লাহোর: ১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর। কাঠমাণ্ডু থেকে দিল্লি ফিরছিল ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট আইসি ৮১৪। মাঝ আকাশে সেই বিমান ছিনতাই করে কান্দাহারে নামিয়েছিল জঙ্গিরা। যাত্রীদের মুক্তির শর্তে ভারতের হেফাজত থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল জয়েশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে। পরবর্তীকালে সেই জয়েশ প্রধানের চক্রান্তেই ভারতে চলেছে একের পর এক জঙ্গি হামলা। ২০০০ সালে জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভা, ২০০১ সালে সংসদ ভবন, ২০১৬ সালে পাঠানকোটে বায়ুসেনার ঘাঁটি, ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলা— তালিকাটা দীর্ঘ। ঘটনাচক্রে, ১৯৯৯ সালে মাসুদ আজহারের মুক্তির পর থেকে জয়েশের মূল ঘাঁটি হয়ে উঠেছিল পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুর। মঙ্গলবার গভীর রাতে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর অন্তর্গত সেই বাহাওয়ালপুরে জয়েশের হেড কোয়ার্টার আল্লা জামিয়া মসজিদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারত। এই এয়ারস্ট্রাইকে পরিবারের ১০ জন সদস্য ও চার ঘনিষ্ঠের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করে নিয়েছেন স্বয়ং জয়েশ প্রধানই। তবে কোনও অনুশোচনা বা হতাশা না থাকলেও মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতার কণ্ঠে আক্ষেপের সুর। বলেছেন, ‘প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গে আমিও মরে গেলে ভালো হতো।’



