নয়াদিল্লি: আচ্ছে দিনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। কিন্তু ১১ বছরেই স্বপ্নভঙ্গ। সাধারণ মানুষ এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে যে, মোদি জমানায় তাঁদের অবস্থার কোনও উন্নতি হবে না। বরং দিনকে দিন খারাপ হবে পরিস্থিতি। সাধারণ বাজেটের প্রাক্কালে একটি সমীক্ষা রিপোর্টে উঠে এল এমনই তথ্য। মোদি সরকারের উপরে আরও বেশি সংখ্যক মানুষের হতাশার চিত্র রিপোর্টের পরতে পরতে ফুটে উঠেছে। শনিবার সাধারণ বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তার আগে এই তথ্য কেন্দ্রের শাসক দলের অস্বস্তি বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট।
Advertisement
২০১৩ সালের পরে এমন তীব্র হতাশা কখনও দেখা যায়নি সাধারণ মানুষের মধ্যে। অর্থাৎ দ্বিতীয় ইউপিএ জমানার একেবারে শেষ লগ্নে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ ও জোট সরকারের দুর্বলতা হতাশ করেছিল সাধারণ মানুষকে। ‘আচ্ছে দিনে’র ধুয়ো তুলে ২০১৪ সাল থেকে মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। কিন্তু ২০২৫ সালে এসে মানুষের স্বপ্নভঙ্গ আরও প্রকট হয়ে উঠল।
সম্প্রতি দেশজুড়ে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের উপর একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল সি-ভোটার। সেখানেই সামনে এসেছে মোদি সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের হতাশার ছবিটি। দিনকে দিন রকেট গতিতে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। অথচ মানুষের আয় বাড়ছে না। এই পরিস্থিতিতে সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৩৭ শতাংশের আশঙ্কা, আগামী দিনে আরও খারাপ হবে আম আদমির জীবনযাত্রার মান। এছাড়া প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের মতে, মূল্যবৃদ্ধি এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি এবং মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে দাম বেড়েছে। অন্যদিকে, মূল্যবৃদ্ধির থাবা তাঁদের জীবনযাত্রায় বিরূপ প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন অর্ধেকেরও বেশি উত্তরদাতা।
সম্প্রতি দেশজুড়ে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের উপর একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল সি-ভোটার। সেখানেই সামনে এসেছে মোদি সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের হতাশার ছবিটি। দিনকে দিন রকেট গতিতে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম। অথচ মানুষের আয় বাড়ছে না। এই পরিস্থিতিতে সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৩৭ শতাংশের আশঙ্কা, আগামী দিনে আরও খারাপ হবে আম আদমির জীবনযাত্রার মান। এছাড়া প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের মতে, মূল্যবৃদ্ধি এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি এবং মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে দাম বেড়েছে। অন্যদিকে, মূল্যবৃদ্ধির থাবা তাঁদের জীবনযাত্রায় বিরূপ প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন অর্ধেকেরও বেশি উত্তরদাতা।



