নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ঘটনা-১: রাধামণি বাজারের আলমারি ব্যবসায়ী চন্দনকুমার দে’র পকেট থেকে মোবাইল চুরি হয়। ৩০অক্টোবর ওই ঘটনার পরদিন ডুপ্লিকেট সিমকার্ড ভরামাত্র পাঁচ দফায় পরপর ৯৯হাজার ৯০০টাকা তুলে নেওয়ার মেসেজ পান। তা দেখে মাথায় হাত চন্দনবাবুর। ঘটনা-২: তমলুক শহরে মেছোবাজারে ভিড়ের মধ্যে সুবীর চৌধুরীর পকেট থেকে ফোন খোয়া যায়। ২৯তারিখ ওই ঘটনার পর ৩০অক্টোবর ব্যাঙ্কে গিয়ে জানতে পারেন, অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৩হাজার ৯০০টাকা উধাও।
Advertisement
শুধু চন্দনবাবু কিংবা সুবীরবাবু নয়। তাঁদের মতো গত কয়েক মাসে আরও অনেকেই মোবাইল হারানোর পর অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দেওয়ার ঘটনার সাক্ষী। হাটেবাজারে, মেলা কিংবা পার্কে প্রায়শই মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটে। সেই মোবাইল থেকেই নিমেষের মধ্যে অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দিচ্ছে। দুষ্কৃতীরা লেনদেন করার সময় পিন বা গোপন নম্বর পাচ্ছে কোথা থেকে? কীভাবে এত দ্রুত লেনদেন করে নিচ্ছে? এসবই এখন তদন্তকারী অফিসারদের ভাবাচ্ছে। পর পর বেশ কয়েকটি ঘটনার তদন্তে পুলিস জেনেছে, ব্যাঙ্কিং অ্যাপ ইনস্টল করা থাকলে সেই অ্যাপ ব্যবহার করে টাকা তুলে নেওয়া হচ্ছে।
তমলুক পুরসভার ১০নম্বর ওয়ার্ডের পদুমবসানের বেসরকারি সংস্থার অবসরপ্রাপ্ত কর্মী সুবীর চৌধুরী। পদুমবসানে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে তাঁর অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেই ব্যাঙ্কের একটি অ্যাপ ওই মোবাইলে ইনস্টল করা ছিল। গত ২৯অক্টোবর সকালে মেছোবাজারে বাজার করতে গিয়েছিলেন সুবীরবাবু। ভিড়ের সুযোগে তাঁর প্যান্টের ডান পকেটে হাত গলিয়ে সন্তর্পণে ফোনটি তুলে নেয় একজন। মোবাইলের মধ্যে দু’টি সিমকার্ড ছিল। ব্যাঙ্কের অ্যাপ ছিল। সিম ব্লক করার পর ব্যাঙ্কে যান। তারপর জানতে পারেন, অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৪ হাজার টাকা গায়েব। ইমিডিয়েট পেমেন্ট সার্ভিস (আইএমপিএস) ব্যবস্থায় একজনকে সেই টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে।
তমলুক থানার তেঘরি গ্রামের চন্দনকুমার দে পেশায় ছোট ব্যবসায়ী। রাধামণি বাজারে তাঁর একটি আলমারির দোকান আছে। ৩০অক্টোবর সকাল ৯টা নাগাদ রাধামণি বাজারে তাঁর পকেট থেকে ওই দামি মোবাইল খোয়া যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে সিম ব্লক করে দেন। ৩১অক্টোবর নতুন ডুপ্লিকেট সিমকার্ড ভরে মোবাইল চালু করতেই পরপর এসএমএস। পাঁচ দফায় প্রায় এক লক্ষ টাকা কেটে নেওয়ার মেসেজ দেখে মাথায় হাত ওই ব্যবসায়ীর।
চন্দনবাবু বলেন, আমার মোবাইলে ব্যাঙ্কের অ্যাপ ইনস্টল করা ছিল। সম্ভবত সেই অ্যাপ ব্যবহার করেই টাকা তোলা হয়েছে। অপর অভিযোগকারী সুবীরবাবু বলেন, মোবাইল চুরি হওয়ার এক-দু’ঘণ্টা পর ব্যাঙ্কে গিয়ে জানতে পারি, আইএমপিএস পদ্ধতিতে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। তমলুক থানার আইসি সুভষচন্দ্র ঘোষ বলেন, ফোন চুরি করে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনা একটা নতুন ট্রেন্ড। আমরা কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
তমলুক পুরসভার ১০নম্বর ওয়ার্ডের পদুমবসানের বেসরকারি সংস্থার অবসরপ্রাপ্ত কর্মী সুবীর চৌধুরী। পদুমবসানে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে তাঁর অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেই ব্যাঙ্কের একটি অ্যাপ ওই মোবাইলে ইনস্টল করা ছিল। গত ২৯অক্টোবর সকালে মেছোবাজারে বাজার করতে গিয়েছিলেন সুবীরবাবু। ভিড়ের সুযোগে তাঁর প্যান্টের ডান পকেটে হাত গলিয়ে সন্তর্পণে ফোনটি তুলে নেয় একজন। মোবাইলের মধ্যে দু’টি সিমকার্ড ছিল। ব্যাঙ্কের অ্যাপ ছিল। সিম ব্লক করার পর ব্যাঙ্কে যান। তারপর জানতে পারেন, অ্যাকাউন্ট থেকে ৩৪ হাজার টাকা গায়েব। ইমিডিয়েট পেমেন্ট সার্ভিস (আইএমপিএস) ব্যবস্থায় একজনকে সেই টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে।
তমলুক থানার তেঘরি গ্রামের চন্দনকুমার দে পেশায় ছোট ব্যবসায়ী। রাধামণি বাজারে তাঁর একটি আলমারির দোকান আছে। ৩০অক্টোবর সকাল ৯টা নাগাদ রাধামণি বাজারে তাঁর পকেট থেকে ওই দামি মোবাইল খোয়া যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে সিম ব্লক করে দেন। ৩১অক্টোবর নতুন ডুপ্লিকেট সিমকার্ড ভরে মোবাইল চালু করতেই পরপর এসএমএস। পাঁচ দফায় প্রায় এক লক্ষ টাকা কেটে নেওয়ার মেসেজ দেখে মাথায় হাত ওই ব্যবসায়ীর।
চন্দনবাবু বলেন, আমার মোবাইলে ব্যাঙ্কের অ্যাপ ইনস্টল করা ছিল। সম্ভবত সেই অ্যাপ ব্যবহার করেই টাকা তোলা হয়েছে। অপর অভিযোগকারী সুবীরবাবু বলেন, মোবাইল চুরি হওয়ার এক-দু’ঘণ্টা পর ব্যাঙ্কে গিয়ে জানতে পারি, আইএমপিএস পদ্ধতিতে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। তমলুক থানার আইসি সুভষচন্দ্র ঘোষ বলেন, ফোন চুরি করে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনা একটা নতুন ট্রেন্ড। আমরা কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।



