নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজয়গড়ে ক্যাব চালককে পিটিয়ে মারার সেই ঘটনায় ‘গণপিটুনি’ ধারায় মামলা না লিখে কেন ‘অনিচ্ছাকৃত খুন’-এর মামলা লেখা হল এবার তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি পুলিসের একাংশ ইচ্ছাকৃতভাবে লঘু ধারায় মামলা দায়ের করে দুষ্কৃতী দলটিকে বাঁচাতে চাইছে? যদিও এনিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে কলকাতা পুলিসের ভারপ্রাপ্ত গোয়েন্দা প্রধান রূপেশ কুমারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানিয়েছেন, ‘লিখিত অভিযোগে যা রয়েছে, তার ভিত্তিতেই এফআইআর করেছে যাদবপুর থানা।’ পাশাপাশি, মামলা দায়ের হওয়ার পর ৭২ ঘণ্টা কেটে গেলেও সোমবার রাত পর্যন্ত একজন দুষ্কৃতীকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি যাদবপুর থানার পুলিস। এতে যাদবপুর থানার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ রাত সাড়ে দশটা নাগাদ যাদবপুর থানার বিজয়গড়ে নিজের ফ্ল্যাটের সামনে পার্কিং নিয়ে বচসার জেরে পাঁচ মদ্যপ দুষ্কৃতী ক্যাব চালক জয়ন্ত সেনকে রাস্তায় ফেলে নির্মমভাবে মারধর করে। ঘটনার পর গুরুতর জখম ক্যাব চালককে প্রথমে বাঘাযতীন স্টেট জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে কেপিসি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে মারা যান জয়ন্ত।
এদিকে, ঘটনার তদন্তে নেমে যাদবপুর থানার পুলিস ঘটনাস্থল থেকে একটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করে। ফলে এই ক্যাব চালককে নৃশংসভাবে পিটিয়ে মারার ঘটনায় কে বা কারা জড়িত, তা অজানা নয় পুলিসের। কোন রহস্যজনক কারণে দুষ্কৃতীদের কাউকে গ্রেপ্তার করছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মৃত ক্যাব চালকের ভগ্নিপতি রাজু পাল।