সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: মাছের আঁশ বিক্রি করে স্বনির্ভর হচ্ছে মৎস্যজীবীরা সহ সাধারণ মানুষও। মৎস্যজীবীরা সারাদিন বাজারে মাছ বিক্রি করার পর মাছের যে আঁশ পড়ে থাকে সেটা সংগ্রহ করে বাড়ি নিয়ে যান। পাইকাররা এসে সেই আঁশ টাকা দিয়ে সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন। পরবর্তীতে পাইকাররা শিলিগুড়িতে থাকা মহাজনের কাছে তা পাঠান। মৎস্য বিজ্ঞানীদের মতে, মাছের এই আঁশ দিয়ে বিভিন্ন কসমেটিক সামগ্রী, আঠা সহ বিশেষ কিছু দ্রব্য তৈরি হয়।
Advertisement
ময়নাগুড়ির দোমোহনির আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি নিজে বিভিন্ন বাজারে ঘুরে মাছের আঁশ সংগ্রহ করি। অনেক সময় মৎস্য চাষিদের বাড়ি থেকেও সংগ্রহ করে নিয়ে আসি। পরবর্তীতে সেই আঁশ ধুয়ে নিয়ে রোদে শুকোই। শুকানো হয়ে যাওয়ার পর সেটিকে বস্তায় ভরে শিলিগুড়ি পাঠাই। গাড়ি নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে গেলে অনলাইনে টাকা দিয়ে দেন সেই ব্যবসায়ী। বর্তমানে ৫৫ টাকা কেজি দরে আঁশ বিক্রি হচ্ছে। কোনও কোনও সময় বাজারদর বেড়েও যায়। এই ব্যবসা করে কিছুটা হলেও আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে পেরেছি।
ময়নাগুড়ির হাতিরবাড়ি এলাকার মাছ বিক্রেতা সুবল দাস বলেন, ময়নাগুড়ি বাজারে আমার মাছের দোকান আছে। বড় মাছ বিক্রি করার পর সেই আঁশ বাড়ি নিয়ে আসি। রোদে শুকিয়ে তা বিক্রি করে দেই। বাড়ি থেকেই পাইকাররা এসে শুকনো আঁশ সংগ্রহ করেন। মাছ বিক্রির পাশাপাশি মাছের আঁশ বিক্রি করেও লাভবান হওয়া যায়।
জলপাইগুড়ি জেলার মৎস্য বিজ্ঞানী ইন্দ্রনীল ঘোষ বলেন, দপ্তরে মৎস্যজীবীদের নিয়ে যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তাতে মাছের আঁশের ব্যাপারও বলা হয়। মাছ কাটার পর মাছের আঁশ মৎস্য বিক্রেতারা বাড়ি নিয়ে যাওয়ার ফলে একদিকে যেমন বাজার পরিষ্কার থাকে, অপরদিকে তাঁরা ওসব বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আরও কিছু লোক স্বনির্ভর হতে পারছে। বিভিন্ন কারখানায় মাছের আঁশ পৌঁছে যাচ্ছে। তা দিয়ে মালা, নকল মুক্তর মালা, মহিলাদের সাজাগোজার সামগ্রী, আঠা সহ বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি হচ্ছে। আমাদের প্রচেষ্টাই হল মৎস্য চাষিদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলা। এই ব্যবসা করে অনেকেই অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হচ্ছেন।
মৎস্য বিক্রেতাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বড় সাইজের রুই, কাতলা মাছ বাজারে সাধারণত কেটেই বিক্রি করা হয়। মাছ থেকে আঁশ ছাড়িয়ে ক্রেতাদের দিতে হয়। সেই আঁশই এদিকওদিক না ফেলে দিয়ে তা বাড়ি নিয়ে গিয়ে শুকিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছেন অনেকে।
ময়নাগুড়ির হাতিরবাড়ি এলাকার মাছ বিক্রেতা সুবল দাস বলেন, ময়নাগুড়ি বাজারে আমার মাছের দোকান আছে। বড় মাছ বিক্রি করার পর সেই আঁশ বাড়ি নিয়ে আসি। রোদে শুকিয়ে তা বিক্রি করে দেই। বাড়ি থেকেই পাইকাররা এসে শুকনো আঁশ সংগ্রহ করেন। মাছ বিক্রির পাশাপাশি মাছের আঁশ বিক্রি করেও লাভবান হওয়া যায়।
জলপাইগুড়ি জেলার মৎস্য বিজ্ঞানী ইন্দ্রনীল ঘোষ বলেন, দপ্তরে মৎস্যজীবীদের নিয়ে যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তাতে মাছের আঁশের ব্যাপারও বলা হয়। মাছ কাটার পর মাছের আঁশ মৎস্য বিক্রেতারা বাড়ি নিয়ে যাওয়ার ফলে একদিকে যেমন বাজার পরিষ্কার থাকে, অপরদিকে তাঁরা ওসব বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আরও কিছু লোক স্বনির্ভর হতে পারছে। বিভিন্ন কারখানায় মাছের আঁশ পৌঁছে যাচ্ছে। তা দিয়ে মালা, নকল মুক্তর মালা, মহিলাদের সাজাগোজার সামগ্রী, আঠা সহ বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি হচ্ছে। আমাদের প্রচেষ্টাই হল মৎস্য চাষিদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলা। এই ব্যবসা করে অনেকেই অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হচ্ছেন।
মৎস্য বিক্রেতাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বড় সাইজের রুই, কাতলা মাছ বাজারে সাধারণত কেটেই বিক্রি করা হয়। মাছ থেকে আঁশ ছাড়িয়ে ক্রেতাদের দিতে হয়। সেই আঁশই এদিকওদিক না ফেলে দিয়ে তা বাড়ি নিয়ে গিয়ে শুকিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছেন অনেকে।



