সংবাদদাতা, মালদহ: মিড ডে মিলে সপ্তাহে তিন দিন ডিম। ফলে অনেক স্কুল মাদ্রাসাতেই বেড়েছে পড়ুয়াদের উপস্থিতি। আবার মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক বা অন্য কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মিড ডে মিল বন্ধ থাকলে ক্লাস চলাকালীন অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের পাতে প্রায় রোজই পড়ছে ডিম ভাত। তাতে খুশি ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও। মিড ডে মিলে ডিমের বরাদ্দ বৃদ্ধির ফলে পড়ুয়াদের পুষ্টির ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অনেকেই। তবে তাঁদের বক্তব্য, বছরের নির্দিষ্ট সময়ের পরিবর্তে সপ্তাহে তিন দিন না হলেও অন্তত ছ’মাস অথবা সারা বছরই সপ্তাহে দু’দিন করে ডিম দেওয়া হোক। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে পড়ুয়াদের পাতে পড়বে তিনটি করে ডিম। আগে প্রতি সপ্তাহে একদিন করে ডিমভাত দেওয়া হতো মিড ডে মিলে। মালদহের প্রায় সব স্কুল মাদ্রাসাতেই মিড ডে মিলে সপ্তাহে তিন দিন ডিম দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু হয়ে গিয়েছে। ডিমের বরাদ্দ বৃদ্ধিতে তারা যে রীতিমতো খুশি তা বোঝা গিয়েছে পড়ুয়াদের প্রতিক্রিয়াতেও।
Advertisement
মালদহে বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণির ছাত্রছাত্রী পিঙ্কি মাহাত, রেজিনা পারভিন, সুফল টুডু, কবিতা সরকার, মুরসালিম শেখরা জানিয়েছে, আগে সপ্তাহে একদিন ডিম মিলত। ওইদিন স্কুলে মাদ্রাসায় ক্লাসে হাজির থাকত প্রায় সব পড়ুয়াই। এখন স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, একদিন নয়, তিন দিনই দুপুরে ডিমভাত দেওয়া হবে। তাই রোজ যারা স্কুলে আসত না তারাও আসছে। বন্ধুদের রোজ স্কুলে পেয়ে খুশি সহপাঠীরাও।
কালিয়াচক-২ ব্লকের ডিএসকেবি হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মহম্মদ শরিফ আহমেদ বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানে উচ্চ মাধ্যমিক শুরু হচ্ছে ৩ মার্চ থেকে। তারপরেই রমজানের ছুটি শুরু হয়ে যাবে। আমাদের ছাত্রছাত্রীরা যেন ৩১ মার্চের মধ্যে তাদের প্রাপ্য অতিরিক্ত ১১টি ডিমই পায় তা নিশ্চিত করতে আমরা এখন রোজই তাদের ডিম তুলে দিচ্ছি। পড়ুয়াদের হাজিরাও লক্ষ্যণীয়ভাবে বেড়েছে। ইংলিশবাজারের জোত আরাপুর টিপাজানি আহ্লাদিনী ঘোষ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মানসী দত্ত বলেন, ডিমের বরাদ্দ বৃদ্ধি পাওয়ায় পড়ুয়াদের উপস্থিতি তো বেড়েইছে। তবে সারা বছরই অথবা অন্তত ছ’মাস সপ্তাহে অন্তত দু’দিন ডিম অথবা একদিন ডিম ও আরেকদিন মরশুমি ফল দেওয়া হলে আরও ভালো হতো।
মালদহের জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস বলেন, জেলায় রাজ্য সরকারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সপ্তাহে তিন দিন মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া হচ্ছে। এতে ছাত্রছাত্রী অভিভাবকদের দিক থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি আমাদের জানিয়েছে।
কালিয়াচক-২ ব্লকের ডিএসকেবি হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মহম্মদ শরিফ আহমেদ বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানে উচ্চ মাধ্যমিক শুরু হচ্ছে ৩ মার্চ থেকে। তারপরেই রমজানের ছুটি শুরু হয়ে যাবে। আমাদের ছাত্রছাত্রীরা যেন ৩১ মার্চের মধ্যে তাদের প্রাপ্য অতিরিক্ত ১১টি ডিমই পায় তা নিশ্চিত করতে আমরা এখন রোজই তাদের ডিম তুলে দিচ্ছি। পড়ুয়াদের হাজিরাও লক্ষ্যণীয়ভাবে বেড়েছে। ইংলিশবাজারের জোত আরাপুর টিপাজানি আহ্লাদিনী ঘোষ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মানসী দত্ত বলেন, ডিমের বরাদ্দ বৃদ্ধি পাওয়ায় পড়ুয়াদের উপস্থিতি তো বেড়েইছে। তবে সারা বছরই অথবা অন্তত ছ’মাস সপ্তাহে অন্তত দু’দিন ডিম অথবা একদিন ডিম ও আরেকদিন মরশুমি ফল দেওয়া হলে আরও ভালো হতো।
মালদহের জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস বলেন, জেলায় রাজ্য সরকারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সপ্তাহে তিন দিন মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া হচ্ছে। এতে ছাত্রছাত্রী অভিভাবকদের দিক থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি আমাদের জানিয়েছে।



