নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বাঁকুড়া শহরের মাচানতলা থেকে রানিগঞ্জ মোড় পর্যন্ত রাস্তাকে খুব তাড়াতাড়ি ‘গ্রিন জোন’ হিসেবে ঘোষণা করতে চলেছে পুরসভা। রাস্তার দু’পাশে সব রকমের প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ, থার্মোকল সহ ওই ধরনের সামগ্রী ব্যবহার ও বিক্রি বন্ধ করা হবে। ওই রাস্তার পাশেই রয়েছে শহর তথা জেলার অন্যতম বড় ব্যবসার কেন্দ্র চকবাজার। সেখানে প্লাস্টিকের সামগ্রী বিক্রি বন্ধ হলে তার বড় প্রভাব পড়বে বলে অনেকেই মনে করছেন।
Advertisement
তবে এর আগে রাজ্যের অন্য শহরের মতো বাঁকুড়াতেও ঢাকঢোল পিটিয়ে পলিব্যাগ ব্যবহার বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কয়েকদিন অভিযান, ধরপাকড়ও চলে। কিন্তু এখন ফের শহরজুড়ে পলিব্যাগের রমরমা। তাই পুরসভার নতুন উদ্যোগে অনেকেই ‘না আঁচালে বিশ্বাস নেই’ বলে মন্তব্য করছেন।
বাঁকুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অলকা সেন মজুমদার বলেন, নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে আমরা মাঝেমধ্যেই অভিযান চালাই। তবে এখনও শহরে তা ব্যবহার হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। শহরজুড়ে এনিয়ে ফের অভিযান চালানো হবে। আপাতত আমরা রানিগঞ্জ মোড় থেকে মাচানতলা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার দু’পাশে প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ, থার্মোকলের থালা-বাটি সহ পরিবেশ দূষণকারী নানা সামগ্রী ব্যবহার ও বিক্রি বন্ধ করব। আমরা ওই রাস্তাকে গ্রিন জোন হিসেবে ঘোষণা করতে চলেছি। আমরা কারও উপর জোরজুলুম চালানোর বিরোধী। তবে শহরের ভালোর জন্য অনেকসময় কঠোর পদক্ষেপ করতে হয়। ব্যবসায়ী সমিতি, নাগরিক সহ সবার সহযোগিতা পাব বলে আশা করছি।
বাঁকুড়া শহরে বহুদিন ধরেই ক্ষতিকর প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ ব্যাপক হারে ব্যবহার হয়ে আসছে। শহরের ছোট-বড় সমস্ত খাবারের দোকানে ওই পলিব্যাগে ক্রেতাদের খাবার দেওয়া হয়। রাস্তার পাশে যে সমস্ত হকার ব্যবসা করছেন, তাঁরাও পলিব্যাগ থার্মোকলের সামগ্রী দেদার বিক্রি করেন। সেসব ব্যবহারের পর শহরের রাস্তাঘাটে ফেলে দেওয়া হয়। ওই সমস্ত পলিব্যাগ জমে নিকাশিনালা বুজে যায়। বর্ষার সময় নালা উপচে রাস্তায় নোংরা জল জমে যায়। ফলে শহরবাসী ভোগান্তির মুখে পড়েন। সেজন্য প্লাস্টিক, থার্মোকলের মতো পরিবেশ দূষণকারী সামগ্রী ব্যবহারে লাগাম টানার দাবি ওঠে। কয়েকমাস আগে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন শহরে এনিয়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার ও টানা অভিযান চলে। সেসময় এসব সামগ্রীর ব্যবহার কমেছিল। কিন্তু অভিযান কিছুটা শিথিল হতেই ফের পলিব্যাগ ও থার্মোকলের ব্যবহার বেড়েছে।
বাঁকুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অলকা সেন মজুমদার বলেন, নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে আমরা মাঝেমধ্যেই অভিযান চালাই। তবে এখনও শহরে তা ব্যবহার হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। শহরজুড়ে এনিয়ে ফের অভিযান চালানো হবে। আপাতত আমরা রানিগঞ্জ মোড় থেকে মাচানতলা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার দু’পাশে প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ, থার্মোকলের থালা-বাটি সহ পরিবেশ দূষণকারী নানা সামগ্রী ব্যবহার ও বিক্রি বন্ধ করব। আমরা ওই রাস্তাকে গ্রিন জোন হিসেবে ঘোষণা করতে চলেছি। আমরা কারও উপর জোরজুলুম চালানোর বিরোধী। তবে শহরের ভালোর জন্য অনেকসময় কঠোর পদক্ষেপ করতে হয়। ব্যবসায়ী সমিতি, নাগরিক সহ সবার সহযোগিতা পাব বলে আশা করছি।
বাঁকুড়া শহরে বহুদিন ধরেই ক্ষতিকর প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ ব্যাপক হারে ব্যবহার হয়ে আসছে। শহরের ছোট-বড় সমস্ত খাবারের দোকানে ওই পলিব্যাগে ক্রেতাদের খাবার দেওয়া হয়। রাস্তার পাশে যে সমস্ত হকার ব্যবসা করছেন, তাঁরাও পলিব্যাগ থার্মোকলের সামগ্রী দেদার বিক্রি করেন। সেসব ব্যবহারের পর শহরের রাস্তাঘাটে ফেলে দেওয়া হয়। ওই সমস্ত পলিব্যাগ জমে নিকাশিনালা বুজে যায়। বর্ষার সময় নালা উপচে রাস্তায় নোংরা জল জমে যায়। ফলে শহরবাসী ভোগান্তির মুখে পড়েন। সেজন্য প্লাস্টিক, থার্মোকলের মতো পরিবেশ দূষণকারী সামগ্রী ব্যবহারে লাগাম টানার দাবি ওঠে। কয়েকমাস আগে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন শহরে এনিয়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার ও টানা অভিযান চলে। সেসময় এসব সামগ্রীর ব্যবহার কমেছিল। কিন্তু অভিযান কিছুটা শিথিল হতেই ফের পলিব্যাগ ও থার্মোকলের ব্যবহার বেড়েছে।



