Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মিড-ডে মিল: হোটেল ম্যানেজমেন্ট কর্মীদের দিয়ে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ

মিড-ডে মিল: হোটেল ম্যানেজমেন্ট কর্মীদের দিয়ে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ
  • ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: খরচ এক। একটু প্রশিক্ষণ থাকলেই বদলে যাবে মিড ডে মিলের স্বাদ। পড়ুয়াদের সুস্বাদু খাবার দিতে হোটেল ম্যানেজমেন্টের কর্মীদের দিয়ে স্বনির্ভরগোষ্ঠীর মহিলাদের রান্নার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তাঁরা বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে রান্নার বিভিন্ন পদ তৈরি করা শেখাবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মিড ডে মিলে ভাত দেওয়া হয়। কয়েকটি টাকা অতিরিক্ত খরচ করলেই সেই ভাতের স্বাদ বদলে যাবে। প্রতিদিনই কোনও না কোনও তরকারি রান্না করা হয়। সেই টাকাতেই জুস তৈরি করে খাবারের স্বাদ বদলানো যায়। জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, প্রশিক্ষণ দিলেই একই খরচে বিভিন্ন পদ স্কুলগুলি রান্না করতে পারবে। কিছু দিনের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ শুরু করব।
Advertisement
শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মিড ডে মিলের জন্য মেনু তৈরি করা হবে। সেই তালিকা ধরেই রান্না করতে হবে। সম্প্রতি ডিমের দাম বেড়ে যাওয়ায় স্কুলগুলি বিপাকে পড়েছে। যদিও আধিকারিকদের দাবি, ডিমের দাম সব সময় একই রকম থাকে না। তাছাড়া শীতকালে শাক সব্জির দাম কম থাকে। তাই মিড ডে মিল রান্না করতে তেমন অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার বলেন, খাবারের স্বাদ বদল করা হলে পড়ুয়ারা খুশিই হবে। কিছু স্কুল প্রতিদিনই একই পদ রান্না করে। তা ছাত্রছাত্রীদের কাছে একঘেঁয়ে হয়ে যায়। কিন্তু, স্বাদ বদল করা হলে ছাত্রছাত্রীরা তা খেতে পছন্দ করবে। স্কুলগুলি কিচেন গার্ডেন তৈরি করছে। বহু স্কুলেই বিভিন্ন ধরনের সব্জি চাষ হচ্ছে। ওই স্কুলগুলির মিড ডে মিল চালাতে অসুবিধা নেই। স্কুলগুলি সদর্থক ভূমিকা নিলে কোনও সমস্যা হবে না। মিড ডে মিলের মান যাচাই করার জন্য আধিকারিকরা বিভিন্ন স্কুলে যাচ্ছেন। খোদ জেলাশাসক নিজে স্কুলে গিয়ে রান্না খেয়ে দেখেছেন। কিছু পরামর্শও তিনি স্কুলগুলিকে দিয়েছেন। এক আধিকারিক বলেন, হোটেল ম্যানেজমেন্টের কর্মীরা দক্ষ। তাঁরা প্রশিক্ষণ দিলে মিড ডে মিল আরও ভালোভাবে চালানো যেতে পারে। দুর্গাপুরের কোনও হোটেল ম্যানেজমেন্ট কলেজের কর্মীদের দিয়ে এই কাজ করানো হবে। তাঁরা অল্প কয়েকজনকে প্রশিক্ষণ দেবেন। তাঁরা আবার স্কুলগুলিতে যাবেন। সুস্বাদু রান্না করার জন্য অতিরিক্ত খরচ করার দরকার হবে না। তা পুষ্টিকরও হবে। পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের বিষয়টি দে঩খেই মেনু ঠিক করা হবে। প্রথমে পাইলট হিসেবে কয়েকটি স্কুলে তা চালু হবে। পরে ধাপে ধাপে সব স্কুলগুলি঩তেই রান্নায় বদল আনা হবে। জেলাশাসক বলেন, কীভাবে পুরো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে, তা ঠিক করতে বৈঠক করা হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ