নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরি করে সেই জেলায় রাত কাটাত না ‘ব্যাটার গ্যাং’। ধৃতদের জেরা করে পুলিস চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। আর সেই কারণেই পুলিস তাদের নাগাল পাচ্ছিল না। জানা গিয়েছে, এই ‘ব্যাটার গ্যাং’ রাতের অন্ধকারে একটি জেলায় অপারেশন চালানোর পর অন্য জেলায় পালিয়ে যেত। তারপর সেই জেলায় কিছুদিন থেকে রেকি করে আবার চুরি করত। চুরির মাল নিয়ে রাতের অন্ধকারেই ফের অন্য জেলায় পালিয়ে যেত। এভাবেই গত কয়েক মাস ধরে পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে একের পর এক মোবাইল টাওয়ারে লাগানো লক্ষ লক্ষ টাকার ব্যাটারি হাতিয়েছে তারা।
Advertisement
মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরিতে রাজ্যজুড়ে বেশ কয়েকটি গ্যাং অত্যন্ত সক্রিয়। তারমধ্যে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় দাপিয়ে চুরি করেছে ‘ব্যাটার গ্যাং’। প্রতিটি দলে ছয় থেকে সাতজন সদস্য রয়েছে। সকলের বয়স ২৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বলে পুলিস জানতে পেরেছে।
উল্লেখ্য, পূর্ব বর্ধমান, নদীয়া, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায় লাগাতার মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটছে। অবশেষে গত শুক্রবার সকালে শক্তিপুর থানার পুলিস এই গ্যাংয়ের সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। উদ্ধার হয়েছে ১২টি ব্যাটারি এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা। ধৃতদের বহরমপুর আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস। ধৃতদের সকলের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলায়।
গত ছয় মাসে মুর্শিদাবাদ পুলিস জেলার বিভিন্ন থানায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ব্যাটারি চুরির অভিযোগ জমা পড়ে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শক্তিপুরের বাজারসৌ এলাকার একটি মোবাইল নেটওয়ার্কের টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটে। তারপর শক্তিপুর থানার পুলিস ঘটনার তদন্তে নামে। মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিসের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ(এসওজি) ও থানার তদন্তকারী অফিসাররা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে গত শুক্রবার এই ব্যাটারি চুরি গ্যাংয়ের সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে একজন চোরাই ব্যাটারি কিনে নিত। চোরাই ব্যাটারি কম টাকায় সে কিনে নিত। এই ব্যাটারি কোথায় পাচার করা হয়, সে ব্যাপারে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির অভিযোগ পেয়ে আমরা তদন্ত শুরু করি। সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছ’জন ব্যাটারি চুরি করে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। ওই গ্যাংয়ের মধ্যে একজন ব্যাটারি ক্রেতাকে ধরা হয়েছে। তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। এই গ্যাংয়ের সঙ্গে আর কেউ যুক্ত আছে কি না সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে গত কয়েক মাসে এই গ্যাং নদীয়া পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে একাধিক মোবাইল নেটওয়ার্কের ব্যাটারি চুরি করেছে বলে স্বীকার করেছে। সব জেলাতে এরা একই কায়দায় চুরি করে।
মোবাইল টাওয়ারের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা একটি বেসরকারি সংস্থার ইনচার্জ বলেন, জেলাজুড়ে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরি হচ্ছে। কোথাও কোথাও এক একবারে ২৪টি করে ব্যাটারি চুরি করে নিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এর ফলে পরিষেবায় সমস্যা হচ্ছে। এই বছরের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত বহু ব্যাটারি চুরি গিয়েছে। গত ছ’মাসেই প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ব্যাটারি চুরি হয়েছে বলে আমরা বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। পুলিস একটি গ্যাংকে ধরেছে বলে আমরা শুনছি। এখন আমাদের ব্যাটারিগুলি উদ্ধার হলে ভালো হবে।
উল্লেখ্য, পূর্ব বর্ধমান, নদীয়া, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায় লাগাতার মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটছে। অবশেষে গত শুক্রবার সকালে শক্তিপুর থানার পুলিস এই গ্যাংয়ের সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। উদ্ধার হয়েছে ১২টি ব্যাটারি এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা। ধৃতদের বহরমপুর আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস। ধৃতদের সকলের বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলায়।
গত ছয় মাসে মুর্শিদাবাদ পুলিস জেলার বিভিন্ন থানায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ব্যাটারি চুরির অভিযোগ জমা পড়ে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শক্তিপুরের বাজারসৌ এলাকার একটি মোবাইল নেটওয়ার্কের টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটে। তারপর শক্তিপুর থানার পুলিস ঘটনার তদন্তে নামে। মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিসের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ(এসওজি) ও থানার তদন্তকারী অফিসাররা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে গত শুক্রবার এই ব্যাটারি চুরি গ্যাংয়ের সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে একজন চোরাই ব্যাটারি কিনে নিত। চোরাই ব্যাটারি কম টাকায় সে কিনে নিত। এই ব্যাটারি কোথায় পাচার করা হয়, সে ব্যাপারে পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির অভিযোগ পেয়ে আমরা তদন্ত শুরু করি। সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছ’জন ব্যাটারি চুরি করে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। ওই গ্যাংয়ের মধ্যে একজন ব্যাটারি ক্রেতাকে ধরা হয়েছে। তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। এই গ্যাংয়ের সঙ্গে আর কেউ যুক্ত আছে কি না সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে গত কয়েক মাসে এই গ্যাং নদীয়া পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে একাধিক মোবাইল নেটওয়ার্কের ব্যাটারি চুরি করেছে বলে স্বীকার করেছে। সব জেলাতে এরা একই কায়দায় চুরি করে।
মোবাইল টাওয়ারের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা একটি বেসরকারি সংস্থার ইনচার্জ বলেন, জেলাজুড়ে মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরি হচ্ছে। কোথাও কোথাও এক একবারে ২৪টি করে ব্যাটারি চুরি করে নিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এর ফলে পরিষেবায় সমস্যা হচ্ছে। এই বছরের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত বহু ব্যাটারি চুরি গিয়েছে। গত ছ’মাসেই প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ব্যাটারি চুরি হয়েছে বলে আমরা বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। পুলিস একটি গ্যাংকে ধরেছে বলে আমরা শুনছি। এখন আমাদের ব্যাটারিগুলি উদ্ধার হলে ভালো হবে।



