নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ ও সংবাদদাতা কালিয়াচক: প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়ায় কল। সঙ্গে আলো জ্বালিয়ে সিগন্যাল। এরপর বিএসএফের অলক্ষ্যেই কাঁটাতারের ওপর দিয়ে ঢিলের সঙ্গে বেঁধে ছুঁড়ে বাংলাদেশ থেকে এপারে পাঠানো হচ্ছে ভারতীয় জালনোট। ঘন কুয়াশা থাকার সুযোগ নিয়ে কালিয়াচকের সীমান্তে অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে জালনোট পাচারকারীরা। সবমিলিয়ে গত তিন সপ্তাহে উদ্ধার হওয়া জালনোটের পরিমাণ দেখে মনে ভারতীয় জালনোটের ‘হাব’ হয়ে উঠেছে মালদহের কালিয়াচক।
Advertisement
পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, পুলিস সতর্ক আছে। বেশকিছু জালনোট উদ্ধার হয়েছে। কিছু পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তদন্ত চলছে।
বাংলাদেশে অস্থিরতার মধ্যেই জালনোট পাচারকারীরা ফের সক্রিয় হওয়ার পিছনে ভারতের অর্থনীতিকে দুর্বল করার চক্রান্ত দেখছেন অনেকে। এর পিছনে আন্তর্জাতিক চক্রের হাত রয়েছে বলেও মত তাঁদের।
তাছাড়া শীত বাড়তে শুরু করায় কুয়াশার দাপটে দৃশ্যমানতা এখন অনেকটাই কমে গিয়েছে। বিশেষ করে বিকেলের দিক থেকে শুরু করে পরের দিন অনেকটা বেলা পর্যন্ত কুয়াশা থাকছে। এই সুযোগ নিয়ে সীমান্তে সক্রিয়তা বাড়াচ্ছে পাচারকারীরা। পাচার রুখতে বিএসএফের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে পুলিস ও প্রশাসন। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে এক বিএসএফ কর্তা জানান। ফলে অনুপ্রবেশ বা গোরু পাচারের থেকেও প্রশাসনের এখন মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ থেকে ভারতে সাপ্লাই করা লক্ষ লক্ষ টাকার জালনোট।
কালিয়াচক-৩ ব্লকের অর্থাৎ বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার বাখরাবাদ এবং পারদেওনাপুর শোভাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে রয়েছে হঠাৎপাড়া ও বাপছাড়া গাঁ। এখানে বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় দু’কিলোমিটার অংশে কোনও কাঁটাতারের বেড়া নেই। বিএসএফের শক্ত টহলদারি সত্ত্বেও জায়গাটি কার্যত আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের ‘স্বর্গে’ পরিণত হয়েছে। সীমান্তের ঠিক ওপারেই রয়েছে বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার মোনাকসা বাজার।
পুলিস এবং স্থানীয় বেশকিছু সূত্রে জানা গিয়েছে, ওপারের বাসিন্দা জনৈক ফারুক শেখ এই জালনোট পাচার চক্রের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড। ফারুকের ডান হাত রফিকুল শেখ। সে মোনাকসার বাসিন্দা। এছাড়াও শিবপুরের আরও বেশ কয়েকজন রয়েছে যারা সরাসরি জালনোট পাচারের সঙ্গে যুক্ত। তারা ওপারে বসে ভারতের মাটিতে জালনোট সাপ্লাইয়ের ছক কষে। যাদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে এপারের বেশকিছু বাসিন্দা। পুলিসি তদন্তের স্বার্থে এখনই তাদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে,অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখে দু’পারের পাচারকারীরা। নিয়মিত কথা বলে তারা। নিজেদের মধ্যে লোকেশন শেয়ার করার পর সেই অনুযায়ী সীমান্তের কাছাকাছি এগিয়ে আসে তারা।
রাতের অন্ধকার এবং ঘন কুয়াশার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিএসএফের অলক্ষ্যে ওপার থেকে এপারে জালনোটের প্যাকেট ছুঁড়ে দিচ্ছে তারা। এপারের চোরাকারবারিরা জালনোটের প্যাকেট তুলে নিয়ে আসছে। সুযোগ বুঝে লক্ষ লক্ষ টাকার ভারতীয় জালনোট তারা ছড়িয়ে দিচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মালদহ পুলিসের অতি সক্রিয়তায় পাচারের আগেই ধরা পড়ে যাচ্ছে জালনোট।
বাংলাদেশে অস্থিরতার মধ্যেই জালনোট পাচারকারীরা ফের সক্রিয় হওয়ার পিছনে ভারতের অর্থনীতিকে দুর্বল করার চক্রান্ত দেখছেন অনেকে। এর পিছনে আন্তর্জাতিক চক্রের হাত রয়েছে বলেও মত তাঁদের।
তাছাড়া শীত বাড়তে শুরু করায় কুয়াশার দাপটে দৃশ্যমানতা এখন অনেকটাই কমে গিয়েছে। বিশেষ করে বিকেলের দিক থেকে শুরু করে পরের দিন অনেকটা বেলা পর্যন্ত কুয়াশা থাকছে। এই সুযোগ নিয়ে সীমান্তে সক্রিয়তা বাড়াচ্ছে পাচারকারীরা। পাচার রুখতে বিএসএফের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে পুলিস ও প্রশাসন। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে এক বিএসএফ কর্তা জানান। ফলে অনুপ্রবেশ বা গোরু পাচারের থেকেও প্রশাসনের এখন মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ থেকে ভারতে সাপ্লাই করা লক্ষ লক্ষ টাকার জালনোট।
কালিয়াচক-৩ ব্লকের অর্থাৎ বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার বাখরাবাদ এবং পারদেওনাপুর শোভাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে রয়েছে হঠাৎপাড়া ও বাপছাড়া গাঁ। এখানে বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় দু’কিলোমিটার অংশে কোনও কাঁটাতারের বেড়া নেই। বিএসএফের শক্ত টহলদারি সত্ত্বেও জায়গাটি কার্যত আন্তর্জাতিক পাচারচক্রের ‘স্বর্গে’ পরিণত হয়েছে। সীমান্তের ঠিক ওপারেই রয়েছে বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার মোনাকসা বাজার।
পুলিস এবং স্থানীয় বেশকিছু সূত্রে জানা গিয়েছে, ওপারের বাসিন্দা জনৈক ফারুক শেখ এই জালনোট পাচার চক্রের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড। ফারুকের ডান হাত রফিকুল শেখ। সে মোনাকসার বাসিন্দা। এছাড়াও শিবপুরের আরও বেশ কয়েকজন রয়েছে যারা সরাসরি জালনোট পাচারের সঙ্গে যুক্ত। তারা ওপারে বসে ভারতের মাটিতে জালনোট সাপ্লাইয়ের ছক কষে। যাদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে এপারের বেশকিছু বাসিন্দা। পুলিসি তদন্তের স্বার্থে এখনই তাদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে,অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখে দু’পারের পাচারকারীরা। নিয়মিত কথা বলে তারা। নিজেদের মধ্যে লোকেশন শেয়ার করার পর সেই অনুযায়ী সীমান্তের কাছাকাছি এগিয়ে আসে তারা।
রাতের অন্ধকার এবং ঘন কুয়াশার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিএসএফের অলক্ষ্যে ওপার থেকে এপারে জালনোটের প্যাকেট ছুঁড়ে দিচ্ছে তারা। এপারের চোরাকারবারিরা জালনোটের প্যাকেট তুলে নিয়ে আসছে। সুযোগ বুঝে লক্ষ লক্ষ টাকার ভারতীয় জালনোট তারা ছড়িয়ে দিচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মালদহ পুলিসের অতি সক্রিয়তায় পাচারের আগেই ধরা পড়ে যাচ্ছে জালনোট।



