থীদের একাংশ ভাঙচুর চালিয়েছে। দাসপাড়া হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, এদিন ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষা ছিল। ছাত্রদের একাংশ এই ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। স্কুলের কিছু ক্ষতি হয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আমরা বিষয়টি জানিয়েছি। লক্ষ্মীপুর হাইস্কুলকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। ভাঙচুরের খবর পেয়ে স্কুলে আসে চোপড়া থানার দাসপাড়া ফাঁড়ির পুলিস। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
লক্ষ্মীপুর হাইস্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন পরীক্ষা শুরুর আগেই ছাত্রদের সচেতন করা হয়েছিল। তাসত্ত্বেও দু-একজন বিশৃঙ্খলা করেছে। ঘটনাটি দুঃখজনক।
পরীক্ষা শেষে টাটু সিংহ স্মৃতি হাইস্কুল থেকে বেরিয়ে পরীক্ষার্থীদের একাংশ বাজি পটকা ফাটায়। এই স্কুলে সিট পড়েছিল চোপড়া হাইস্কুলের পড়ুয়াদের। কয়েকজন পড়ুয়া গেটের দিকে বাজি ফেলে দেওয়ায় দুই পরীক্ষার্থী জখম হয়েছে। তাদের দলুয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও পুলিস প্রশাসনের দাবি, দু-একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া গোটা ব্লকে এদিন শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা শেষ হয়েছে। একই বক্তব্য ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকদেরও।
লক্ষ্মীপুর হাইস্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন পরীক্ষা শুরুর আগেই ছাত্রদের সচেতন করা হয়েছিল। তাসত্ত্বেও দু-একজন বিশৃঙ্খলা করেছে। ঘটনাটি দুঃখজনক।
পরীক্ষা শেষে টাটু সিংহ স্মৃতি হাইস্কুল থেকে বেরিয়ে পরীক্ষার্থীদের একাংশ বাজি পটকা ফাটায়। এই স্কুলে সিট পড়েছিল চোপড়া হাইস্কুলের পড়ুয়াদের। কয়েকজন পড়ুয়া গেটের দিকে বাজি ফেলে দেওয়ায় দুই পরীক্ষার্থী জখম হয়েছে। তাদের দলুয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও পুলিস প্রশাসনের দাবি, দু-একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া গোটা ব্লকে এদিন শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা শেষ হয়েছে। একই বক্তব্য ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকদেরও।



