সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল ১১টা বেজে গিয়েছে। স্কুলে চলছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। অথচ, প্রধান গেট খোলা। সেই গেটে নেই নজরদারিও। সোমবার ইতিহাস পরীক্ষার দিন এ নিয়ে বিতর্ক বাঁধে। ঘটনাটি ঘটেছে কুমারগ্রাম ব্লকের কুমারগ্রামদুয়ার বালিকা বিদ্যালয়ে। পরে সাড়ে এগারোটা নাগাদ স্কুলের প্রধান গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিভাবকরা এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
Advertisement
এই স্কুলটি কুমারগ্রাম নিউএমপি সেন্টারের অধীন। কুমারগ্রাম আদর্শ হিন্দি হাইস্কুলের ১৬৩ জন ছাত্রছাত্রীর সিট পড়েছে কুমারগ্রামদুয়ার বালিকা বিদ্যালয়ে। কুমারগ্রাম থানার পাশে স্কুলটি অবস্থিত। কিন্তু, পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলের প্রধানগেট খোলা থাকায় পরীক্ষাকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পুলিসের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে। যদিও সেখানে নির্বিঘ্নেই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।যদিও বিষয়টি নিয়ে কুমারগ্রাম থানার আইসি শমীক চট্টোপাধ্যায় বলেন, পরীক্ষার সময় সব পরীক্ষাকেন্দ্রে গেট বন্ধ রাখা হয়। যেহেতু থানার পাশেই এই স্কুল, তাই গেটটি সবসময় বন্ধ রাখা হয়নি। কোনও সমস্যা হলে থানা থেকে সঙ্গে সঙ্গে পুলিস পৌঁছে যেতে পারবে। তবে স্কুলগেটে বহিরাগত কাউকেই দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি।
কুমারগ্রাম নিউএমপি সেন্টারের সেন্টার সেক্রেটারি তথা কুমারগ্রাম মদনসিং হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষক দীপক দাস বলেন, কুমারগ্রামদুয়ার বালিকা বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলগেট খোলা থাকার বিষয়টি আমার জানা নেই। ওই স্কুলের শিক্ষিকাদের সঙ্গে কথা বলে খোঁজখবর নেব। এরপর যেন এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সেই বিষয়ে আমরা সতর্ক থাকব। অভিভাকদের মন্তব্য, মাধ্যমিকের মতো গুরত্বপূর্ণ পরীক্ষায় আটোসাটো নিরাপত্তা থাকা বাঞ্চনীয়। অথচ পরীক্ষা শুরু হয়ে যাওয়ার পরও কেন গেট খোলা থাকবে, বহিরাগত ঢুকে পরীক্ষা বাঞ্চাল বা নকল সাপ্লাই করলে সেটার দায় কে নিত! এই ব্যাপারে আলিপুরদুয়ার জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) ডঃ আহশানুল করিম বলেন, মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলের গেট বন্ধ রাখা উচিত ছিল। কেন এমনটা হল, তা খোঁজ নিয়ে দেখব।
কুমারগ্রাম নিউএমপি সেন্টারের সেন্টার সেক্রেটারি তথা কুমারগ্রাম মদনসিং হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষক দীপক দাস বলেন, কুমারগ্রামদুয়ার বালিকা বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলগেট খোলা থাকার বিষয়টি আমার জানা নেই। ওই স্কুলের শিক্ষিকাদের সঙ্গে কথা বলে খোঁজখবর নেব। এরপর যেন এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সেই বিষয়ে আমরা সতর্ক থাকব। অভিভাকদের মন্তব্য, মাধ্যমিকের মতো গুরত্বপূর্ণ পরীক্ষায় আটোসাটো নিরাপত্তা থাকা বাঞ্চনীয়। অথচ পরীক্ষা শুরু হয়ে যাওয়ার পরও কেন গেট খোলা থাকবে, বহিরাগত ঢুকে পরীক্ষা বাঞ্চাল বা নকল সাপ্লাই করলে সেটার দায় কে নিত! এই ব্যাপারে আলিপুরদুয়ার জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) ডঃ আহশানুল করিম বলেন, মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন স্কুলের গেট বন্ধ রাখা উচিত ছিল। কেন এমনটা হল, তা খোঁজ নিয়ে দেখব।



