নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যার নিরিখে কয়েক বছর আগেই ছাত্রদের টপকে গিয়েছিল ছাত্রীরা। পশ্চিম বর্ধমান জেলার মেয়েদের শিক্ষার প্রতি এই ঝোঁক শিক্ষাবিদদের স্বস্তি দিয়েছিল। কিন্তু এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হতেই সেই স্বস্তি উধাও! প্রতি পরীক্ষাতেই ছাত্রীদের অনুপস্থিতির হার বাড়ছে। এবিষয়ে চিন্তায় পড়েছে শিক্ষাদপ্তরও। মঙ্গলবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৫১৫জন পড়ুয়া অনুপস্থিত ছিল। তারমধ্যে ৪০৫জনই ছাত্রী। খোঁজ নিতেই জানা গিয়েছে, খুবই সামান্য কারণে ছাত্রীরা পরীক্ষার হলে গরহাজির থাকছে। কেউ পেটে ব্যাথার জন্য পরীক্ষা দিতে যায়নি। কেউ আবার ঋতুস্রাবের জন্য পরীক্ষায় অনুপস্থিত। সচেতনতার অভাবেই কি বাড়ছে অনুপস্থিতি? এনিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক(শিক্ষা) সঞ্জয় পাল বলেন, ছাত্রী অনুপস্থিতির কারণটি খতিয়ে দেখা হবে। কোনওরকম শারীরিক সমস্যা থাকলে স্কুলকে জানালেই তারজন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। অভিভাবকদের বিষয়টি নিয়ে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
পশ্চিম বর্ধমান জেলার জন্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ৩০ হাজার ৯৯৮টি সিট অ্যালট করেছে। অর্থাৎ, এত সংখ্যক পড়ুয়া পরীক্ষার জন্য ফর্ম ফিল-আপ করেছে। তারমধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৩৬৫ ও ছাত্র ১৩ হাজার ৬৩৩ জন। ছাত্রীদের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন হাজার বেশি। প্রথম দিনের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ৪৭৯ জন পড়ুয়া। তারমধ্যে ৩৭৯ জনই মেয়ে। দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষায় মোট ৪৯২জন অনুপস্থিতের মধ্যে ৩৯২ জন ছাত্রী। তৃতীয় দিনের পরীক্ষায় ৫০৯ জন অনুপস্থিত। তারমধ্যে ৪০২ জন ছাত্রী অনুপস্থিত। চতুর্থ দিনের পরীক্ষায় পড়ুয়া অনুপস্থিত ছিল ৫১৪ জন। তারমধ্যে ৪০৪ জন ছাত্রী। এদিন ছাত্রী অনুপস্থিতির সংখ্যা আরও একটু বেড়েছে।
অনুপস্থিতির কারণ খুঁজতে মিঠানি হাইস্কুলের তরফে জানা যায়, তিনজন ছাত্রী অনুপস্থিত। তাদের মধ্যে দু’জনের পেটে ব্যাথা, অন্যজনের স্মলপক্স হয়েছে। অভিভাবকরা স্কুল বা পর্ষদ কাউকেই অসুস্থতার খবর জানায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি স্কুলের একাধিক পড়ুয়া ঋতুস্রাবের জন্য পরীক্ষায় গরহাজির থেকেছে।
মাধ্যমিক পরীক্ষার জেলা কনভেনর রাজীব মুখোপাধ্যায় বলেন, এদিনও তিন পরীক্ষার্থী হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা দিয়েছে। কোনও পড়ুয়ার সমস্যা হলে বোর্ডকে জানালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
পশ্চিম বর্ধমান জেলার জন্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ৩০ হাজার ৯৯৮টি সিট অ্যালট করেছে। অর্থাৎ, এত সংখ্যক পড়ুয়া পরীক্ষার জন্য ফর্ম ফিল-আপ করেছে। তারমধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৩৬৫ ও ছাত্র ১৩ হাজার ৬৩৩ জন। ছাত্রীদের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন হাজার বেশি। প্রথম দিনের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ৪৭৯ জন পড়ুয়া। তারমধ্যে ৩৭৯ জনই মেয়ে। দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষায় মোট ৪৯২জন অনুপস্থিতের মধ্যে ৩৯২ জন ছাত্রী। তৃতীয় দিনের পরীক্ষায় ৫০৯ জন অনুপস্থিত। তারমধ্যে ৪০২ জন ছাত্রী অনুপস্থিত। চতুর্থ দিনের পরীক্ষায় পড়ুয়া অনুপস্থিত ছিল ৫১৪ জন। তারমধ্যে ৪০৪ জন ছাত্রী। এদিন ছাত্রী অনুপস্থিতির সংখ্যা আরও একটু বেড়েছে।
অনুপস্থিতির কারণ খুঁজতে মিঠানি হাইস্কুলের তরফে জানা যায়, তিনজন ছাত্রী অনুপস্থিত। তাদের মধ্যে দু’জনের পেটে ব্যাথা, অন্যজনের স্মলপক্স হয়েছে। অভিভাবকরা স্কুল বা পর্ষদ কাউকেই অসুস্থতার খবর জানায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি স্কুলের একাধিক পড়ুয়া ঋতুস্রাবের জন্য পরীক্ষায় গরহাজির থেকেছে।
মাধ্যমিক পরীক্ষার জেলা কনভেনর রাজীব মুখোপাধ্যায় বলেন, এদিনও তিন পরীক্ষার্থী হাসপাতাল থেকে পরীক্ষা দিয়েছে। কোনও পড়ুয়ার সমস্যা হলে বোর্ডকে জানালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।



