লন্ডন: বাউন্ডারি লাইনে নেওয়া শিহরণ জাগানো ক্যাচের নিয়ম বদলাল। মেরিলিবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) এমন ক্যাচের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করছে। চলতি মাস থেকেই তা প্রযোজ্য হবে। এই নিয়মে বাউন্ডারি লাইনের বাইরে শূন্যে ভাসমান অবস্থায় কোনও ফিল্ডার একবারই মাত্র স্পর্শ করতে পারবেন বল। দ্বিতীয়বার স্পর্শ করা যাবে না। ২০২৩ সালের বিগ ব্যাশ লিগে মাইকেল নাসেরের নেওয়া একটা ক্যাচ থেকেই বিতর্ক শুরু হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতেই বদলাল ক্যাচ ধরার নিয়ম।
ঠিক কীভাবে ক্যাচ ধরেছিলেন নাসের? সিডনি সিক্সার্সের জর্ডন সিল্কের মারা শট ওয়াইড লং-অফ সীমানার ধারে ধরেন তিনি। তারপর পড়ন্ত অবস্থাতেই বল ছুড়ে দেন আকাশে। বাউন্ডারির বাইরে তিনি ফের স্পর্শ করেন বল। ওই সময় লাফিয়ে মাটি থেকে তুলে নিয়েছিলেন দু’পা। নিমেষে বল ছুড়ে দেন মাঠের ভিতরে। তারপর দ্রুত মাঠে ঢুকে তা ধরেন। এই ক্যাচ চিহ্নিত হয় ‘বানি হপ’ হিসেবে। অনেকের কাছেই এমন ক্যাচ বৈধ বলে মনে হয়নি। এমসিসি সেই আপত্তিকেই মান্যতা দিল। এবার থেকে সীমানার বাইরে ভাসমান অবস্থায় মাত্র একবারই বল স্পর্শ করা যাবে।
পরিবর্তন হচ্ছে ‘রিলে’ ক্যাচের নিয়মও। অনেক সময় কোনও ফিল্ডার ভারসাম্য হারিয়ে সীমানার ওপাশে পড়ে যাওয়ার সময় বল শূন্যে ছুড়ে দেন। সেই ক্যাচ তখন ধরেন সতীর্থ ফিল্ডার। নতুন নিয়মে বাউন্ডারির ভিতরে থাকতে হবে দু’জন ফিল্ডারকেই। অন্যথায় সেই ক্যাচ অবৈধ ঘোষিত হবে। বরং তা চার বা ছক্কা হিসেবে গণ্য হবে।
অনেক সময় ফিল্ডাররা বাউন্ডারি বাঁচানোর তাগিদে ঝাঁপিয়ে বল ঠেকানোর পর নিজে বাইরে চলে যান। সেই বল অন্য কেউ ছুড়ে দেন কিপারকে। কিন্তু নতুন নিয়মে বল ডেড না হওয়া পর্যন্ত উভয় ফিল্ডারকেই থাকতে হবে মাঠের মধ্যে।
এদিকে, গত তিনটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ইংল্যান্ডের মাটিতে হওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন রোহিত শর্মা, প্যাট কামিন্সরা। এই প্রথার পরিবর্তন চান তাঁরা। কিন্তু, রোহিতদের আপত্তিকে আমল দেয়নি আইসিসি। শোনা যাচ্ছে, ২০৩১ সাল পর্যন্ত বথাম-বয়কটের দেশেই হবে ডব্লুটিসি ফাইনাল।